স্বাধীনতা সংগ্রামে চকরিয়ার অনবদ্ধ অবদান

মোঃ নাজমুল সাঈদ সোহেল

 ঐতিহ্যমন্ডিত রত্নগর্ভা চকরিয়ার যুব সমাজের স্বদেশ চেতনা বিশ্ববোধ ও ঐতিহ্য মনস্ক দৃষ্টভঙ্গির আগ্রহ সঞ্চার এবং মন মানসে নৈতিক মূল্যবাধ ও মানবিক গুনাবলীর অন্যতম দাবীদার অভিবক্ত চকরিয়া।স্বাধীন বাংলাদেশের মহৎ কাজগুলো কল্যাণকর উদ্দেশ্যে সাধিত হয়েছে এবং এতে কোন অর্থের প্রাচুর্য্যেতায় নয় বরং শ্রম সাধনায় অনস্বীকার্য পাথেয় হিসেবে পরিগণিত হয়েছে  মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকৃত চকরিয়ার দামাল সূর্যসন্তানদের স্বতঃস্ফুর্ত যুদ্ধের ভূমিকায়।
ছাপান্ন হাজার বর্গমাইলের “পলিমাটির সৌরভের” এই ভূ-খন্ডে,ইতিহাসের কোন লগ্নটিতে আমাদের জাতীয়তা বোধের উন্মেষ ঘটেছিল, তা নিরূপণ দুরহ।স্বাধীনতার বেদনাবোধের উৎস রয়েছে মানুষের অনুভূতির সুগভীরে।এই ভূখন্ডের মানুষের হাজার বছরের ইতিহাসের তাদের জাতীয়তা বোধের চেতনাকে সঞ্জিবিত করেছে ইতিহাসের বিভিন্ন লগ্নে স্রোতধারা।হাজার বছরের ইতিহাসের চড়াই উতরায়ে আহৃত অভিজ্ঞতা আর অনুভূতিতে দানা বাঁধা আমাদের জাতীয়তাবোধকে আলোকিত করেছে অতীশ দীপঙ্করের জ্ঞানের প্রদীপ, মধুর করেছে চন্ডীদাসের আওয়ালের গান ও কবিতা,অটল করেছে হযরত শাহজালালের বিশ্বাস,উদ্বুদ্ধ করেছে রবীন্দ্রনাথ নজরুলের শতরূপে সাজানো জাদুকরী আমাদের বর্ণমালা।এসবের প্রেরণা সমুদ্রের মতই উত্তাল উদ্দামে এগিয়ে নিয়ে গেছে আমাদের প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রাম।শুধুই কি স্বাধীনতার সংগ্রামে সীমাবদ্ধ ছিল চকরিয়া? কিন্তুু না ব্রিটিশ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলনে চকরিয়াবাসীর ভূমিকা ছিল স্বতঃস্ফুর্ত ও কার্যকরি।
যার স্বাক্ষ্য বহন করে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা কমরেড সুরেশচন্দ্রের সাথে মাষ্টারদা সূর্যসেন,রামকৃষ্ণ বিশ্বাস,তারেকেশ্বর, সুকেন্দু দত্তসহ বহু বিপ্লবী নেতা চকরিয়ায় আত্নগোপন করেছিলেন এবং চকরিয়া থেকে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন পরিচালনা করতেন। ৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রামে ৭ই মার্চ রেসকোর্সের আহ্বান এবং ২৬শে মার্চের কালুরঘাটের আহ্বানে মাতৃভূমি রক্ষার তাগিদে চকরিয়াবাসী থেমে থাকেনি।অন্যান্য আন্দোলনের মত স্বাধীনতা সংগ্রামে চকরিয়া বাসীর অংশগ্রহন স্বাধীনতার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।১৯৭১ সালের ১০ই মার্চ দেশপ্রেমিক চকরিয়া বাসীর বাংলাদেশের স্বাধীনতার  পথ সুগম করার লক্ষে “স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ” এবং “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম চকরিয়া থানা “গঠন করে। তথ্য উপাত্ত অনুসারে যতটুকু জানা যায় সর্বপ্রথম এস কে শামসুল হুদাকে সভাপতি এবং প্রাক্তন জাতীয় সংসদ সদস্য ডা.শামসুদ্দিন চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মন্ডিত করে স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যে তিনজন ব্যাক্তি সংগ্রাম পরিষদের  সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন তারা হচ্ছে আলহাজ্ব আনোয়র হোসেন, শামসুল হুদা বি এস সি,হাজী আবু তাহের।মফজল আহমদ ও মাষ্টার আব্দুল মালেক কোষাদক্ষ ও সহ- কোষাদক্ষ নির্বাচিত হয়েছিলেন। জমির উদ্দীন সাংগঠনিক  ও তাহের আহমদ দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। অতঃপর আনোয়ারুল ইসলাম বাবু মিয়,মাষ্টার আব্দুল মালেক,মফজল আহমদ,মোজাম্মেল হক বি এ,অধ্যাপক মমতাজ আহমদ চৌধুরী,আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালী,হাবিলদার গোলাম কাদের, হাবিলদার আবুল কালাম, মৌলানা নজির আহমদ,হাজী বশিরুল আলম প্রমুখ সংগ্রাম পরিষদের তত্তাবধানে ছিলেন।সংগ্রাম কমিটি গঠনের অব্যবহিত  পরে আনোয়ারুল হাকিম দুলালকে আহ্বায়ক করে সিরাজুল হক,এনামুল হক, সাহাবুদ্দিন, রেজাউল করিম চৌধুরী,খায়রুল আলম,আনোয়ার হোসাইন,শিব্বির আহমদ,গিয়াস উদ্দিন,আবু তাহের এবং শামসুল আলমকে সদস্য করে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।এই কমিটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এ এইচ এম সালাহ্উদ্দিন মাহমুদ, নুরুল আবচার এবং নাছির উদ্দিন।১০ই মার্চ থেকে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষনার পূর্বদিন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজারের অধিক লোক চকরিয়ায় প্রশিক্ষণ শিবির থেকে ট্রেনিং গ্রহণ করেছিল বলে জানা যায়।
২৩শে মার্চ চকরিয়া বিমান বন্দরের সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।প্রবীনদের ভাষ্যমতে তখনকার সময়ে দশহাজারের অধিক লোকের সমাগম হয়েছিল। মূলত জনসভার পর থেকে চকরিয়া বাসী স্বাধীনতা উত্তাল স্বপ্নের ব্যাকুল মদিরতায় আরো গভীর সংকল্পের ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে বলিয়ান হয়ে উঠে।স্বাধীন বাংলা বিনির্মাণেরর দীপ্ত শফথে অপ্রতিরুদ্ধ হয়ে উঠে তাদের মন ও মনন।সিপাহী এনামুল হক ২৫শে মার্চ কালো রাতে ১২জন বাঙালী সিপাহীসহ পাক বাহিনীর হাতে বন্দী হন।২৬শে মার্চ তাদেরকে হত্যা করার জন্য ট্রাকযোগে আগ্রাবাদ নিয়ে যাবার পথে সুকৌশলে ট্রাক ড্রাইভারকে হত্যা করে ট্রাকসহ সুদূর টেকনাফে চলে যান।কেরানী পাড়ার যুদ্ধে পাক বাহিনীর ঘাটি ধ্বংসের অভিযানের সময় সিপাহী এনামুল হক শহীদের মিছিলে শামিল হন।পালাকাটা গ্রামের শহীদ সিপাহী গোলাম কাদেরকে ৭১ এর ২৫শে মার্চ গভীর রাতে কুমিল্লার ময়নামতি সেনা নিবাসে গুলি করে হত্যা করা হয়।চট্রগ্রাম বন্দরে ভারী অস্ত্্র নামানোর বিষয়ে অগ্নিঝরা প্রতিবাদকারীদের অন্যতম ছিলেন চকরিয়ার হারবাং ইউনিয়নের সন্তান শহীদ গোলাম সত্তার।২৮শে মার্চ সংগ্রাম কমিটির সিদ্ধান্তে শহীদ হাবিলদার আবুল কালাম,নায়েক বদিউল আলম,নায়েক আশরাফ,হাবিলদার গোলাম কাদের,মোজাম্মেল হক,শামশুল হুদা,শের আলম,শাহনেওয়াজ,আনোয়ার হোসেন বাঙ্গাল,খলিলুর রহমান,আবুল কাশেম প্রমুখ যোদ্ধারা চকরিয়া থানায় এক সাহসী হামলা চালিয়ে ১১টি৩০৩ রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধাদের জন্য নিয়ে আসে, ৩০শে মার্চ চকরিয়া থেকে সংগ্রাম পরিষদ ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে ৫ট্রাক খাদ্যশস্য চট্রগ্রাম রেস্ট হাউজ,পটিয়া, কালুরঘাট ও অন্য কয়েকটি এলাকায় অবস্থানরত মুক্তিযুদ্ধের জন্য সাহায্য হিসাবে পাঠানো হয়।১৮ই এপ্রিল মোজাম্মেল হক বিএ এর নেতৃত্বে আরেকদল মুক্তিবাহিনী একটি সাদা টয়োটা কারসহ চারজন সশস্ত্র লোককে গ্রেপ্তার করেন।এরমধ্য দুজনকেই চকরিয়ার মেইন বাস স্টেশনে চিরিংগায় গুলি করে হত্যা করা হয় এবং বাকী দুজনকেই ফাঁসিয়াখালী ঢালায় গুলিকরে আহত করা হয়।
দুর্ভাগ্যের বিষয় হলেও সত্য ২৭শে এপ্রিল হানাদার বাহিনী চকরিয়ার প্রতিরোধ বুহ্য ভেঙ্গে চকরিয়ায় প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।জনগণ ও ট্রেনিংপ্রাপ্ত গেরিলাদের সক্রিয় সংগ্রামে পাকহানাদার বাহিনীকে দীর্ঘ ১মাসের বেশি কোনঠাসা করে রাখতে সক্ষম হয়নি চকরিয়াবাসী।২৭শে এপ্রিল প্রত্যুষে কালুরঘাট সেতুতে পাকবাহিনীর সাথে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লে.শামসুল মুমিন আহত অবস্থায় হানাদার বাহিনীর হাতে ধৃত হয় এবং ক্যাপ্টেন হারুণ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হানাদার বাহিনীর বনদীত্ব থেকে সহযোগীদের সহায়তায় পালিয়ে আসতে সক্ষম হন।দুপুরে আহত ক্যাপ্টেনকে ডা.শামসুদ্দিন ও আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালি  প্রথমে পটিয়া হাসপাতালে  এবং পরবর্তীতে স্থায়ী চিকিৎসার জন্য চকরিয়াস্থ মালুমঘাট খৃষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে আসেন।পাক বাহিনীদের চকরিয়া আয়ত্তে আসার পর চকরিয়া কলেজে ক্যাম্প স্থাপন করে একটি মিনি ক্যান্টনমেন্ট গড়ে তুলে।পাক সেনারা প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে চিরিংগার হিন্দুপাড়া আক্রমন করে সমুদয় ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়।
হানাদার বাহিনী তুচ্ছ কারণে সাধারণ লোকের উপর অকথ্য অত্যাচার এবং সহায় সম্পদ লুট করে ঘরবাড়ী জ্বালিয়ে দিতে থাকে।চকরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ বিশেষ করে চিরিংগা, বড়ইতলী,হারবাং, লক্ষ্যারচর,ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা পাক বাহিনীরলুটপাটের প্রধান লক্ষ্যস্থলে পরিণত হয়।পাকসেনারা মেজর জামানের সহযোগিতা ও মদদে ১৯৭১ সালের ১২ই মে ফাঁসিয়াখালীর স্বনামধন্য মহাজন পিয়ারে মোহন দে-কে চকরিয়া থানায় নিয়ে অকথ্য নির্যাতন চালানোর পর ফাঁসিয়াখালীর ঢালায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়।লুণ্ঠনকালে তার বাড়িতে আড়াইমন স্বর্ণ, ২২মন রৌপ্য এবং নগদ সাড়ে ৪লক্ষ্য টাকা লুণ্ঠনকারীরা নিয়ে যায়।মাতৃভূমি রক্ষার জন্য মাহবুবুর রহমান,আব্দুল হামিদ,জহিরুল ইসলাম,নজির আহমদ ও আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালীসহ সাতজনের একটিদল সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য ভারত গমন করেন।
পাকবাহিনী ১৯৭১ সালের ৪টা নবেম্বর গভীর রাতে আব্দুল হামিদ ও তার ভাই এবং ভগ্নিপতিকে আটক করে নিয়ে যায়,তৎমধ্যে আব্দুল হামিদকে কক্সবাজার নিয়ে গিয়ে পাঞ্জাবী ক্যাপ্টেন আসিফ রিজভীর কাছে সোপার্দ করা হয়।গোপনতথ্য বের করার জন্য আব্দুল হামিদের উপর অকথ্য নির্যাতন চলাতে থাকে। পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে পাকহানাদারেরা তাঁর শরীরকে খান খান করে দেয়।১৯শে নবেম্বর টেকনাফের বধ্যভূমিতে নিয়ে গিয়ে আব্দুল হামিদকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।আব্দুল হামিদের মৃত্যু মুক্তিযুদ্ধাদের সম্মিলিত শক্তিকে মৃত্যুঞ্জয়ী করে তুলে।রক্তের ফোয়ারায় জ্বলে উঠে মুক্তিযুদ্ধাদের আপন তেজ।তেজীয়ান হয়ে মুক্তিযুদ্ধারা বান্দরবানের  লামায় আক্রমণ চালায়।উক্ত আক্রমণে মুক্তিযুদ্ধারা ১৭টি রাইফেল ও ৩৭০০গুলি হস্তগত করতে সক্ষম হয়।
শুধুমাত্র চকরিয়ার মুক্তিযুদ্ধারা কক্সবাজার, বান্দরবান পার্বত্য এলাকা ও চকরিয়ায় সীমাবদ্ধ ছিল না,চকরিয়াবাসী মুক্তিযুদ্ধাদের অবদান সারাদেশ ব্যাপি বিস্তৃতি ছিল। চকরিয়ার সূর্য সন্তান হাবিলদার আবুল কালামের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধাদের একটি টিম পার্বত্য অঞ্চলে সফলতার সাথে শত্রুমুক্ত করতে সক্ষম হন।চকরিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেসব সূর্য সন্তান স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিল তারমধ্য জনাব মুহাম্মদ আলী(হারবাং) এনামুল হক(বড়ইতলী) খলিলুর রহমান(ফাঁসিয়াখালী) নুরুল আবচার হেলালী(খুটাখালী)মাষ্টার নুরুল আলম(ডুলহাজারা)মাষ্টার নুরুল  ইসলাম(বিনামারা)কে.এম.জলিল চৌধুরী(কৈয়ারবিল)জিন তাহের (কৈয়ারবিল) মাষ্টার সালামত উল্লাহ(কৈয়ারবিল) আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন(কাকারা) হাকিম ওয়াজেদ আলী(কাকারা)দেলোয়ার হোসেন(হালকাকারা)মৌলানা নুরুল হোসাইন (ভরামহুরী)আব্দুল হান্নান বিএ (ভরামহুরী)যুবায়ের আহমদ বিএসসি(বদরখালী)।
স্বাধীনতা যুদ্ধে চকরিয়া উপজেলার যে সকল সূর্য সন্তান রক্ত দিয়ে নিজ মাতৃভূমিকে চির ঋণী করে রেখেছেন  তাদের মধ্যে শহীদ হাবিলদার আবুল কালাম,শহীদ আব্দুল হামিদ, শহীদ এনামুল হক,শহীদ গোলাম কাদের,শহীদ আক্তার হোসেন,শহীদ সুবেদার গোলাম সত্তার অন্যতম।৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলার সূর্য যখন উদিত হয়, ধ্বংস স্তুপের মাঝে চকরিয়াবাসী ঐতিহাসিক বিজয় মঞ্চে ঘুরে দাড়ানোর দীপ্ত অঙ্গীকার নিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার শফত নেন।বিজয় মঞ্চের প্রেরণা নিয়ে চকরিয়াবাসী  সকল মুক্তির বীর সেনানীদের আত্নত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে চলছে।তারই অনুপম বিকাশের সুললিত প্রকাশ “মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা” চকরিয়া। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে চকরিয়ায় বিজয় মেলার আয়োজন হয়ে আসছে। তারই আলোকে চকরিয়ায় ১০১ সদস্য বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধের বিজয় দিবস উদযাপন পরিষদ গঠিত হয়েছে। গঠিত কমিটিতে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরীকে আহ্বায়ক ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদীকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে চকরিয়া পৌরশহরের জনতা শপিং কমপ্লেক্সে মিলনায়তনে বিজয় দিবস-২০১৭ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক , এরফান উদ্দিন চৌধুরী, শওকত হোসেন এবং সুলাল চন্দ্র সুশীলকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।

মোঃ নাজমুল সাঈদ সোহেল, মোবাইল ঃ০১৭৭২৬২৬৮১৪

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

পোকখালীতে চিংড়ি ঘেরে ডাকাতির চেষ্টা, মালিককে কুপিয়ে জখম

মহেশখালীতে ৩দিন ব্যাপী কঠিন চীবর দানোৎসব শুরু

ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় কক্সবাজার প্রেসক্লাব

আওয়ামীলীগ ভাওতাবাজিতে চ্যাম্পিয়ন : ড. কামাল

সত্য বলায় এসকে সিনহাকে জোর করে বিদেশ পাঠানো হয়েছে: মির্জা ফখরুল

সাতকানিয়ায় মাদকসহ আটক ২

কক্সবাজারে হোটেল থেকে বন্দী ঢাকার তরুণী উদ্ধার

৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত ইসলামী আন্দোলনের

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খেলনা বেলুনের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহত ৯

চকরিয়া আসছেন পুলিশের আইজি, উদ্বোধন করবেন থানার নতুন ভবন

না ফেরার দেশে গর্জনিয়ার জমিদার পরিবারের দুই মহিয়সী নারী

চকরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

চকরিয়ায় ৪০শতক জমিতে দরিদ্র কৃষকের ক্ষেতে দুবৃর্ত্তের তান্ডব

পিসফুল ইউনাইটেড ক্লাবের অগ্নিদগ্ধে মৃত রায়হানের স্বরণ সভা ও দোয়া মাহফিল 

১০ নম্বরি হলেও নির্বাচন বয়কট করবো না : ড. কামাল

প্রকৃত নেতা মাত্রই পল্টিবাজ : ইমরান খান

ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে অধিনায়ক সাকিব, ফিরেছেন সৌম্য

বিজয় ফুল তৈরী প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রথম উখিয়ার নওশিন

চকরিয়ার রুবেল বাঁচতে চায়

দূর্নীতির দায়ে চট্টগ্রামের কারা ডিআইজি প্রিজন ও জেল সুপারের বদলী