নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারস্থ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া সমিতির নির্বাচনের সহ-সভাপতি আবদুর রহমান ভোটের মঠে চষে বেড়াচ্ছেন। তিনি প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট কামনা করছেন। কক্সবাজারে অবস্থানরত সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পা ভোটের জন্য ধর্ণা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে তিনি প্রায় সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভোটারদের সাথে সাক্ষাত করেছেন। ভোটারও তাকে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে ভোট দেয়ার প্রতিশ্রুুতি দিয়েছেন।

জানা গেছে, আবদুর রহমান শুরু থেকেই নির্ঘুম প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। রাতদিন সমান তালে তিনি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট কামনা করছেন। প্রচারণায় তাঁর সাথে বিপুল ভোটার ও শুভাকাঙ্খী সঙ্গে থাকছেন। এছাড়াও আরো কয়েকটি দল বিভক্ত হয়ে আবদুর রহমানের পক্ষে ভোট কামনা করছেন। যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, সজ্জন ও অমায়িক প্রার্থী হিসেবে তাঁর পক্ষে ভোটাররাও ব্যাপক সাড়া দিচ্ছেন। অনেক ভোটার সরাসরি তাঁর পক্ষে প্রচারণাও চালাচ্ছেন। বিশ্লেষকরাও বলছেন, সব দিক দিয়ে এগিয়ে থাকায় আবদুর রহমানের পক্ষে ভোটারদের আগ্রহ অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই জয়ের সম্ভাবনা সবার চেয়ে বেশি।

আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য কক্সবাজারস্থ সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সমিতির নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। এই নির্বাচনে ছয়জন সহ-সভাপতি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচিত হবেন তিনজন। তবে ছয় প্রার্থীর মধ্যে আবদুর রহমানই সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী। তাই ভোটাররা তার দিকে ঝুঁকছেন। এরই মধ্যে ভোটাররা যোগ্য প্রার্থী আবদুর রহমানকে ভোট দিয়ে জয়ী করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করছেন। শুধু তাই নয়, ভোটাররা আবদুর রহমানের জন্য নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। এতে করে আবদুর রহমান জয় অনেকটা নিশ্চিত হতে যাচ্ছে। আবদুর রহমানের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। একই সাথে সমিতির সাধারণ সদস্যরাও প্রচারণা চালাচ্ছেন।

জানা গেছে, সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে কক্সবাজারে এক অন্যরকম ভোটের আমেজ বিরাজ করছে। প্রার্থীদের সরব বিচরণ ও নানা ধরণের প্রচারণায় এই আমেজ তৈরি হয়েছে। সহ-সভাপতি প্রার্থী কলম প্রতীকের আবদুর রহমান দিনরাত সমানভাবে প্রচারনা চালাচ্ছেন। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোটারদের সাথে নিয়মিত কুশল বিনিময় করছেন।

সফল ব্যবসায়ী আবদুর রহমান একাধারে বৃহত্তর বীচ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি, দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক , সুগন্ধা শুটকি ও অন্যান্য সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক। এছাড়াও সামাজিক উন্নয়নে নানা কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এরই অংশ হিসেবে তিনি বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও কক্সবাজার জেলা সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন। একই সাথে সাংবাদিক হিসেবেও তার একটা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের নির্বাহী সদস্য।

এক প্রতিক্রিয়ায় আবদুর রহমান বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকে ব্যবসার সাথে জড়িত। সেই দীর্ঘদিন সফলতার সাথে ব্যবসা করে আসছি। এসময়ে বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে এসেছি এবং করে যাচ্ছি। তাই সংগঠনের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বড় ধরণের অভিজ্ঞতা। তাই দৃঢ়তার বলতে চাই আমি নির্বাচিত হলে সমিতির সদস্যরা সর্বোচ্চ সেবা পাবেন। এই প্রতিশ্রুতি আমি নির্দি¦ধায় দিতে দিচ্ছি।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •