ইলিশের নামে ক্রেতারা খাচ্ছেন বিষ!

ডেস্ক নিউজ:

দেখতে হুবহু ইলিশ মাছের মতোই। রাজধানীসহ সারাদেশে বিক্রেতারা পদ্মার ইলিশ বলে ক্রেতার কাছে চড়া দামে বিক্রি করছেন। বেশ বড় ও চকচকে রুপালি রং দেখে ক্রেতারাও খুশি মনে কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। তবে রান্নার পর পদ্মার ইলিশের স্বাদ তো দূরের কথা খেতে একেবারেই বিস্বাদ, উটকো গন্ধ।

ক্রেতারা জানেন না ইলিশ মাছের নামে গাঁটের টাকা খরচ করে তারা কিনে খাচ্ছেন বিষ। দেশের বাজারে এ মাছটি চন্দনা বা চাদিনা নামে বিক্রি হচ্ছে। এক শ্রেণির মুনাফা লোভী ব্যবসায়ী সমুদ্র ও আকাশ পথে আমদানি করে প্রতিদিন দেশের বাজারে বিক্রির জন্য ইলিশ মাছের নামে নিয়ে আসছে বিষ।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্ম সচিব) মাহবুব কবীর মিলন মঙ্গলবার নিজ দফতরে জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে জানান, হুবহু ইলিশ মাছের মতো দেখতে একই মাছ কলম্বো সাদ ও গিজার্ড সাদ নামে আমদানি করা হচ্ছে। দেশীয় বাজারে চান্দিনা বা চাদিনা নামে বিক্রি হওয়া এ দুটি মাছে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হেভি মেটাল উপাদান পাওয়া গেছে। বাজার থেকে ক্রেতারা টাকা দিয়ে প্রকারান্তরে বিষ কিনে খাচ্ছেন।

তিনি জানান, স্বাভাবিক মাত্রায় মাছে (এমজি/কেজি) লেড এর পরিমাণ শূন্য দশমিক ৩ ভাগ হলেও ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় ৫ গুণ বেশি সীসা (১ দশমিক ৫৫৯ ও ১ দশমিক ৬৯৯ (এমজি/কেজি) পাওয়া গেছে। এছাড়া দ্বিগুণের বেশি ক্যাডমিয়াম (সিডি) পাওয়া গেছে। তিনি জানান, মাছের নামে বিষ আমদানি বন্ধে আমদানিকৃত মাছের চালান ল্যাবরেটরি টেস্টের ফলাফল ছাড়া খালাস না করতে অনুরোধ জানিয়ে কাস্টমসকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বাংলাদেশ ফুড সেইফটি অথরিটি)। আগামী দু’ একদিনের মধ্যে ল্যাবরেটরি চালান ছাড়া আমদানিকৃত মাছ খালাস বন্ধ হয়ে যাবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিয়ানমার, ফিলিপাইন ও ওমান থেকে আমদানিকৃত কথিত এ ইলিশ মাছ দেশের বাজারে আসছে। মিয়ানমার থেকে আনা মাছ টেকনাফে ভ্যাট কাষ্টমস্ কমিশনার কার্যালয় ও অন্যান্য দেশ থেকে আসা মাছ চট্টগ্রাম ও ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে আসছে। বেশি মুনাফাজনক হওয়ায় এ মাছ দেদার আমদানি হচ্ছে। শুধু হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতি মাসে ১ টন মাছ আমদানি হচ্ছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, নববর্ষের প্রথম দিন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ল্যাবরেটরি টেস্ট ছাড়া মাছের চালান বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর, বিমানবন্দর ও টেকনাফে ভ্যাট কমিশনারকে চিঠি দেয়ার পর মৎস্য আমদানিকারকরা একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এ ধরনের চিঠি দেয়ার এখতিয়ার আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব কবির মিলন বলেন, খাদ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেকোনো জনহিতকর সিদ্ধান্ত নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিতে পারে। সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে তাদের অনুরোধ আমলে নিয়ে কাজ করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সর্বশেষ সংবাদ

আইনজীবীরা মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হলে মাদক নির্মুল করা সহজ : মেয়র মুজিব

শাপলাপুরে ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু

সোলায়মানের পদত্যাগ নিয়ে জামায়াতে তোলপাড়

শাপলাপুরে ভোটযুদ্ধ আজ

লটারিতে পদোন্নতি হলো ৫৪৮ সরকারি কর্মচারীর

তামাকের রাজ্যে সবজি চাষে সবুজ বিপ্লব

জেলা পরিষদের অর্থায়নে বানিয়ারছড়া স্টেশনে নির্মিত হচ্ছে যাত্রী ছাউনি

বাংলাদেশ-ভারত পাইপ লাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আসবে পার্বতীপুরে

জমকালো আয়োজনে পালিত হল সিএমপি’র ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

পেকুয়ায় চলাচলের রাস্তা কেটে তৈরী করছে জমি, ছয় গ্রামের মানুষ বিপাকে

চট্টগ্রামে কমিউনিটি ব্যাংক আগ্রাবাদ শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কক্সবাজারকে পর্যটন রাজধানী ঘোষণার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি : ডিসি কামাল হোসেন

শাপলাপুরে নৌকা প্রার্থীর লোকজনের হামলা, দুই সাংবাদিক আহত

খেলার ফাঁকেই সন্তানকে স্তন্যদান , ভাইরাল ছবি!‌

ভারতের রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাত করলেন সাধনা দাশ গুপ্তা

কক্সবাজার শিল্প ও বাণিজ্য মেলার জমকালো উদ্বোধন

কাকে বেছে নেবেন শাপলাপুরের মানুষ?

এলাকায় সবার প্রিয় ছিলেন ফারমিন মৌলি

নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে উত্তাল আসাম-ত্রিপুরায় সেনা মোতায়েন

ডিভোর্সের পর ছেলের কোনো দায়িত্ব নেয়নি শাকিব, খরচও দেয়নি : অপু