এম. মনছুর আলম, চকরিয়া: 
পরিবেশ আইন লঙ্গন করে  চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদী থেকে মেশিন বসিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনকালে উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ২টি সেলোমেশিন ও বিপুল পরিমাণ পাইপ জব্দ করেছে।ভ্রাম্যমান আদালত অভিযানে যাওয়া টের পেয়ে বালু উত্তোলনে জড়িতরা পালিয়ে যায়।২৯নভেম্বর বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নুরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি)ইখতিয়ার উদ্দিন মো.আরাফাত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাতামুহুরী নদীর বিভিন্ন বালু পয়েন্টে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন।
জানাগেছে,চকরিয়া পৌরসভাধীন বিভিন্ন এলাকায় ও উপজেলার ফাঁসিয়াখালী, সাহারবিল,পূর্ব বড় ভেওলা ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নের
মাতামুহুরী নদীর পয়েন্টে মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছিলেন একটি প্রভাবশালী চক্র।এসব বালু উত্তোলন মেশিন বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক ভাবে মাইকিংয়ের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়ার পরও বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখেন বেশ কিছু বালু উত্তোলনকারী ব্যাক্তি।বুধবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালত যৌথ অভিযান চালিয়ে পূর্ব বড় ভেওলা এলাকায় বালু পয়েন্ট থেকে ২টি মেশিন ও বেশকিছু পাইপ জব্ধ করেছেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নুরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন,দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেনীর প্রভাবশালী ব্যক্তি মাতামুহুরী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছিল।এ অবস্থার কারনে সরকার বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।এনিয়ে প্রশাসনের পক্ষথেকে কিছু দিন পূর্বেই মাইকিং মাধ্যমে জানানো হয়েছিল।এরপরও মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ না হাওয়ায় বিষয়টি আদালতের নজরে আসলে বুধবার দুপুরে মাতামুহুরী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।তিনি আরো বলেন,অভিযানের সময় বালু পয়েন্ট থেকে ২টি মেশিন ও বেশকিছু পাইপ জব্ধ করা হয়েছে।তবে অভিযানের সময় বালু উত্তোলনে জড়িতরা পালিয়ে যায়। জব্দকৃত ওইসব মালামাল উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে। কেউ মালিকানা দাবি না করলে ওইসব মালামাল নিলামে বিক্রি হবে বলে তিনি জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •