বান্দরবানে শান্তি চুক্তির ২০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালী

নুরুল কবির বান্দরবান :

পার্বত্য শান্তির চুক্তির ২০ বছর পূর্তী উপলক্ষে বান্দরবানে প্রথমবারের মতো নানা কর্মসূচী শুরু হয়েছে। এসব কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে আনন্দ র‌্যালী, মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলন, কেক কাটা, আলোচনা সভা, বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির, শীত বস্ত্র বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সকালে এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্নাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালীটিতে বান্দরবানের ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ মোট ১২ সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ নানা রঙ্গের পোষাক পরে অংশ গ্রহণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রী র‌্যালীতে অংশ নেয়। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্প্রীতির মঞ্চে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলন, কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব মো. শওকত আলী, ডিজিএফআই’র অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুজ্জামান, পুলিশ সুপার সজ্ঞিত কুমার রায়, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য শফিকুর রহমান, পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবী, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এর পরিচালক মংনু চিং প্রমুখ। এদিকে, পাবত্য শান্তি চুক্তির বিশ বছরপূর্তী উপলক্ষে আগামী ২ ডিসেম্বর শহরের রাজার মাঠে সেনা রিজিয়নের উদ্যোগে দু দিন ব্যাপী বিভিন্ন কমসুচি পালন করা হবে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সেনা রিজিয়নে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়। সেনা রিজিয়নের জিএসটু মেজর আবু সাইদ মো: মেহেদী হাসান জানান, ২ডিসেম্বর সকালে গরীব দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবিরের ও পরের দিন রোববার বিকালে জেলা স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং সন্ধ্যায় রাজার মাঠে কনসেট অনুষ্টানের হবে।

উল্লেখ, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের সাথে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল জন সংহতি সমিতির (জেএসএস) মধ্যে পার্বত্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে পাহাড়ে দীর্ঘ দুই দশক ধরে চলা শান্তি বাহিনীর সংঘর্ষ হানাহানি বন্ধ হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের দীর্ঘ ১৯ বছর পেরিয়ে গেছে। জেএসএস নেতৃবৃন্দ বলছেন চুক্তিটি রাজনৈতিক হলেও বিভিন্ন সরকার চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে গড়ি মসি করেছে। দীর্ঘ সময়েও চুক্তির মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বান্তবায়িত হয়নি। ফলে পাহাড়ে ভূমি সমস্যাসহ নানা সমস্যাগুলো ক্রমেই বাড়ছে। বাড়ছে জটিলতা। তবে সরকারি দল আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এবং বেশির ভাগ বিষয়ই বান্তবায়িত হয়েছে। বরং জেএসএসের অসহযোগিতার কারনে চুক্তির অন্যান্য বিষয়গুলো বাস্তবান করা যাচ্ছে না।

সর্বশেষ সংবাদ

শুদ্ধসুরে জাতীয় সংঙ্গীত : জেলায় দু’টি পর্যায়ে রামু উপজেলার শ্রেষ্ঠত্ব

লংগদুতে বন্যহাতির আক্রমনে ৬ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু

তারকারা কে কার আত্মীয়?

উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপ থেকে ইভিএম

জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনায় কক্সবাজার মহিলা কলেজের জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন

ওভাই (OBHAI) যাত্রা শুরু করলো কক্সবাজারে

ভারত থেকে হাই কমিশনারকে ডেকে পাঠাল পাকিস্তান

স্বাধীনতার বিরোধিতা করে কোনো দল টেকেনি

২০২২ সালের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বোর্ড গঠন

এমপিদের শপথের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

রাখাইনের মংডুতে তিন আদিবাসীর মৃতদেহ উদ্ধার

রোহিঙ্গাদের চাপে পানের দাম চড়া

পুলওয়ামায় ফের জঙ্গি হামলায় ৪ সেনা নিহত

প্রধানমন্ত্রীর কাছে মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ৮ দাবি

বাংলাদেশ-আমিরাত চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

কক্সবাজার সদরে এসিল্যান্ড শূন্যতায় ভোগান্তি

পুনর্বাসন চায় মহেশখালীর মানুষ

‘নিয়ম ছিল না বলেই বদি আমন্ত্রণ পাননি’

দায়িত্বশীল ছাড়া কারও ডাকে সাড়া নয়

দেশের কোন গোয়েন্দা সংস্থার কী কাজ