শাহেদ মিজান, সিবিএন:
মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজারের প্রথম শহীদ মোহাম্মদ শরীফ চেয়ারম্যানের দৌহিত্র, মহেশখালী উপজেলার বহুল আলোচিত কালারমারছড়ার ইউনিয়নের তুমুল জনপ্রিয় চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ জামিন নিয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সাতদিন কারাভোগের পর সোমবার কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মীর শফিকুল আলম তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিকাল ৫টার দিকে তিনি জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান।

জানা গেছে, গত বছরের ১৩ অক্টোবর পুলিশের দায়ের করা একটি মামলার প্রধান আসামী চেয়ারম্যান তারেক শরীফ। এই মামলায় হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জামিন পান তিনি। ওই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে ২৮ জানুয়ারি নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারেক শরীফ। তবে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে  জেল হাজতে পাঠান।

তারেক শরীফের বড়ভাই এড. নোমান আল শরীফ জানান, আজ (সোমবার) তারেকের জামিন শুনানীর দিন ধার্য্য করেছিল আদালত। জামিন শুনানীতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফার নেতৃত্বে সিনিয় আইনজীবি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন, এড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এড. শমসু মিয়াসহ বারের প্রায় ২০ জন আইনজীবি তারেকের জামিন আবেদন করেন। আদালত আবেদন আমলে তাকে স্থাীয় জামিন দেন। জামিন প্রক্রিয়া শেষে বিকাল ৫টার দিকে জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ তাকে মুক্তি দেন।

এ ব্যাপারে কারামুক্ত চেয়ারম্যান তারেক শরীফ বলেন, ‘একটি অপ্রীতিকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্পূর্ণ উল্টো ও মিথ্যা অভিযোগ এনে পুলিশ আমার ও আমার কিছু জনগণের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাটি দায়ের করেছিল। ওই মামলায় হাইকোর্ট থেকে অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ শেষ হলে আদালতে সম্মান জানিয়ে আমি আত্মসমর্পণ করেছিলাম। আদালত পুরো যাচাই করে আমাকে জামিন দিয়েছেন। এই জন্য আমি আদালত ও আমার জামিন শুনানীতে অংশ নেয়া শ্রদ্ধেয় এড. সিরাজুল মোস্তফাসহ সকল আইনজীবিদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

এড. সিরাজুল মোস্তফার প্রতি কালারমারছড়াবাসী কৃতজ্ঞ

আইনের প্রতি শ্রদ্ধা করে আত্মসমর্পনের ৭ দিন পর অবশেষে জামিনে মুক্তি পেলেন কালারমারছড়ার ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ও জেলার প্রথম শহীদ মোহাম্মদ শরীফ চেয়ারম্যানের দৌহিত্র তারেক বিন ওসমান শরীফ। চেয়ারম্যান তারেকের জামিনের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে মহানুববতার পরিচয় দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ অভিভাবক ও বিজ্ঞ আইনজীবি এড. সিরাজুল মোস্তফা। আদালতে তিনি তারেকের অভিভাবক হিসেবেও পরিচয় দিয়েছেন। বলেছেন, “তারেক” আমারই সন্তানের মত। আমি তাঁর সকল কিছুর জিম্মাদার।
এই মহানুববতায় এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার কাছে কালারমারছড়াবাসী ঋণী হয়েই রইল। আজ থেকে কালারমারছড়াবাসী জেলা আওয়ামী লীগের সবোর্চ্চ কর্ণধারকে অভিভাবক হিসেবে পেয়েছেন। তিনি সুখে দুঃখে অবহেলিত কালারমারছড়াবাসীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। কালামারছড়াবাসীও তার এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •