মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস

ডেস্ক নিউজ:
মিয়ানমারকে গণহত্যার জন্য দায়ী করে বৃহস্পতিবার রাতে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের থার্ড কমিটিতে পাস হওয়া ওই প্রস্তাবে এখনই রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর দমন পীড়নের সমাপ্তি টানতে বলা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের পূর্ণ অধিকার দিয়ে নাগরিকত্ব দেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে পাস হওয়া প্রস্তাবে। থার্ড কমিটি রাখাইনে জাতিসংঘ প্যানেলকে অবাধে কাজ করতে দিতেও মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

সাধারণ পরিষদের এজেন্ডা নির্ধারণী অন্যতম ফোরাম থার্ড কমিটি মানবাধিকার লঙ্ঘন, নারী ও শিশু সুরক্ষা, আদিবাসীদের অধিকার রক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে। সামরিক শাসনে থাকা মিয়ানমারে মানবাধিকার হরণের নিন্দা জানিয়ে গত দেড় দশক ধরে দেশটির বিরুদ্ধে প্রস্তাব গ্রহণ করে আসছিল থার্ড কমিটি।

ইসলামি সহায়তা সংস্থার (ওআইসি) ৫৭ সদস্য দেশ প্রস্তাবটি জাতিসংঘের ওই কমিটিতে উত্থাপন করে। ওআইসির পক্ষে জাতিসংঘে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আল মোয়াল্লিমি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ধর্মীয় বিদ্বেষের আরেক অমানবিক চিত্র দেখা যাচ্ছে।

গত ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এতে গণহত‌্যা, গণধর্ষণ, নির্যাতনের অভিযোগ এনেছে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা। এরপর থেকে প্রাণভয়ে ছয় লাখ ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এই ঢল এখনো বন্ধ হয়নি।

বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক সময় সকালে ভোটাভুটির পর এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। ভোটাভুটিতে ১৩৫টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। বিপক্ষে ভোট দিয়েছে চীন ও রাশিয়াসহ ১০টি দেশ। ভারতসহ ২৬টি দেশ কোনো পক্ষেই ভোট দেয়নি। এছাড়া, অনুপস্থিত ছিল ২২টি দেশ।

প্রস্তাবে মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন পুনর্বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ওপর যারা নির্যাতন করেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনার জন্যও দেশটির সরকারকে বলা হয়েছে।

প্রস্তাবে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে ‘মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত’ নিয়োগ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ যেন মিয়ানমারকে সহায়তার প্রস্তাব করে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনসহ সব ধরনের সংকট সমাধানের জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

৩১ অক্টোবর থার্ড কমিটিতে ‘মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শিরোনামে মিশর এই খসড়া প্রস্তাবিটি জমা দেয়। এর কো-স্পনসর ছিল ৯৭টি দেশ। এই প্রস্তাবে শুধু রোহিঙ্গা সমস্যা উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে অং সান সুচি সরকার গঠনের আগে একই শিরোনাম ‘মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। সেখানে মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের ওপর জোর দেয়া হয়েছিল। সেই প্রস্তাবে ১৯টি অনুচ্ছেদের মধ্যে রোহিঙ্গা বিষয়ে শুধু একটি অনুচ্ছেদ ছিল।

সর্বশেষ সংবাদ

পরিবর্তন হচ্ছে পাঠ্যক্রম

স্তন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ও সর্দি-কাশি তাড়াতে যে সবজি খাবেন!

সাপের ভয়ে অফিস যাচ্ছেন না লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট

টেকনাফে দু’গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

মানবিক কাজে যাত্রা করলো হামীম এন্ড মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশন

রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নুসরাত হত্যা ও ইসলাম ধর্মের অবমাননার প্রতিবাদে মহেশখালীতে বিক্ষোভ সমাবেশ 

রশিদ নগরে প্রতিবন্ধি শিশু টুম্পা নিখোঁজ

সমৃদ্ধ জীবনের প্রত্যাশায় সম্পন্ন জলকেলি উৎসব

কলাতলী মোড় থেকে ১ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক

বিয়ের সাজে মুমিনুল-ফারিহা

নুসরাতকে নিচ থেকে ছাদে নিয়ে হাত বাঁধে শম্পা

বোরকার দোকান ও ঘটনাস্থল ঘুরে নুসরাতকে হত্যার বিবরণ দিল মণি

কক্সবাজারে টয়ো ফিডের ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

চকরিয়া থানার ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিদায় 

হালিশহরে রাকিব বাহিনীর ছুরিকাঘাতে যুবক গুরুতর আহত

দেশের বেকারত্ব দূরীকরনে কর্মমুখী শিক্ষা দরকার : মন্ত্রী পরিষদ সচিব শফিউল আলম

আ.লীগের জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

হোয়াইক্যংয়ে রোগাক্রান্তদের সুস্থতা কামনা করে স্টুডেন্ট এসোসিয়শনের দোয়া মাহফিল

কোন অপশক্তি রামুর সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারবে না- এমপি কমল