রিয়াজ উদ্দিন, পেকুয়া:

পেকুয়ায় গরমের শুরুতেই তীব্র লোড শেডিং দেখা দিয়েছে। ফলে পরীক্ষার্থীসহ সকল পর্যায়ের জনসাধারনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানা যায়, পেকুয়ায় শীতকাল শুরু থেকে তেমন লোড শিডিং ছিল না। কিন্তু গরম কাল আসা মাত্র লোড শেডিং দেখা দিয়েছে। পেকুয়ায় দিনে বর্তমানে ১০/১২ বিদ্যুত আসে আবার চলে যায়। এ নিয়ে জনসাধারন, পরীক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল দেশে রুপান্তর করার জন্য কাজ করছে। সে লক্ষ্যে বিদ্যুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এ দিকে ওই লক্ষ্য বাস্তবায়ন পেকুয়ায় কোনমতেই সম্ভব নয়। কারন পেকুয়ায় বর্তমানে সারাদিনে বিদ্যুত থাকে ৭/৮ ঘন্টা। তাও কখন আসে কখন যায় তার ঠিকমত নিয়ম কানুন নেই। পেকুয়া উপজেলায় রয়েছে উপজেলা পরিষদের প্রায় ১৪ টি অফিস, ব্যাংক, বীমা, শিক্ষা প্রতিষ্টান,ছোট বড় কলকারখানাসহ অনেক কিছু। এ সব কিছু বিদ্যুত ছাড়া অচল। বিশেষ করে পেকুয়া সরকারী হাসপাতাল, বেসরকারী ক্লিনিক, জমি রেজিষ্ট্রি করতে বিদ্যুত বাধ্যতামুলক। এ ভাবে লোড শেডিং চলতে থাকলে সর্বষÍরের জনসাধারন চরম দুর্ভোগ পোহাবে। এ ব্যাপারে পেকুয়া পল্লী বিদ্যুতের ইনচার্জ মোহাম্মদ কিবরিয়া জানান, পেকুয়ায় সাবষ্টেশনে ৫ এমবি বিদ্যুতের সরবরাহ রয়েছে। আগামী এক মাস পর এই সাব ষ্টেশনে ১৫ এমবি বিদ্যুত ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যে ঠিকাদার কাজ পেয়ে গেছে। ওই ১৫ এমবি চালু হলে বিদ্যুতের সমস্যা থাকবে না।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •