মোহাম্মদ আলমগীর চৌধুরী,সিবিএন

২২শে জানুয়ারীর মধ্যে প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা থাকলে ও এখনও পর্যন্ত মায়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের আগমন অব্যাহত রয়েছে।গতকাল ভোর ৫ঘটিকার সময় তিনটি বোটে করে ১০৯ জন রোহিঙ্গা শাহপরিরদীপের কচুবনিয়ায় অবতরণ করে।এতে প্রত্যাবাসন চুক্তি নিয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়,গত শুক্রবার (২২/১২/২০১৭) নামাজের পর বুচিদং এর সিন্দিপাড়া থেকে ১০৯ জন নারী,শিশু ও পুরুষ মায়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পৈতৃক বাড়ী থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়ে।চারদিন ধরে পাহাড় ও জলাভুমি পেরিয়ে নাফ নদীর তীরে পৌছায়।পথের মধ্যে ৩বার মায়ানমার সেনাবাহিনী পথ অবরোধ করে এবং ছবি তোলে।অবশেষে তিনটি নৌকা নিয়ে জনপ্রতি চল্লিশ হাজার রিঙ্গিত করে দেওয়ার পর তাদেরকে শাহপরিরদীপের কচুবনিয়ায় রাতের আধারে নামিয়ে দেয়।

তাদেরকে এম, এস, এফ এর পক্ষথেকে খাদ্য ও ঔষুধ সরবরাহ করা হয়।তবে সন্ধ্যা ৭টার সময় গিয়ে দেখা যায়,খোলা আকাশের নীচে সব মানুষ গাদাগাদি করে বসে আছে কিন্ত কার ও গরম কাপড় নাই।এতে সবচেয়ে কষ্টে আছে ছোট শিশুরা।তাদের সাথে আলাপ করে জানা যায়,আগামিকাল তাদেরকে ক্যাম্পে পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে বুচিদং এর সিন্দিপাড়ার অধিবাসি ধলো মিয়ার ছেলে নুর কামাল(৩৮)বলেন,এতদিন আশায় আশায় ছিলাম পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে কিন্ত মায়ানমার সেনাবাহিনী অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাংলাদেশে আসতে বাধ্য হয়েছি।ঘর থেকে বের হতে পারিনা,যে কোন কাজ করতে গেলে তাদের হাতে ধরা পড়ামাত্র মারধর শুরু করে।সুতারং,জীবিকা নির্বাহ করা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।ওখানে আমাদের থাকার মতো কোন পরিবেশ নেই,নিরাপত্তা দূরে থাক।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •