আবদুল মালেক সিকদার, রামু :

রামু’র রশিদনগর ইউনিয়নে পাহাড় কেটে মাটির তৈয়ারী বাড়ি নির্মাণ করছে বার্মাইরা। বনবিভাগের কতিপয় ব্যক্তির যোগসাজসে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি ও বসত বাড়ি নির্মাণ করছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। নির্বিচারে পাহাড় কাটার কারণে রশিদনগর ও উল্টাখালী এলাকাটি ঝুকির মুখে পড়েছে। নষ্ট হচ্ছে এলাকার পরিবেশ ভারসাম্য। পরিবেশ-প্রতিবেশ সংকটাপন্ন রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়ন ও উল্টাখালী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি ও বাড়ি-ঘর নির্মাণ করার অপ-তৎপরতা চালালেও প্রশাসন বা পরিবেশ অধিদপ্তরের চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয় লোকজন এবং পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা। এদিকে পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণ ও অন্য দিকে পাহাড় কেটে ইট ভাটায় এবং রাস্তাতে হাজার হাজার বাড়ি মাটি বিক্রি। স্থানীয় জনসাধারণের অভিযোগ ইউনিয়নের সরকারি জায়গায় পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণ করছে উল্টাখালী এলাকায় বার্মা থেকে আসা সরকারি বনবিভাগের পাহাড় কেটে মাটির তৈরি বাড়ি নির্মাণ করছে উল্টাখালী এলাকার মৃত হাসান আহমদের ছেলে বার্মাইয়া নুর হোছন প্রকাশ আমির। তারই ছেলে মোঃ ওয়ারেশ, মোহাম্মদ ছৈয়দ নুর, মোহাম্মদ নুর। দালালদের মাধ্যমে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণ করছে বলে জানান, এলাকাবাসী। বনের গাছ নিধনকারী ও পাহাড় কুকুদের আইনের আওতায় এনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান, সচেতন মহল। পাহাড় কাটা ও বনের গাছ কাটা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। জড়িতদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। অন্যদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি গোপনে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের সহযোগীতা করে অবৈধভাবে গাছ কেটে, পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করার জন্য। এতে এলাকার জনমনের ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

মেহেরঘোনা রেঞ্জ বনবিভাগ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ও রশিদনগরে দায়িত্বরত বিট অফিসার কোন উদ্যোগ না নেওয়ার ফলে দ্বিগুণ উৎসাহে দিন-দুপুরে পাহাড় কেটে প্রভাবশালী ও বার্মাইরা। পাহাড়কাটা গুরুতর অপরাধ ও ক্ষতিকর। জানা স্বত্বেও রামুতে পাহাড় কাটাকে কেউ অপরাধ মনে করছে না। তাহা নির্বিচারে পাহাড় কাটা বন্ধ হচ্ছে না। পাহাড় কাটা জড়িতদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ বনকর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান রামু’র পরিবেশ প্রেমিরা।

উল্টাখালী এলাকার মেম্বার আবদুল করিম থেকে জানতে চাইলে, তিনি জানান, পাহাড় কাটা গুরুতর অপরাধ। আমি শুনেছি তারা পাহাড় কাটতেছে। পাহাড় না কাটার জন্য নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •