ফারুক আহমদ, উখিয়া:

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক গড়ে উঠা বাজারে ব্যাঙ্গের ছাতার মত অসংখ্য গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে যে কোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনার আশংকা দেখা দিয়েছে। সরকারী নির্দেশকে অমান্যকরে যত্রতত্র ভাবে গড়ে উঠা অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে প্রতি দিন শতশত গ্যাস সিলিন্ডার ঝুঁকি পূর্ণ ভাবে বিক্রি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রসাশনের নজর ধারী না থাকায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক প্রায় শতাধীক দোকান অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে।

জানাযায়, সংশ্লিষ্ট প্রসাশনের অনুমতি ও কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্যাস সিলিল্ডারের ব্যবসা ও দোকানে ক্রয়-বিক্রয় করার বিধান রয়েছে। কোন অবস্থাতে ঝুকি পূর্ণ অবস্থায় ও যত্রতত্র স্থানে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা করা যাবে না মর্মে সরকারী ভাবে প্রজ্ঞাপণ জারি রয়েছে।

সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী, কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া, মধুর ছড়া, জামতলী, ও ময়নার ঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক বাজারে প্রায় শতাধীক গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান রয়েছে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, এসব গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানের কোন বৈধ কাগজ পত্র নেই। প্রসাশনের চোখের সামনে অবৈধ ভাবে রোহিঙ্গাদের নিকট গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করা হচ্ছে হরদম।

কয়েক জন ব্যবসায়ী জানান, রোহিঙ্গাদের মাঝে গ্যাস ও সিলিন্ডারের চাহিদা বেশি থাকায় গড়ে উঠা ক্যাম্প বাজার গুলোতে অসংখ্য গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান দেওয়ার জন্য রীতিমত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এমন কি প্রতিদিন পিক আপ, ট্রাক ও ডাম্পার যোগে শতশত গ্যাস সিলিন্ডার রোহিঙ্গা ক্যাম্প বাজারে মজুদ করা হচ্ছে।

ফায়ার সিভিল ও ডিফেন্স সার্ভিসের কর্মকর্তা জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক গড়ে উঠা বাজারে ঝুকি পূর্ণ অবস্থায় গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করায় যে কোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনা গঠতে পারে।

সচেতন নাগরিক সমাজ রোহিঙ্গা বাজারে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান উচ্ছেদের দাবী জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •