জেল হতে পারে ফরহাদ মজহার দম্পতির

ডেস্ক নিউজ:
মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করার অভিযোগে কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার এবং তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলার আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনটি মঞ্জুর হলে আইনানুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। আর এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের দু-জনের সর্বোচ্চ দুই বছরের জেল বা কারাদণ্ড হতে পারে। সাজা হলে আইনানুয়ায়ী কারাগারে যেতে হয় আসামিদের।

মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম আদালতে ফরহাদ মজহার অপহরণ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করায় মামলার বাদী ফরিদা আক্তার ও মামলার ভিকটিম ফরহাদ মজহারের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ও ১০৯ ধারায় মামলার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

ফরহাদ মজহারের স্ত্রী মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তরা তদন্ত করে সেই প্রমাণ পেয়েছেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে অন্যদের হয়রানি করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলার আবেদন করা হয়েছে। মামলার অনুমতি পেলে তাদের বিরুদ্ধে বিচারকার্য পরিচালনা হবে। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রীর দুই বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে

দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় বলা হয়েছে,‘কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি সাধনের উদ্দেশে অপরাধবিষয়ক মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের করে, তাহলে সে ব্যক্তির দুই বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে। আর দণ্ডবিধির ১০৯ হলো সেই অপরাধের সহযোগিতা করা।’

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু বলেন, ফরহাদ মজহারের স্ত্রী মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তরা তদন্ত করে সেই প্রমাণ পেয়েছেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে অন্যদের হয়রানি করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলার আবেদন করা হয়েছে। মামলার অনুমতি পেলে তাদের বিরুদ্ধে বিচারকার্য পরিচালনা হবে। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রীর দুই বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

অন্যদিকে মামলার বাদী ফরিদা আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা অনলাইন পত্রিকায় ফরহাদ মজহার অপহরণ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নিউজ দেখেছি। মামলার কোনো কাগজ এখনো হাতে পাইনি। কাগজ হাতে পাওয়ার পর আমরা সিদ্ধান্ত নেব আমরা কী করব।’

ফরহাদ মজহারের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, মামলার কাগজ হাতে পাওয়ার পর আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

ফরহাদ মজহারের আরেক আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, আমরা মামলার বাদীর সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেব।

উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই ভোরে রাজধানীর শ্যামলীর রিং রোডের ১নং হক গার্ডেনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরে স্ত্রীকে নিজের মোবাইল ফোনে জানান, কে বা কারা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে মেরেও ফেলা হতে পারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার কল করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরে হানিফ পরিবহনের বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

ফরহাদ মজহারের নিখোঁজের ঘটনায় ওইদিন রাতেই স্ত্রী ফরিদা আক্তার বাদী হয়ে আদাবর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ০৪। এর আগে তিনি জিডি করেছিলেন। জিডি নং- ১০১।

সর্বশেষ সংবাদ

নতুন অফিস ব্লাড ডোনার’স সোসাইটির যাত্রা, ইফতার মাহফিল

দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম ও লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

রমজান মাস পূণ্য অর্জনের বসন্তকাল : আল্লামা মাহমুুদুল হক

বদরখালীতে পানির পথ খুলে ভেসে গেছে মজুদ ৩৫ হাজার মণ লবণ

বিশিষ্টজনদের সম্মানে জেলা প্রশাসনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিটির আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

নাইক্ষ্যংছড়িতে আহত পিকআপ চালকের মৃত্যু

টেকনাফ সাংবাদিক ফোরাম’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

কুকুরের কামড় দেয়া ছাগল জবাই করে খাসির মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি, ৩ জনকে কারাদণ্ড

“বাহারছড়া যুব ও ছাত্র ঐক্য পরিষদ” এর দোয়া ও ইফতার মাহফিল

কেমন ছিলো ঈদকার্ডের ঈদ

সিবিআইইউ’র আইন বিভাগের ৬ষ্ঠ ও ৭ম ব্যাচের ইফতার মাহফিল

মোদির গুজরাটে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৮

`কাজী নজরুল বাংলা সাহিত্যের আলোকবর্তিকা’

১৪ বাংলাদেশিসহ ভূমধ্যসাগরে ২৯০ অভিবাসী উদ্ধার

পদত্যাগ করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে

৩০ মে শপথ নেবেন মোদি

যে কারণে নিজ ঘাঁটিতে রাহুলের পরাজয়

জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মমতা

হাসি মুখ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ