cbn  

বিশেষ প্রতিনিধি :

কক্সবাজার সদর থানাধীন কালিরছড়া গ্রামের যুব সমাজ ইয়াবা আসক্ত হয়ে পড়েছে।যার ফলে ব্যাপক আকারে সামাজিক সমস্যা দেখা দিয়েছে।ইয়াবা আসক্ত প্রতিটি ঘরে ঘরে জ্বলছে অশান্তির আগুন।টানাগাড়ি খ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান পদচারনা লক্ষ্য করা গেলেও মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান স্পস্ট নয়।

খোজ নিয়ে জানাযায়,কালির ছড়া এলাকার শিয়াপাড়া,চরপাড়া,পুর্বপাড়া,ভুতিয়াপাড়া,বাবুলের পাহাড়,মোড়াপাড়া,লালশরিপাড়া এলাকার কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাদক ব্যবসায় জড়িত হয়ে পড়েছে।মাছুয়াখালী এলাকার জনৈক পাইকারী ব্যবসায়ী গডফাদারের ভুমিকা পালন করছে।যার ফলে এলাকার টিনএজারদের ৮০% মাদকাসক্ত হয়ে পডেছে।অভিভাবকদের ধারনা,প্রথমে প্রথমে বিনামুল্যে ইয়াবা সেবন করানো হয় পরে আসক্ত হয়ে পড়লে সুদ আসলে আদায় করা হয়।মাদকাসক্তদের বেশীরভাগের বয়স ১৩ থেকে ৩০বছর।মাদকের টাকা যোগাড় করতে গিয়ে চুরি,ডাকাতি,ভাড়াটিয়া সন্ত্রসী,ভুমি দস্যু হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে।আইনশৃংখলা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে।

কালিরছড়া চরপাড়া এলাকার জনৈক মাদকাসক্ত শরীফের (৪৫) (ছদ্মনাম) সা্থে আলাপ করে জানাযায়,গত এক মাস আগে একজন পাইকারী ব্যবসায়ী তাকে ৩০টি ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়েছিল নমুনা হিসেবে তার দায়িত্ব ছিল গ্রাহকদের কাছে দিয়ে গুনাগুন পরীক্ষা করা এবং অর্ডার সংগ্রহ করা।খুচরা বিক্রেতাদের কাছে দ্রুত বড়লোক হওয়ার টোপ খুবই জনপ্রিয়।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ঈদ্গাও ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন,আমি নিজ সন্তানকে কক্সবাজার সদর থানা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব নোমান হোসেন প্রিন্সের সহযোগীতায় কারাগারে প্রেরন করি ইয়াবা আসক্ত হয়ে পরিবারের সদস্যদের নির্যাতন করার কারনে।বর্তমানে শত শত পরিবার আমার মত ভুক্তভোগী। প্রশাসনের কাছে আমার আকুল আবেদন, কঠোর হস্তে কালিরছড়ার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দমন করুন।

স্থানীয় ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার কামাল জানান,স্থানীয় যুব সমাজ যারা ইয়াবা বা মাদকাসক্ত তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে।তারপর ও যদি সংশোধন না হয় তবে সরাসরি প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করা হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ফকির ইউসুফ জানান,মাদকাসক্ত ছেলেপেলেরা (পোয়াইন) দোকানে ঢুকে এক্সপ্রেস নামক একধরনের সিগারেট খায়।সেই সিগারেটের গন্ধে কোন ক্রেতা দোকানে বসতে পারেনা বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের দম বন্ধ হয়ে আসে।তিনি সেই সিগারেটের ভিতর মাদক মেশানো থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •