দৈনিক ইনানী :
দৈনিক ইনানী পত্রিকা অফিসের টাকা আত্মসাৎ, ল্যাপটপ ও মোবাইল চুরির মামলার প্রধান আসামী চকরিয়ার একেএম বেলাল উদ্দিন ও তার সহযোগি জনৈক সাঈদী আকবর ফয়সাল গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাদের আটকের জন্য হন্য হয়ে খুঁজলেও পালিয়ে থাকার কারণে আটক করতে পারছে না। এদিকে প্রতারনা ও চুরি মামলার আসামী বেলাল ও ফয়সালকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে ইনানী কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে নানা অপকর্মকারি বেলাল ও ফয়সালের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর তার নিকট আত্মীয়, চকরিয়ার অবস্থান সম্পূর্ণ সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিককর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ইনানী পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানিয়েছেন। এমনকি এ ধরণের প্রতারককে কঠোর ভাবে শায়েস্তা করার দাবীও জানান তারা। শুধু তাই নয় মামলা হওয়ার পর সাধুবাদ জানিয়ে খোদ নিকটাত্মীয়রাও। তাদের দাবী বেলালের মত প্রতারককে পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তি থেকে বাঁচবে। এদিকে মামলা দায়ের ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর চকরিয়ার সাংবাদিক নামধারী প্রতারক বেলালের বিরুদ্ধে বেরিয়ে এসেছে আরো চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য। জানা গেছে-চকরিয়া থেকে সাংবাদিকতা করার আগে বেলাল বিদেশী একটি এনজিও’র ব্যানারে ঈদগাঁও এলাকায় কাজ করত। ওই সময় হত-দরিদ্র নারী পুরুষের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যায় বেলাল। কক্সবাজার সদর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবকলী নেতা একরামুল হুদা জানান-বেলাল এক সময়ে ঈদগাঁওতে বসবাস করতো। সে সুবাদে বিদেশী এনজিওসহ ডেসটিনিতে লোভনীয় নানা অফার দিয়ে সাধারণ মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গা ঢাকা দেয়। কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়–য়া জানান-মামলা দায়েরের পর থেকেই পুলিশ বেলাল, ফয়সাল ও তার সহযোগিদের হন্য হয়ে খুঁজছে। তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে থাকার কারণে আটক করা সম্ভব হচ্ছে না। ইতিমধ্যে বেলালসহ তার সহযোগিদের গ্রেফতার করতে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জয়ের সাথে কথা হয়েছে। পাশাপাশি লিখিত তদন্ত প্রতিবেদনও দেয়া হয়েছে। যখনই তাদের পাওয়া যাবে তখনই পুলিশ এসব প্রতারক সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করবে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য-প্রতারনা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দায়ে গত ৪ জানুয়ারি বেলাল উদ্দিনকে প্রধান আসামী করে ও তার সহযোগি ফয়সালসহ আরো ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন দৈনিক ইনানীর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শফিউল্লাহ শফি। সূত্র জানায়, মামলা রেকর্ডের পর থেকে বেলাল দৈনিক ইনানী পত্রিকার বিভিন্ন পদস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রান নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি যে কোন মুহূর্তে হামলা করে প্রানে মেরে ফেলার ব্যাপারে বেলালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন দৈনিক ইনানী অফিসের ২/৩ জন কর্মচারী। এই বিষয়ে ইনানী কর্তৃপক্ষ জানায়, জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে দৈনিক ইনানীর যে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেলাল মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন তাদের আইনের আশ্রয় নেয়ার পরার্মশ দেয়া হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •