মহেশখালীতে ধলঘাটাবাসীর বৈষম্য দূর করে উন্নয়ন চায় চেয়ারম্যান কামরুল

বিশেষ প্রতিবেদক:

মাতারবাড়ী কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম মাতারবাড়ী ইউনিয়নের নামে নয়। মূলত ধলঘাটা এবং মাতারবাড়ী দুই ইউনিয়নের দ্বীপের নামেই সৃষ্ঠি “মাতারবাড়ী দ্বীপ”। আর এই মাতারবাড়ীর দ্বীপ নামেই নামকরণ করা হয়েছে ” মাতারবাড়ী কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

এমনকি তথ্যমতে দেখা যায়, ১৪ শত একর জমিতে ধলঘাটার জমি হচ্ছে প্রায় ৫ শত একর, আর ৯ শতক একর হচ্ছে মাতারবাড়ীর জমি।

অন্যদিকে এলাকাবাসীর হা-হুতাশ আর অভিযোগ, শুধুমাত্র নামকরনের কারণেই ধলঘাটাবাসী সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত আর বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। যেমনটি শ্রমিক নিয়োগে বৈষম্য,ব্যবসা বাণিজ্যে বৈষম্য, যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈষম্য,আচার আচরণে বৈষম্য লক্ষ্যণীয়।

মহেশখালী দ্বীপের ধলঘাটার ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান জোর দাবি জানান,সকল বৈষম্য দূর করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মেঘা প্রকল্পকে বির্তকমুক্ত ভাবে আলোকিত করবে।

তিনি অরো জানান, শ্রমিক নিয়োগ ও শিক্ষিত যুবকদের চাকরীর দেওয়ার কথা থাকলেও আজ জাইকা অভিজ্ঞতার কথা বলে শ্রমিক, ছাত্র, বেকার যুবকদের ফিরিয়ে দিচ্ছে। যা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি। এমনকি অতিস্বত্ত্বর কারিগরি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে কাজের ধরন বুঝে ব্যবস্থা গ্রহন করারও আহবান জানান।

এলাকাবাসী জানান,যাতায়ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত তারা । অতিস্বত্তর যাতায়তের জন্য বিকল্প সড়ক র্নিমাণ করে জনগনের পাশে দাড়ানোর কথা বলেন।

অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে,ধলঘাটা-মাতারবাড়ীর লোক লবন ব্যবসা এবং চিংড়ী ব্যবসা হারিয়ে পথে বসেছে আর এদিকে বাহিরের লোক এসে ঠিকাদারী করে আঙুল ফুলে কলা গাছ হচ্ছে।
আর ও দু:খজনক যে, যারা কয়লা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শুরুতেই ২৩ কোটি টাকা দুর্নীতি করে দুদকের মামলায় জেল খেটে বের হয়েও পুনরায় শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে।
শ্রমিক নিয়োগের ব্যাপক অনিয়ম। জাইকার কতিপয় ঠিকাদার ও স্থানীয় কিছু দালাল চক্র ১০/৩০ হাজার টাকায় নিয়োগ দিচ্ছে ভাড়াটে বহিরাগতদের। সেই ক্ষেত্রে এলাকার চেয়ারম্যান ধারা যাচাই করার কথা থাকলেও সেটিও তারা এড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে ধলঘাটার শ্রমিক নিয়োগ নেওয়া হচ্ছেনা।

মাতারবাড়ীর মেঘা প্রকল্পের জন্য নামেমাত্র জমি ছেড়ে দিয়ে অনেক ধলঘাটা-মাতারবাড়ীর লোক সর্বশান্ত হয়ে গেছে। তা ছাড়া জাইকাও চুক্তি ভঙ্গের পথে।

ধলঘাটা ইউনিয়নে যে দুটি মেঘা প্রকল্প হচ্ছে, তার মধ্যে একটি গভীর সমুদ্র বন্দর আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল।

ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান দাবি জানান, এতে সমুদ্র বন্দরের নাম হতে হবে ধলঘাটা গভীর সমুদ্র বন্দর এবং জমির ন্যায্য মূল্য ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এক ইঞ্চি জমিও জনগণ ছাড় দেবে না।

অর্থনৈতিক অঞ্চল সর্ম্পকে তিনি বলেন, যদিও আমরা ৭ ধারা নোটিশ পেয়েছি কিন্ত আগের মতই সু-স্পস্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, জমির ন্যায্য মূল্য ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোন ধরনের ছাড়পত্র ছাড় দেবেন না।

গত ৫ এপ্রিল জেলা প্রশাসক, এম,পি আশেক উল্লাহ রফিক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড: সিরাজুল মোস্তাফা,সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান এবং ধলঘাটা-মাতারবাড়ীর ভূমি অধিগ্রহনকৃত জমির মালিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় উপরোক্ত দাবী দাওয়ার কথা তোলে ধরেন বলে জানান চেয়ারম্যান।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

বিএনপি নেতা হাবিব-উন-নবী খান সোহেল গ্রেফতার

রামুর গর্জনিয়ায় বজ্রপাতে একই পরিবারের নারীসহ আহত ৫

কক্সবাজারে প্রথম নির্মিত হচ্ছে সি,আই কোম্পানি ইন্ডাস্ট্রি

মহেশখালী পৌর ছাত্রদলের আংশিক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

এসপি মাসুদ হোসাইনের কক্সবাজারে যোগদান, ডিসি’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাত

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ইওসি স্থাপন

পেকুয়ায় প্রবাহমান খালে মাটি ভরাট করলেন প্রভাবশালী

কোনাখালীতে দোকান পুড়ে ছাই

বুবলীর সঙ্গে শাকিবের বিয়ে, গুঞ্জন নাকি সত্যি?

সাবেক ডিসি ও ইউএনওসহ তিনজনের কারাদণ্ড

ইয়াবাসহ আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আটক

চকরিয়া উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

চকরিয়ায় কথিত চিকিৎসকের ভূল চিকিৎসার শিকার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী

রামুর গর্জনিয়ায় বজ্রপাতে একই পরিবারের নারীসহ আহত ৫

মালুমঘাটে প্রভাবশালীর সহযোগিতায় চলছে বাল্য বিবাহ!

চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ

নিরাপদ সড়ক চাই: নিজে বাঁচব, অপরকে বাঁচাব

বিএনপির ১৭৩ প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত

চবি উপাচার্যের সাথে মিশর আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সংবর্ধনা