হেলদি শহরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ

সাইফুল ইসলাম :

ময়লা ফেলার নির্ধারিত জায়গা ও পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাবে পর্যটন নগরী কক্সবাজার পৌরসভায় সড়কের উপরে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তুপ তৈরি হয়েছে। নিয়মিত পরিষ্কার না করায় এসব স্তুপ থেকে ছড়াচ্ছে দূর্গন্ধ। ফলে দূর্গন্ধে পরিবেশ ভারি ও চরম দূর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। নির্ধারিত ডাস্টবিন না থাকায় কিছু এলাকায় ময়লা-আর্বজনা ফেলা হচ্ছে পয়োনিষ্কাশনের নালায়। এতে নালা আটকে পড়ে জলাবদ্ধাতা সৃষ্টি হয়েছে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

শহরের রুমালিয়ারছড়া এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পৌরসভার প্রতিদিনের বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত ডাস্টবিন নেই। কিছু এলাকায় ডাস্টবিন থাকলেও তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে শহরবাসী যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। তবে মানুষ ময়লা ফেলার জায়গা খুঁজে পায় না। তাই একটু ফাঁকা জায়গা পেলেই ময়লা ফেলে। এভাবে একজন ফেললে সবাই সেখানে ফেলতে শুরু করে। এতে সড়কের উপর ও মোড়ে মোড়ে ময়লা জমে রয়েছে। নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না পেয়ে পৌরবাসী বিভিন্ন বাসাবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, হাসপাতাল-ক্লিনিকসহ বিভিন্ন হোটেল মোটেল রেস্তোঁরা থেকে প্রতিদিন সংগৃহীত ময়লা-আর্বজনা সড়কের উপর ও বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্রে ফেলছে পৌর কর্তৃপক্ষ। ময়লা আবর্জনার ফেলার স্থানে পঁচা গন্ধে মশামাছি, পোকামাকড়, জন্ম নিচ্ছে প্রতিনিয়তে। এর কারণে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী সহ পৌরবাসী ভুগছে নানা রোগ ব্যাধিতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এসব ময়লা আর্বজনা ফেলা হচ্ছে পৌরসভার কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাকঁখালী নদীর তীরে ও শ্মশানের আশপাশে, রুমালিয়ারছড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে সড়কের উপর, আলিরজাঁহাল সাইফুল কমিউনিটি সেন্টারের দক্ষিণে সড়কে উপর, সুগন্ধা পয়েন্টের সাগরের বালিয়াড়িতে, সাংস্কৃতি কেন্দ্রের সামনে প্রধান সড়কের পাশেসহ বিভিন্ন নদীর তীরে এসব ময়লা ফেলা হচ্ছে। দুর্গন্ধে ওইসব এলাকার মানুষজনের বসবাস কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে ওই পাশ দিয়ে নাকে মুখে রুমাল দিয়ে চলতে হয়। না হয় যেকোন কোন মুহুর্তে বুমি আসতে পারে।

পৌরসভার রুমালিয়ারছড়া এলাকার বাসিন্দা ও সাউথ ইষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে সড়কের উপরে যত্রতত্র ময়লা আর্বজনা ফেলা হচ্ছে। সড়কের পাশ দিয়ে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চলাচল করার সময় নাকে মুখে রুমাল দিয়ে যেতে হয়। এতে দূর্গন্ধে পরিবেশ ভারি ও দূভোর্গে পোহাতে হচ্ছে। পর্যটন নগরী হিসেবে পৌরসভায় নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় নিজেকে পর্যটন এলাকার বাসিন্দা বলতেও লজ্জা লাগে।

বাহারছাড়া এলাকা থেকে কক্সবাজার সরকারী কলেজে যাওয়া ছাত্রী রুজিনা আক্তার বলেন, অপরিকল্পিতভাবে সড়কের উপর যত্রতত্র আবর্জনার স্তুপে ভয়াবহ পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। এসব ময়লা থেকে মশা-মাছির উপদ্রুব আর অসহনীয় দূর্গন্ধ। প্রতিদিন কলেজে যাওয়ার সময়ে নাকে মুখে রুমাল দিয়ে যেতে হয় না হয় সড়কের উপর যত্রতত্র ময়লার দূর্গেন্ধে যেকোন মুর্হুর্তে বমি আসতে পারে। এই কারণে দূর্গন্ধে বিপন্ন হয়ে উঠেছে জনজীবন।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার পৌরসভার (ভারপ্রাপ্ত মেয়র) মাহবুবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে মুঠোফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয় সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ সংবাদ

যে মঞ্চে আত্মসমর্পণ

আত্মসমর্পণের উদ্যোগের মধ্যেও ঢুকছে ইয়াবার চালান

আজ আত্মসমর্পণ করবে টেকনাফের ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী

বনাঞ্চলের কাঠ পোড়ানো হচ্ছে ইটভাটায়

চলে গেলেন কবি আল মাহমুদ

২ লক্ষ ইয়াবাসহ আত্মসমর্পণ করবে আত্মস্বীকৃত ইয়াবাবাজরা

এমপি আশেককে কালারমারছড়া ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন কানিজ ফাতেমা

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের একুশের অনুষ্ঠান ১৯, ২০, ২১ ফেব্রুয়ারি

‘অধিগ্রহণের আগে মহেশখালীর মানুষকে পুনর্বাসন করুন’

পেকুয়ায় চার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি জাফর আলম

জেলা টমটম মালিক ও টমটম গ্যারেজ মালিক সমিতির যৌথ সভা

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৯২ কোটি ডলার চায় জাতিসংঘ

পালিয়ে থাকা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের রক্ষা নাই -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি প্রার্থীদের মামলার বিষয়ে বিব্রত নয় আওয়ামী লীগ

কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার-৭

উখিয়ার বনভুমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ 

উখিয়ায় স্কেভেটর দিয়ে প্রকাশ্যে পাহাড় কর্তন! প্রশাসন নিরব

লোহাগাড়ার অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা জালালের শয্যাপাশে কেন্দ্রীয় আ.লীগ নেতা আমিন

চট্টগ্রামে মানবিক মেলা উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী