ঝুঁকিপূর্ণ কাজেও বেতন বৈষম্যের শিকার নারী ও শিশুশ্রমিক

ফাইল ছবি।

নুরুল আমিন হেলালী:
ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুদের অন্তরে। আজকের শিশু আগমী দিনের ভবিষ্যত। পৃথিবীতে যা কিছু কল্যাণকর অর্ধেক তার গড়িয়েছে নারী অর্ধেক তার নর।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলা শহর থেকে শুরু করে গ্রামে গঞ্জেও সব ধরনের অর্থনৈতিক কাজে নারী ও শিশুরা শ্রম দিচ্ছে। তবে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে মানা হচ্ছে না শ্রম আইন। অনেকেই মনে করছেন শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে হলে সরকারকে শিশু শ্রম আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।

দেখা যায়, স্কুলের শিক্ষকরাও অনেক সময় শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন চালান, তা বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে হালকা থেকে ভারি ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নারী ও শিশুদের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, আবার অনেকেই পরিবারকে সহযোগিতা করতে বাধ্য হয়ে এধরণের কাজে লিপ্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। সরেজমিনে,কক্সবাজার জেলা শহর, লিংক রোড,বিসিক শিল্প এলাকা, সদরের বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজার ও ইসলামপুর শিল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ওখানকার প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে দেখা গেছে নারী ও শিশু শ্রমিক নিয়োজিত। হোটেল ও রেস্টুরেন্টের গ্লাসবয়, অর্ডারবয়, বিভিন্ন প্রসাধনি, মনিহারী ও কাপড়ের দোকানের বিক্রয়কর্মী, চটপটি-চনামুড়ি বিক্রেতা, রিক্সা চালক, ভাঙ্গারী দোকান, মটর গ্যারেজ, মাইক্রোবাস-মিনিবাসের হেলপার, আসবাবপত্র তৈরীর কারখানা, ওয়েল্ডিং ও গ্রীল ওয়ার্কশপ, বেকারী-পেস্ট্রিশপ, পত্রিকার হকার,মাছ ও তরকারী বিক্রেতা,কাঠ ও লাকড়ি বিক্রি, ইটের ভাটায় ইট ভাংগাসহ সব ধরনের কাজেই মুনাফালোভী মালিকরা স্বল্পমজুরীতে ওই সকল ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নারী ও শিশুদের ব্যবহার করছে।

আন্তর্জাতিক শ্রম আইন সংস্থা (আই এল ও) এবং ইউনিসেফ পরিচালিত সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গেছে, দেশের প্রায় তিন শ ধরণের অর্থনৈতিক কাজে শৈশব বিক্রি করছে শিশুরা। এই শিশু শ্রমিকদের বেশীর ভাগের বয়স ৭ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। শিশু শ্রম নিয়ন্ত্রনে আইন করা হলেও তার যথাযথ প্রয়োগ নেই। ফলে আইন অমান্য করে মালিক পক্ষ অত্যন্ত কম বেতনে ঝুঁকিপূর্ণ কাজেও ব্যবহার করছে নারী ও শিশুদের। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩২ লক্ষ। জেলায় নাম সর্বস্ব অর্ধ ডজন মানবাধিকার সংগঠন থাকলেও নির্যাতিত শিশু কিংবা অপরাধ প্রবনতায় জড়িয়ে পড়া শিশুর মানবাধিকার রক্ষায় কেউ তেমন সচেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন অনেকেই ।

জেলায় প্রতিষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাতের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে নারী ও শিশু শ্রমিক নেই। শুধু চরম দারিদ্রতার কারনে তাদের বাবা-মা এধরনের কাজে ঠেলে দিতে বাধ্য হচ্ছে। তাই নারী ও শিশু শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারকে আরো সচেতন ও সতর্ক হতে হবে বলে মনে করেন অনেকেই।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ৯ম বোর্ড সভা সম্পন্ন

আদর্শ শিক্ষকের বিপরীতে আদর্শহীনতা!

এড. আহমদ হোছাইন ছিলেন সকল শ্রেণীর মানুষের প্রিয় ব্যক্তিত্ব : জেলা জজ

রামুতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্রিক ফিল্ডে ভাংচুর, হত্যার হুমকি

১২০ রানে মুমিনুলের বিদায়

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা, বিএনপি নেতা গিয়াস কাদের কারাগারে

ছেলে জয়কে স্কুলে পাঠিয়ে ভীষণ খুশি শাকিব-অপু

ডায়াবেটিস নিয়ে ভয়াবহ বিপদের আশঙ্কা

বিএনপির কর্মকাণ্ডে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা কাদেরের

৭৮০০ ইয়াবাসহ ‘সিএসবিডি’ এর গাড়ী জব্দ, আটক ১

কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আলোচনা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

১৫ ডিসেম্বরের পর সশস্ত্র বাহিনী মাঠে কাজ করবে: সিইসি

কেন অন্যদের চেয়ে এগিয়ে আনিসুল হক চৌধুরী সোহাগ?

কবি রেজাউদ্দিন স্টালিনের ৫৬তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা

পেকুয়ায় লবণ বহনের নৌকা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ

খুন করে প্রেমিকের মাংস রেঁধে লোকজনকে খাওয়ালেন নারী

মনোনয়নপ্রার্থীদের কাছে কী কী জানতে চান তারেক রহমান?

ইয়েমেনে ৪বছরে ৮৫ হাজার শিশু মৃত্যু, অপেক্ষায় আরো দেড় লাখ

পুলিশ কথা না শুনলে নির্বাচন কমিশন কী করতে পারে ?

১৫০ কোটি আইডি ‘ডিলিট’ করেছে ফেসবুক