জোর গলায় বলতে পারি না জাতীয় পার্টি বিরোধী দল : রওশন

ডেস্ক নিউজ:
জাতীয় পার্টি সম্মানের সঙ্গে নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেছেন, ‘আপনি বলতে পারেন দেশে বিরোধী দল আছে? আমরাও বলতে পারি না।’ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে রওশন এরশাদ এসব কথা বলেন।

রওশন এরশাদ বলেন, ‘কোথাও গেলে কথা বলতে পারি না। লজ্জা লাগে। সাংবাদিকদের সঙ্গেও লজ্জায় কথা বলি না। তাদের এড়িয়ে চলি। তাদের প্রশ্নের জবাব দিতে পারি না। আমরা সরকারি দল না বিরোধী দল পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারি না। আপনি বিদেশে যান, সেখানে গিয়ে কী বলতে পারেন যে দেশে বিরোধী দল আছে? আমিতো দেশে-বিদেশে কোথাও জোর গলায় বলতে পারি না যে জাতীয় পার্টি বিরোধী দল।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি। রওশন এরশাদ হন বিরোধীদলীয় নেতা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে জাতীয় পার্টির একজনকে মন্ত্রী এবং দুজনকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়। বিষটি নিয়ে বরাবরই প্রশ্নের মধ্যে পড়ে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি।

মন্ত্রিসভা থেকে জাতীয় পার্টির মন্ত্রীদের বাদ দিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে রওশন এরশাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী, দয়া করে আপনার মন্ত্রিসভা থেকে জাতীয় পার্টির মন্ত্রীদের বাদ দিন। বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় জাতীয় পার্টির এমপিদের মন্ত্রিত্ব দেয়ায় তাদের অবস্থা খারাপ জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেছেন, মন্ত্রিত্ব ফিরিয়ে দিয়ে জাপাকে বাঁচন। আর তা না হলে আপনি আমাদের দলের সবাইকে মন্ত্রী বানান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছিলাম মন্ত্রিসভা থেকে আমাদের পার্টির সদস্যদের প্রত্যাহার করুন। কিন্তু সেটা হয়নি। এভাবে টানাটানি করে বিরোধী দল হওয়া যায় না।

এ সময় সংসদে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের নিয়ে বাইরে অনেক কথা হয়। আপনি বলেন বিরোধী দলের দরকার নেই। আমাদের সবাইকে মন্ত্রী বানাইয়া দেন। আমরা বাইরে গেলে নানা কথা হয়। বলে আপনারা কোথায় আছেন সরকারে, না বিরোধী দলে? আমরা বলতে পারি না। কাজেই এটা যদি করতেন তাহলে জাতীয় পার্টি বেঁচে যেত। জাতীয় পার্টি আজ সম্মানের সঙ্গে থাকতে পারত। জাতীয় পার্টি এখন সম্মানের সঙ্গে নেই।’

বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, ‘আরও এক বছর আছে, দেখেন সেটা। আপনি নির্দেশ দিলে মানবে না কে? আপনি তো দিলেন না?’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী মাইক ছাড়াই বলেন, ‘আমি তো বলেছিলাম’।

জবাবে রওশন এরশাদ বলেন, ‘না দেন নাই, দেন নাই, না. না..না।’

এ সময় রওশন এরশাদ যানজট, খাদ্যে ভেজাল, প্রশ্নপত্র ফাঁস, নগরীতে মশার উপদ্রব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মসহ নানা ইস্যুতে কথা বলেন। বিরোধীদলীয় নেতার পর আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

-জাগো নিউজ

সর্বশেষ সংবাদ

একুশে ফেব্রুয়ারি : প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা

টেকনাফে সাড়ে ১৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণালংকার উদ্ধার

চকরিয়ায় শিশু ও নারী নির্যাতন মামলার ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

২০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন আটক

এডভোকেট রানা দাশগুপ্তের সাথে কক্সবাজার জেলা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

ইসলামে মাতৃভাষার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ঈদগাঁওতে পুজা কমিটির সম্মেলন নিয়ে সংঘাতের আশংকা

কক্সবাজার সিটি কলেজে শিক্ষকদের জন্য আইসিটি প্রশিক্ষণ শুরু

উখিয়ায় হাতির আক্রমণে রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু

এস আলম গ্রুপের ৩ হাজার ১৭০ কোটি টাকার কর মওকুফ

মালয়েশিয়ায় ভবনে আগুন : বাংলাদেশিসহ নিহত ৬

মহেশখালীতে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে মোস্তফা আনোয়ার

চকরিয়ায় ইয়াবাসহ দুই ব্যবসায়ী আটক

চকরিয়ার চেয়ারম্যান পদে ২ জনসহ ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

কোর্টরুমে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে : প্রধান বিচারপতি

পেকুয়ায় স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ ও গাছ জব্দ

অধ্যাপক শফিউল্লাহ একজন চেইঞ্জ মেকার

মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর উপর কর্মশালা

চকরিয়ায় জায়গার বিরোধে গোলাগুলিতে নিহত-১, গুলিবিদ্ধ-১৫

‘মাদকের একাধিক তালিকায় সোহাগের নাম আছে’