দূর্যোগ মোকাবেলায় পেকুয়ায় নির্মিত হচ্ছে আরো তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র

এফ এম সুমন, পেকুয়া:
উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের অন্যতম উপজেলা পেকুয়া। জনসংখ্যা প্রায় এক লক্ষ একাত্তর হাজারের মতো। ভুগোলিক অবস্থান ভেদে প্রাকৃতিক দূর্যোগ যেন লেগেই থাকে। প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে বাচঁতে হয় এই অঞ্চলের মানুষদের। পেকুয়া কুতুবদিয়ার সীমানায় রয়েছে বঙ্গোপসাগরের মোহনা। ফলে বেড়িবাধ ভেঙ্গে প্রতি বর্ষা মৌসমে বন্যার পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে।এ অঞ্চলের মানুষকে দূর্যোগ থেকে রক্ষা করতে সরকারী বেসরকারী ভাবে ৭২টি সাইক্লোন সেল্টার রয়েছে। যেখানে দুর্যোগকালীন সময়ে মানুষ আশ্রয় নেন। কিন্ত জনসংখ্যার অনুপাতে এসব সাইক্লোন সেল্টার অনেকটাই অপ্রতুল। অনেক সময় গাদাগাদি করে সাইক্লোন সেল্টার গুলিতে মানুষ আশ্রয় নেয়। যেখানে নারী ও শিশুদের নিয়ে হিমসিম খেতে হয় আশ্রয় প্রার্থীদের। আবার অনেক মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে জায়গার অভাবে নিজেদের বাসা বাড়িতে ঝুঁকি নিয়ে আশ্রয় নেন। ফলে তারা দুর্যোগের সময় আহত হন বা প্রাণ হানি ও ঘটে। এসব কথা চিন্তা করে বর্তমান সরকার পেকুয়ায় আরো তিনটি সাইক্লোন সেল্টার নির্মানের উদ্যোগ নিয়েছেন। এসব আশ্রয় কেন্দ্রগুলি নির্মিত হবার কথা রয়েছে শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে, ফাসিঁয়াখালী ইসলামীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা ও রাজাখালী বেসরাতুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসায়। যেগুলি নির্মাণ করছেন দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয়। স্থানীয়রা বলেন, এসব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ হলে দূর্যোগের সময় তাদের খুবই কাজে আসবে। কেননা পেকুয়ার মতো দূর্যোগ প্রবণ এলাকায় সাইক্লোন সেল্টার খুবই প্রয়োজন ছিল। বারবাকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও ফাঁিসয়াখালী ইসলামীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ এইচ এম বদিউল আলম বলেন, এটি আমাদের এলাকার জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল যেখানে দুর্যোগের সময় প্রায় দুই হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। এবং এটি প্রতিনিয়ত শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যবহৃত হবে। ফলে তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানান। রাজাখালী ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর বলেন, এটি নির্মিত হলে দূর্যোগের সময় মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে তিনি আরো বলেন, রাজাখালীর মতো দূর্যোগ প্রবণ এলাকায় এসব সাইক্লোন সেল্টার খুবই কাজে আসে। রেড়ক্রিসেন্ট পেকুয়া সদরের লিডার এম.মনজুর আলম বলেন, পেকুয়ার মতো দুর্যোগ প্রবণ এলাকায় সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ আমাদের অন্যতম দাবি ছিলো। কারণ এখানকার মানুষকে প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করতে হয়। আর সাইক্লোন সেল্টার হলো ঝড়ের সময় অন্যতম প্রধান নিরাপদ স্থান। তাই এসব আধুনিক আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণকে সরকারের একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন তিনি। সুত্র জানায় ইতিমধ্যেই তিনটি প্রস্তাবিত জায়গায় মাটি পরীক্ষা শেষ হয়েছে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু হবে। আধুনিক মান সম্মত এসব আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৫০ হাজার লোকজন দুর্যোগের সময় আশ্রয় নিতে পারবে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রগুলি আশ্রয় ছাড়াও এসব প্রতিষ্টানে একাডেমিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

`রাঙামাটির রূপ দিনদিন হারিয়ে যেতে চলেছে’

বান্দরবানে শ্রেষ্ঠ উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কালাম হোসেন

বর্তমান সরকারই পাহাড়ের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : বীর বাহাদুর এমপি

কুতুবদিয়ায় শহীদ উদ্দিন ছোটনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ফের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

লামায় ক্যাম্প প্রত্যাহার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ ও রাজার সনদ বাতিল দাবীতে মানববন্ধন

লবণ আমদানি হবেনা, মজুদদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা -শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু

১ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিকটন লবণ উদ্বৃত্ত, তবু আমদানির চক্রান্ত

ঈদগাঁও থেকে দোকানদার অপহরণঃ ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী!

‘হিংসাবিহীন মানুষ পাওয়া কঠিন’

যখন দশম শ্রেণির ছাত্রী এই সময়ের পিয়া

উখিয়ায় অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন এসিল্যান্ড একরামুল ছিদ্দিক

কক্সবাজার শহরে বেড়েই চলছে চুরি ছিনতাই

হোটেল সী-গালের সংবর্ধনায় সিক্ত মেয়র মুজিবুর রহমান

বর্জ্য অপসারণে আরো একটি গাড়ি সংযোজন করলেন মেয়র মুজিব

মদ পানের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রু বহিষ্কার

এই জনপদটি ইয়াবা নামক বিষ বৃক্ষের আবক্ষে নিম্মজ্জিত : সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন

যুগ্মসচিব হলেন কক্সবাজারের সন্তান শফিউল আজিম : অভিনন্দন

ধর্মীয় শিক্ষা মানুষের মাঝে মূলবোধের সৃষ্টি করে-এমপি কমল

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ১৪জন আসামী গ্রেফতার

কক্সবাজার জেলা পুলিশকে আইসিআরসির ২৫০ বডি ব্যাগ হস্তান্তর