উপমহাদেশে দেওবন্দী ওলামারা সহীহ দ্বীনি খেদমত করছে- বায়তুল মুকাদ্দাসের খতিব

মুহাম্মদ জুবাইর, টেকনাফ:

টেকনাফ উপজেলার সাবরাং দারুল উলূম বড় মাদরাসার ২ দিন ব্যাপী ৪৫ তম বার্ষিক সভা শনিবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে। (২৬ ও ২৭ জানুয়ারী) জুমাবার ও শনিবার মাদরাসার মুহতামিম মাওঃ মূফতী নুর আহমদের সভাপতিত্বে মাদরাসা সংলগ্ন পশ্চিম মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বায়তুল মুকাদ্দাস ফিলিস্তিন এর ইমাম ও খতিব শায়খ আলী ওমর ইয়াকুব আল আব্বাসী দাঃ বঃ প্রধান অথিতি হিসাবে উপস্থিত থেকে নসিহত পেশ করেন। বায়তুল মুকাদ্দাসের খতিবের প্রদত্ত আরবী নসিহতের বাংলা অনুবাদ করেন আল ফালাহ সেন্টার ইউকে’র চেয়ারম্যান মাওলানা ফরিদ আহমদ খাঁন, খতীবের বংশপরিচয় নিয়ে আলোচনা করেন লন্ডনের শেখ ছালেহ আহমদ হামিদী ।

প্রথম দিন নসিহত পেশ করেন মুফতী আজিজুল হক আল মাদানী, মাওঃ মাহমুদুল হাছান ফতেহপূরী, হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতী হুমায়ুন কবির, আল-জামেয়া আল ইসলামিয়া টেকনাফের মুহতামিম মুফতী মোঃ কিফায়তুল্লাহ শফিক, চকরিয়া মানকির ছর মাদরাসার মুহতামিম মাওঃ নুরুচ্ছমদ, জামেয়া আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনূল ইসলাম হাটহাজারী’র মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস, আমীরে ইসলাম, উস্তাজুল আসাতেজা আল্লামা শাহ আহমদ শফি ( সাহেব,দাঃ বঃ)এর সন্তান মাওঃ মোঃ আনাস মাদানী, তুলাতলী মদীনাতুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওঃ মোঃ শফি সূফি।

দ্বিতীয় দিন শনিবার নসিহত পেশে করেন ঢাকার মাওঃ জুনাইদ আল হাবিব, মাওঃ আজিজুল হক ইসলাম আবাদী, মাওলানা ইসমাইল খাঁন সিরাজী, চকরিয়ার মাওঃ মোস্তফা নূরী, টেকনাফ জামিয়ার মূফতী ছৈয়দ আলী প্রমূখ।

সভায় বায়তুল মুকাদ্দাসের খতিব বলেন, কাফেররা মৃত্যুকে ভয় করে। কিন্তু মুসলমানরা মৃত্যুকে ভয় করেনা। ফলে বার বার কাফেরদের পারজিত করে বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হতো মুসলমান। তেমনি মুসলমানরা আবারও পৃতিবীতে বিজয় লাভ করবে, যেমনি সাহাবায়ে কেরাম বিজয় লাভ করেছিল। আমরা মুসলিম, রাসুল সাঃ এর উম্মত। রাসুল (সাঃ) এর আদর্শের উপর আজীবন থাকতে হবে। আমরা যতদিন বাচব রাসুল ( সাঃ ) এর আদর্শের উপর নিজেকে অটল থেকে অপরকে থাকার নসিহত করব। আমরা পৃথিবীতে আসছি আজীবন থাকবনা, একদিন মরে যাব। তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে কিছু ওলামা নামধারী ভ্রান্ত পথে রয়েছে, তবে অধিকাংশ ওলামা সঠিক পথে আছে। বিশেষ ভাবে উপমহাদেশের দেওবন্দী ওলামারা সঠিক পথে থেকে আজীবন দ্বীনি খেদমত এর আনজাম দিয়ে যাচ্ছে। যারা সহি ও সঠিক পথে আছে তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ, অনুকরন করব। রোহিঙ্গা মুসলিমদের ব্যপারে তিনি বলেন, তারা মজলুম মুহাজের, আর বাংলাদেশীরা আনসারের ভুমিকা পালন করছে। এটি নতুন কিছু নয়, একদিন সারা পৃথিবীতে নির্যাতিত মুসলমানরাই কামিয়াব হবে। এভাবেই একদিন পৃথিবীতে বিজয় আসবে। যদিও বিশ্বের পরা শক্তি আমেরিকা, সিরিয়া, ইয়াহুদী-খৃষ্টানরা প্রকাশ্যে বিজয় দেখে আনন্দিত হচ্ছে। প্রকৃত বিজয় হচ্ছে আখেরাতে। যেটা ঈমানদার ও মুসলিমরা পাবে। যদিও পৃথিবীতে বিজয় নাও হয় আখেরাতে তারা বিজয়ের স্বাদ ভোগ করবে। বায়তুল মুকাদ্দাসে গিয়ে বাংলাদেশী, বিশেষ করে টেকনাফ ও সাবরাং বাসীর জন্য দোয়া করবেন বলেও জানান । ২দিন ব্যাপী বার্ষিক সভা এ্যডভোকেট মাওঃ রেজাউল করিম, টেকনাফ সাংবাদিক ফোরাম’র ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক মুহাম্মদ জুবাইর ও হাফেজ আবদুর রহমানের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন বিকাল ৫টায় আল কসরুল আকসা নামের ৫তলা বিশিষ্ট একটি ভবনের উদ্বোধন করেন। এছাড়া মাগরিবের নামাজের ইমামতি করেন তিঁনি।

উল্লেখ্য, মাদরাসার পরিচালক মাওঃ নুর আহমদকে বোখারীর দরস দিয়ে বায়তুল মোকাদ্দসের খতিব পাগড়ী প্রদান করেন।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফ উপজেলা যুবদলের সম্মেলনকে ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য : চাপিয়ে দেয়া কমিটি মানবে না!

 বিচার শুরুর অপেক্ষায় খালেদা জিয়ার আরও ৭ মামলা

অক্টোবর থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু

প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা শফীর অভিনন্দন

রাত ১০-১১টার পর ফেসবুক বন্ধ চান রওশন এরশাদ

আফগানদের কাছে বাংলাদেশের শোচনীয় পরাজয়

আজ পবিত্র আশুরা

দেশের স্বার্থেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন : প্রধানমন্ত্রী

সরকারের শেষ সময়ে আইন পাসের রেকর্ড

রাঙ্গামাটিতে ঘুম থেকে তুলে দু’জনকে গুলি করে হত্যা

শেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে ‘ধোঁয়াশা’ কাটবে এ মাসেই

বিষাদময় কারবালার ইতিহাস

পবিত্র আশুরা : সত্যের এক অনির্বাণ শিখা

নবাগত জেলা জজ দায়িত্ব গ্রহন করে কোর্ট পরিচালনা করলেন

নজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমান

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে  “শুদ্ধ উচ্চারণ, আবৃত্তি, সংবাদপাঠ ও সাংবাদিকতা” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা 

রামুর কচ্ছপিয়াতে রুমির বাল্য বিবাহের আয়োজন

সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে- এমপি কমল

আইসক্রিমের নামে শিশুরা কী খাচ্ছে?