সাইফুল ইসলাম:

কক্সবাজার শহরের অতি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল সড়কের বেহাল দশা বিরাজ করেছে। সড়কের কিছু অংশ ঠিক থাকলেও পুরো সড়কেই খানাখন্দকে ভরপুর। এ সড়ক দিয়ে বর্তমানে অনেকটাই চলাচল অনুপোযোগী পড়েছে বলে জানান সচেতন মহল। যেহেতু এ সড়কের উপর দিয়ে প্রতিনিয়তেই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হাসপাতালে আসা রোগি, রোগির স্বজনসসহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার জনসাধারণ। এতে করে ভোগান্তির শিকারও হচ্ছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী, ও শিক্ষার্থী। দীর্ঘ ধরে এই সড়কটির বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে। পিচ-খোয়া উঠে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট অসংখ্য গর্ত ও খানন্দ। প্রতিদিন এই সড়কে হেলেদুলে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। এ সড়কে নিত্যদিন যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রাস্তার বেহাল দশা ও ভোগান্তির যন্ত্রণায় ইদানীং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে ক্ষোভের অনুভূতি প্রকাশ।

সরেজমিন দেখা যায়, এ হাসপাতাল সড়কের মাঝখানে ছোট ছোট গর্ত ও খানাখন্দকে ভরপুর। জায়গায় শুধু পিচই নয় খোয়াও উঠে গেছে। শুধু যানবাহন নয়, পথচারীদের চলাফেরায়ও অসুবিধা হচ্ছে। প্রায় একই অবস্থা দেখা গেছে সড়কের পুরো এলাকায়।

জানা যায়, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সদর হাসপাতাল, ডিজিটাল হাসপাতাল, শেভরণ, সী-সাইড হাসপাতাল, ফুয়াদ-আল খতিব হাসপাতাল ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কিন্ডারগার্টেন, প্রাইভেট স্কুলসহ কয়েক হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে এই সড়ক ব্যবহার করে থাকে। সারাক্ষণই এ সড়কে যানবাহণের চাপ থাকে। প্রতিদিন সিএনজি, টমটম অটোরিকশাসহ হাজারের বেশি যানবাহন চলাচল করে এ সড়ক দিয়ে। কিন্তু সড়কটিতে সংস্কার নেই দীর্ঘদিন।

একই এলাকার ব্যবসায়ী জসিম উদ্দীন বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এ রাস্তার বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের ওপরে একদিকে ছোট-ছোট গর্ত অন্যদিকে খানাখন্দক। প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে কাদার যন্ত্রণা নিয়ে অনেক রোগি যাওয়া আসা করে থাকে।

কক্সবাজারের চিকিৎসক আব্দুল মান্নান জানান, অসুস্থ রোগি নিয়ে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে। সড়কটি দ্রুত মেরামত করা দরকার।

শুধু এ সড়ক নয়, পৌরসভার প্রধান সড়ক ছাড়া প্রতিটি অলিগলিতে বেশ কিছু সড়কের একই অবস্থা। এ সকল সড়কগুলোর দূর্ঘটনা এড়াতে জোর দাবি এলাকার সর্বস্থরের মানুষের।

একই এলাকার নাম প্রকাশে অনুচ্ছিক এক দোকানদার বলেন , এ রাস্তায় চলতে খুবই কষ্ট হয়। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ রোগীদের ও বয়স্ক ব্যক্তিদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •