বিশেষ প্রতিবেদক:

খিয়ার উত্তর নিদানিয়া গ্রামের মুসা আলমের পুত্র জলিল আহমদ রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধোঁয়াপালংয়ে নিহত হয়েছে। ২২ এপ্রিল তার উদ্ধার করা হয়।

নিহত জলিল আহমদের ভাই বেলাল আহমদ বলেন, আমার ভাই স্ব-স্ত্রীক তার দুই কন্যা সন্তান নিয়ে খুনিয়াপালং কালুয়ারপালা হেডম্যানপাড়ায় বসবাস করতেন। ২২এপ্রিল সকালে খুনিয়াপালংয়োর ২ নং ওয়ার্ডের হেডম্যান পাড়ার বশির আহমদের পুত্র তোফাইল মিয়ার নেতৃত্বে সামাজিক বনায়নের গাছ কাটতে যায়।

সেখানে কি ঘটনা ঘটলো জানিনা হঠাৎ করে ভাবি ফোন করে বলে আপনার ভাইকে কক্সবাজার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে একটু তাড়াতাড়ি সদর হাসপাতালে যান।

আসার পরে দেখি তাকে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। পরে সেখান থেকে আসা লোকজন থেকে জানা যায় গাছ পড়ে আহত হয়ে মারা গেছে কিন্ত আমার সন্দেহ তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত কেউ আঘাত করেছে এতে তার মৃত্যু হয়েছে।

বেলাল আরো বলেন সেখানে গাছ কাটতে ১৫-২০ জন লোক ছিল তবে তারা সবাই পালিয়ে গেছে এমন কি যে তাকে মাঝি হয়ে সেখানে নিয়ে যায় সেও পলাতক! কেউ থাকে দেখতে পর্যন্ত আসেনি। অথচ তাকে খুনিয়াপালং থেকে হাসপাতালে আনার পথে সে মারা যায়।

পরে আমাদের সাথে বুঝাপরা করার জন্য মাঝি তোফাইল মিয়া তার স্ত্রীকে হাসপাতালে পাঠায় কিন্তু এতে আমাদের পরিবার রাজি না থাকাতে  তাদের সাথে বুঝাপরা এখনো হয়নি।

এদিকে সদর হাসপাতালে নিয়োজিত পুলিশের সদস্য দেলোয়ার বলেন জলিল আহমদকে বিকাল ৫ টায় ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেছেন। লাশটি এখন হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে নীতিমালানুযায়ী স্বজনদের হাতে সোপর্দ করা হবে।

এদিকে নিহতের স্ত্রী ও ভাই বেলাল বলেন আমরা এই হত্যার বিচার চাই! সে কি আসলে গাছ কাটার সময় আহত হয়ে মারা গেছে না অন্য কোন কারণ তা অনুসন্ধানের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। তাদের ধারণা ঘটনাটি সম্পুর্ণ রহস্যজনক।

অন্যদিকে এই ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচার চেয়ে রামু থানায় এজাহার দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট আত্মীয়স্বজন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •