নুসরাত পাইরিন,

কক্সবাজার বীরশ্রষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে গতবাল সোমবার বিকাল চারটায় সমাপনী অনুষ্টানে কারাতে,তায়কোনডো ও উশু এই ৩টা ইভেন্ট অনুষ্টিত হয়েছে।এই সমাপনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য  আশেক উল্লাহ রফিক,কক্সবাজার।বিশেষ অতিথি ছিলেন, কর্ণেল আলী রেজা মোঃ আসাদুজ্জামান ও কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক  মুজিবুর রহমান,চেয়ারম্যান।সভাপতিত্ব ছিলেন,জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আলী হোসেন।এই সময় আরো উপষ্টিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার  সহ-সভাপতি মোঃ মাহিদুর রহমান ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অনুপ বড়–য়া-অপুসহ সংশ্লিষ্টরা।

এই সমাপনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  আশেক উল্লাহ বলেন,দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত আমাদের শহর।এ কক্সবাজার শহরের প্রাণ কেন্দ্র হল কক্সবাজার স্টেড়িয়াম।সুতারাং আমাদের জেলা ক্রীড়া সংস্থা গুলো অনেক বেশি একটিভ এবং অনেক বেশি স্বাবলম্বী।আর অনেক বেশি খেলাধুলা নিয়ে কাজ করছে বলে আজ সারা দেশে ছড়িয়ে গেছে।কারণ আমাদের দেশে খেলোয়াড়দের স্থান হতে না পারলে তাদের জীবন থেমে থাকে।বিদেশে কিন্তু সেইটা নয়।আমরা দেখি অনেক পরিবারে সেই স্থানে ভাল করছে দেখে ও একজন বাবা-মা তার ছেলেকে সেখান থেকে সরিয়ে এনে লেখা পড়ার কাজে বা অন্র কোনো কাজে তাকে দক্ষ করে তুলতে চাই।কারণ,এই খেলাকে আমাদের আরু বেশি সম্মানের জায়গায় করে নিতে হবে।এবং তাদের ক্ষেত্রে এই কর্মসংস্থান এবং চাকরি ও আয়রোজি সামাজিকভাবে তার মর্যাদা বাড়াতে হবে।আমি আজকের এই অনুষ্টানের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানায়।উনি একজন ত্রীড়া বান্ধব প্রধান মন্ত্রী। ওনার ভাই শেখ কামাল আবাহানি ক্লাবের প্রতিষ্টাতা ছিলেন এবং এই খেলার জগতে তার বিশেষ অবদান রয়েছে।উনি আমাদেরকে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম কক্সবাজারের মোট ৫০ একর জায়গায় উপর বাংলাদেশের বৃহত্রম একটি স্টেডিয়াম দিয়েছে।ঘঝঈ এবং ইঈই কিছু রশিটানাটানির কারণে আমরা পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম এখনো পাইন্।িকিন্তু এখানে ইন্টারন্যাশনাল গেইমগুলো শুরু হয়ে গেছে।এছাড়া কক্সবাজারে একটি পূর্ণাঙ্গ ফুটবল ষ্টেডিয়ামের কথা ও মাননীয প্রধান মন্ত্রী ঘোষণা করেছেন।এবং সমগ্র উপজেলাতে একটি করে স্টেডিয়াম করে দেওয়ার কথা ও আমাদের ক্রীড়া যুবমন্ত্রনালয় থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছ্ ে।কক্সবাজার স্টেডিয়ামের একটি দীর্ঘদিনের দাবি সপ¦ যে,স্টেডিয়ামটি ধীরে ধীরে কিন্তু অবিরত হচ্ছে।তাই এই অবস্থা ছিল খুব জরাজির্ণ।এই সরকারের সময়ে এটি পরিবর্তন হয়েছে।একটি ভাল ড্রেসিং রুমসহ একটি প্যাভেলিয়ন বিল্ডিংসহ আমরা পেয়েছি ্পাশাপাশি এখানে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম করার আপনাদের যে দাবি আমরা যারা এখানে বসে আছি যার যার অবস্থান থেকে কাজ করি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের পক্ষ থেকে কিছু তাগিদাপরের মতন করে দেওয়া যেতে পারে আপনি ও বিভিন্ন ফুরামে বলতে পারেন।আমাদের আগামীটাকে পর্যটন মুখী করতে হবে।পর্যটকদের কাছে সন্দ্যার পরআর্কষনীয় দেখার কিছু নাই।শারিরীক কষ্টের বিভিন্ন মিউজিকের তালে তালে আমরা দেখাতে পারি।আমরা ঠিক এটা কি করলাম।তিনি আরো বলেন,আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের যে জাফর সেটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদেও কক্সবাজারকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে শুধুমাত্র রাজনৈতিক বা সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে নয়,ক্রীড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।এটি আমাদেও আশার আলো।সামাজিকভাবে আমরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালে আমরা যে মধ্যা আয়ের দেশে সেতে চাই,শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয়,সামগ্রীক,অর্থনৈতিক সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্রীড়াঙ্গণ সহ সামগ্রিকভাবে আমরা পৃথিবীতে নেতৃত্ব দিতে চাই।ৃৃএরপর প্রতিযোগিতার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •