শাহেদ মিজান, সিবিএন:
আগামী ২৫ জানুয়ারি মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধনের জন্য মাতারবাড়ি আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন তিনি কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করে এক সুধী সমাবেশে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। এরপর মাতাবাড়িতেই এক জনসভায় অংশ নেয়ার কথা জানা গেছে। গত মাসাধিককাল ধরে এই কথা বলা হচ্ছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, শেষ মুহুর্তে এসে জনসভাপতি মাতারবাড়িতে না করে অন্য কোথাও করার কথা শোনা যাচ্ছে। এই এই কথা ছড়িয়ে পড়ার পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় টুঙ্গিপাড়া খ্যাত মাতারবাড়ির মানুষ উদ্বিঘ্ন হয়ে উয়েছে। এই বিষয়টি কোনোভাবে মানতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা মাতারবাড়িতেই করার দাবি জানিয়েছেন শেখ হাসিনা প্রেমী মাতারবাড়ির সর্বস্তরের মানুষ।

মাতারবাড়ির লোকজন জানান, মাতারবাড়ির অন্তত ৮০ ভাগ মানুষ আওয়ামী লীগ সমর্থক। তারা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। এই কারণে অতীতের এক জনসভায় প্রধান শেখ হাসিনাই মাতারবাড়িকে ‘দ্বিতীয় টুঙ্গিপাড়া’ ঘোষণা দিয়েছিলেন। মাতারবাড়িতে নির্মাণ হচ্ছে দুু’টি বৃহৎ কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো করার কারণে মাতারবাড়ির তাদের জমি হারিয়েছে। একই সাথে হারিয়েছে রুটি-রুজির মাধ্যম কর্ম, ব্যবসা ও মাথা গোজার ঠাঁই। একমাত্র প্রাণের চেয়ে প্রিয় শেখ হাসিনার দিকে চেয়ে তারা এই অপূরণীয় বিসর্জন দিয়েছেন।

লোকজন আরো জানান, তারা যখন সব হারিয়ে নি:স্ব হয়েছেন এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীই তাদের একমাত্র সান্ত¡না। তাই প্রধানমন্ত্রীর আগমণের খবরে তারা উচ্ছ্বসিত হয়েছেন। প্রধামন্ত্রীর সাক্ষাৎ, জমানো দু:খগুলো প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভাগাভাগি করার আকুতি তাদের। কিন্তু মাতারবাড়িতে নির্ধারিত জনসভা অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়া হলে তারা সেই আশা থেকে বঞ্চিত হবে। তাই যেকোনো মূল্যে মাতারবাড়িতেই বঙ্গবন্ধু কন্যার জনসভাপতি করার দাবিয়ে জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। যদি তা না করার হয় তাহলে তা মহেশখালী-কুতুবদিয়ার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়বে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে আগামী নির্বাচনে দলের প্রার্থীকে চরম মূল্য দিতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •