মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তোরণ-বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে চট্টগ্রাম

ডেস্ক নিউজ:

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটিয়া যাচ্ছেন আজ (বুধবার)। তার আগমনকে কেন্দ্র করে সাজসাজ রব পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে। প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাস্তার দুই পাশে বড় বড় বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার লাগিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। রাস্তার মোড়ে মোড়ে স্থাপন করা হয়েছে অসংখ্য তোরণ।

এই প্রচারণায় পিছিয়ে নেই মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও। তাদের পক্ষে সমর্থকরা ‘এমপি হিসেবে দেখতে চাই’ লিখে তোরণ ও বিলবোর্ড তৈরি করেছেন। এমন অসংখ্য তোরণ, বিলবোর্ড ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে পটিয়া ও আশপাশের এলাকাসহ সমগ্র চট্টগ্রাম ।

বড় আকারের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে পাঁচ বছর পর বুধবার (২১ মার্চ) চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনী বছরে প্রধানমন্ত্রী সেখানে উপহার স্বরূপ ৪১ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে ২৮টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনযোগ্য প্রকল্প, ১৩টি উদ্বোধনযোগ্য প্রকল্প।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভার জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে পটিয়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠ। নৌকার আকৃতিতে সাজানো হয়েছে মঞ্চ, পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিত্তিস্থাপনের ফলক।

এদিকে মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীকে বরণে উৎসবের জনপদে পরিণত হয়েছে পুরো চট্টগ্রাম। ব্যানার-ফেস্টুন, দলীয় প্রতীক নৌকার ছড়াছড়ি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে।

ctg-bilboard-1

এরমধ্যে ‘এমপি হিসেবে দেখতে চাই’ তোরণ বিলবোর্ড আছে চোখে পড়ার মত। প্রধানমন্ত্রী যে পথ দিয়ে যাবেন, সেই পথগুলোতে বিলবোর্ড-পোস্টারে মনোনয়ন চাওয়ার কথা তুলে ধরেছেন নেতারা। এ ছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা বাণীর অভাব নেই।

এসব পোস্টার-ব্যানারের উপরের কোনায় ছোট করে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেয়া হলেও বাম কিংবা ডান কোনায় থাকছে প্রচারকারীর বড় ছবি। বড় আকারে নিজের ছবি দিয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে ছোট করে আওয়ামী লীগের নির্দেশনা অমান্য করছেন পদধারী নেতারাও। ফলে সরকার ও দলের উন্নয়ন প্রচারণার চেয়ে নিজেদের প্রচারণা হচ্ছে বেশি।

‘বিলবোর্ড, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ব্যতীত অন্য কারো ছবি ব্যবহার করা যাবে না’ বলে ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগসহ সব সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলটির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনামূলক চিঠি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি/সম্পাদকের কাছে পাঠানো হয়েছিল।

সমাবেশে স্থানীয় নেতাদের বড় ছবি ব্যবহার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা। কিন্তু এমন বুলিতে কর্ণপাত করছেন না স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জনসভার মাঠে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির প্রচারণায় পোস্টার, ব্যানার লাগানো যাবে না। জনসভার দিনও কেউ ব্যক্তিগত প্রচারণা চালাতে পারবে না। নেতাকর্মীদের নিজের প্রচারণার চেয়ে দলীয় প্রচারণা বেশি চালানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। কেউ যেন ব্যক্তিগত প্রচারণা না চালায় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।’

সর্বশেষ সংবাদ

অগ্নিকান্ডে মৃতের সংখ্যা ৬৮, হস্তান্তর ৩৪টি : তদন্ত কমিটি গঠন

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের শ্রদ্ধা নিবেদন

সুন্দর হস্তলিপিতে প্রথম সাংবাদিকপুত্র উমামা

অগ্নিকাণ্ডে নিহতরা শহীদ : আল্লামা আহমদ শফী

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রামু আজিজুল উলুম মাদ্রাসায় মাতৃভাষা দিবস পালিত

রায় বাংলায় লিখতে বিচারকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকায় ‘জমি দেব ঘুষ দেব না’-শীর্ষক সংবাদের আংশিক প্রতিবাদ

একুশের প্রভাতে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শ্রদ্ধাঞ্জলি

হুফফাজুল কুরআন সংস্থার উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

অপহরণকারী গুজবে ৩ জার্মান সাংবাদিকের উপর রোহিঙ্গাদের হামলা

চকরিয়ায় হেলিকপ্টারে এসে মাদ্রাসা উদ্বোধন করলেন আল্লামা আহমদ শফি

বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে দু‘বাংলার হাজার হাজার ভাষাপ্রেমী মানুষের মিলন মেলা

শহীদ মিনারে ইইডি কক্সবাজার জোনের শ্রদ্ধা নিবেদন

মানবপাচারের মামলায় চৌফলদন্ডী ছাত্রলীগ নেতা জিকু গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে রামু লেখক ফোরামের আলোচনা সভা

শহীদ মিনারে জেলা পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন

একুশ তুমি

চট্টগ্রাম শহীদ মিনারে কক্সবাজার সমিতির শ্রদ্ধা নিবেদন

শহীদ মিনারে আইনজীবী সমিতির শ্রদ্ধা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

শহীদ মিনারে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা নিবেদন