নিজস্ব প্রতিবেদক:
আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে কক্সবাজারস্থ সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সমিতির নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে কক্সবাজারে এক অন্যরকম ভোটের আমেজ বিরাজ করছে। প্রার্থীদের সরব বিচরণ ও নানা ধরণের প্রচারণায় এই আমেজ তৈরি হয়েছে। এই নির্বাচনে সহ-সভাপতি পড়ে লড়ছেন সফল ব্যবসায়ী আবদুর রহমান। তার প্রতিক কলম। তিনি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্নভাবে প্রচারণা শুরু করেন। সেই থেকে সমিতির ভোটারদের মাঝে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে আসছে। এখন পর্যন্ত প্রচারণায় অনেক দূর এগিয়ে আছেন। ব্যাপক প্রচারণা ও ভোটারদের সাথে দীর্ঘদিনের ভালো সম্পর্কের কারছে ভোটার আবদুর রহমানকে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেছেন। নির্বাচনে ভোট দিয়ে তাঁকে জয়যুক্ত করারও অঙ্গীকার করেছেন।

আবদুর রহমানের পক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন মুজিব চেয়ারম্যান। 

জানা গেছে, আবদুর রহমান দিনরাত সমানভাবে প্রচারনা চালাচ্ছেন। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোটারদের সাথে নিয়মিত কুশল বিনিময় করছেন। তিনি পৌর সুপার মার্কেট, চাউল বাজার, বার্মিজ মার্কেট ও লাইট হাউজ বীচ এলাকা এরই মধ্যে একাধিক বার গণসংযোগ করেছেন। তার সাথে বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের সাথে মতবিনিময়ও করেছেন। এসময় তিনি নির্বাচিত হলে সমিতির সাধারণ সদস্যদের উন্নয়নের নি:স্বার্থভাবে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। ভোটাররাও তাকে ভোট দানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। আবদুর রহমানের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। একই সাথে সমিতির সাধারণ সদস্যরাও প্রচারণা চালাচ্ছেন।

সফল ব্যবসায়ী আবদুর রহমান একাধারে বৃহত্তর বীচ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি, দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক , সুগন্ধা শুটকি ও অন্যান্য সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক। এছাড়াও সামাজিক উন্নয়নে নানা কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এরই অংশ হিসেবে তিনি বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও কক্সবাজার জেলা সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন। একই সাথে সাংবাদিক হিসেবেও তার একটা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের নির্বাহী সদস্য।
এক প্রতিক্রিয়ায় আবদুর রহমান বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকে ব্যবসার সাথে জড়িত। সেই দীর্ঘদিন সফলতার সাথে ব্যবসা করে আসছি। এসময়ে বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে এসেছি এবং করে যাচ্ছি। তাই সংগঠনের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বড় ধরণের অভিজ্ঞতা। তাই দৃঢ়তার বলতে চাই আমি নির্বাচিত হলে সমিতির সদস্যরা সর্বোচ্চ সেবা পাবেন। এই প্রতিশ্রুতি আমি নির্দি¦ধায় দিতে দিচ্ছি।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •