বাইশারীতে থামছে না পাহাড় কাটা: প্রশাসন নীরব

আব্দুর রশিদ, বাইশারী:

নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে থামছে না পাহাড়া কাটা। পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পাহাড় কাটা নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতেও থামছেনা পাহাড় কাটা। উল্টো বেড়েই চলছে একের পর এক পাহাড় কাটা ঘটনা।

বাইশারী ইউনিয়নের লম্বাবিল তিতার পাড়া আব্দুল শুক্কুর, আব্দুর মালেক, কবির কোম্পানী ও আব্দুর রহমান কোন প্রকার অনুমতি না নিয়েই বাড়ী তৈরী উদ্দেশ্যে পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংস করছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াকৃত ড্যাম্পারের মালিক মৃত চাঁদ মিয়ার পুত্র মুফিজুর রহমান লম্বাবিল তিতার পাড়া, তুফান আলী পাড়া, ৪০ থেকে ৪৫ ফুট উ”ুঁ তিনটি পাহাড় কেটে বিভিন্ন এলাকায় ফসলী জমি, দোকান ঘর, কলোনী ভরাটসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি পাচার করছে।

জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম কোম্পানী বলেন, পাহাড় কাটা সম্পর্কে আমার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আমি এক এক করে দুই বার মাইকিং করেছি। কোন প্রকার পাহাড় ও টিলা কাটা এবং খাল থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে না।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলমগীর শেখ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পাহাড় কাটা বন্ধে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় কাটা বিষয়ে জেলা প্রশাসনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পাহাড় কাটার অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

জানা যায়, এলাকার কয়েকটি স্থানে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটা চলছে। পাহাড় কাটার কারণে বেশ কিছু বন জঙ্গল কাটা পড়ছে। ন্যাড়া হয়ে পড়েছে বিশাল এলাকা। এভাবে পাহাড় কাটা অব্যাহত থাকলে খুব শিঘ্রই পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। কিন্তু এসব বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন কোন ভুমিকা রাখছেনা।

ভাড়াকৃত ড্যাম্পারের মালিক মুফিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি এক মাসের মধ্যে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় করেছি। আমার গাড়ি চলবে। বসিয়ে রাখার জন্য আমি গাড়ী ভাড়া করে আনিনি। প্রশাসন আমার হাতের মুঠে। আমি যা বলব তাই করবে। আমাকে কেউ কিছু করতে পারবে না বলে তিনি জানান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মুফিজুর রমানের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২জন শ্রমিক কোদাল ও বেলচা ব্যবহার করে মাটি কেটে ভরাট করছে ড্যাম্পার। দিন দিন বেড়েই চলছে বাইশারী ইউনিয়নের পাহাড় কাটা। এতে পাহাড়ের নিচে বা আশে পাশে যারা বসবাস করছে তারা খুব ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। এতে যেকোন সময় পাহাড় ধ্বসে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ও প্রাণহানী আশংকা বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে বড় কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রশাসনের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন পরিবেশবাদীরা।

স্থানীয়রা বলেন, মুফিজুর রহমানের খুটি জোর কোথায়। তিনি কোন কিছু মানছেন না কেন। পাহাড় কাটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এই কার্যক্রম পরিচালনা ক্ষমতা সরকার কাউকে দেয়নি। তাছাড়া পরিবেশ আইনে পাহাড় কাটার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনে বলা আছে। তবুও কার শক্তিতে পাহাড় কাটা থামছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস,এম সরোয়ার কামাল এর নিকট জানতে চাইলে তিনি পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থ গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

cbn
কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

কক্সবাজার কলেজ বাংলা বিভাগের শিক্ষা সফর : ব্যক্তিগত অনুভূতি

কক্সবাজারে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নতুন সভাকক্ষ উদ্বোধন

যুবসমাজের আনন্দায়োজন: কিছু ভাবনা , কিছু কথা…

সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলার নাম ইবাদত

উখিয়ায় উপজেলা নির্বাচনী হাওয়া : মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর আলম চৌধুরী

চাকরি প্রত্যাশিদের তালিকা তৈরি কার্যক্রমের উদ্বোধন করল ‘জাগো উখিয়া’

শহীদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে সুবিধাবঞ্চিত ও দুস্থদের পাশে চ.বি ছাত্রদল

মালয়েশিয়া প্রবাসী যুবককে মুঠোফোনে হুমকির অভিযোগ

দূর্গম পাহাড়ে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হলো ১০ কি:মি: রাস্তা

পেকুয়ায় ইমামকে কুপিয়ে আহত

উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ জামিনে মুক্ত

মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন’র পিএইচডি ডিগ্রী লাভ

কক্সবাজার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল কাদের গণি

শেখ হাসিনার বদান্যতায় মাথা গোজার ঠাঁই পেল গৃহহীন ১২৬ পরিবার

বিশ্বের সর্বাধিক হতদরিদ্র মানুষের বাস ভারতে

সবচেয়ে ‘কিউট’ কুকুরের মৃত্যু

চট্টগ্রামে ইয়াবা নিয়ে রোহিঙ্গা দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৪

মাদকবিরোধী অভিযানের সঙ্গে সমাজে ফেরার সুযোগও দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

টেকনাফে গ্রেপ্তার মাদকের আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

এনজিওতে স্থানীয়দের ছাঁটাই উদ্বেগের