সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় ‘কেরামত আলী’

আতিকুর রহমান মানিক :

“কানে দিয়েছি তুলা, পিঠে দিয়েছি কুলা”  ঈদানিং এই নীতির উপরেই বেশী জোর দিয়ে গো-বেচারা টাইপের হয়ে গেছে কেরামত আলী। যে যাই করুক, চারদিকের অনাচারগুলো দেখেও না দেখার ভান করে সে। কারন দিন পাল্টাচ্ছে, পাল্টাচ্ছে চারদিকের মানুষগুলোও, অরাজকতায় ভরছে চারপাশ। অযথা ঝামেলায় গিয়ে কিইবা লাভ? এমনিতেই ছা-পোষা আটপৌরে ধরনের মানুষ। তাই অযথা কোন ঝামেলায় না জড়িয়ে নিজের মত করে চলতেই অভ্যস্ত সে। তাই একান্ত নিজস্ব পরিমন্ডলের বাইরে তার চলাফেরা কম বললেই চলে। বাসা থেকে অফিস ও অফিস শেষে আবারো বাসায় আর (পেটের আন্দাজ) টুকটাক ব্যাবসা-বাণিজ্য, এর মধ্যেই তার বিচরন। অথচ ছাত্রজীবনে ভীষন ডানপিটে স্বভাবের ছিল সে। রকমারী দুষ্টামি-দুরন্তপনার জন্য স্যারদের কত বকুনি ও বেত হজম করেছে বেচারা। তবে লেখাপড়ায় একটু ভাল ছিল বলে তার অনেক দস্যিপনা ক্ষমা করতেন শিক্ষকরা। এককালের দুরন্ত-ডানপিটে কেরামত এখন কিন্তু শান্ত-শিষ্ট নিরেট ভদ্রলোক।

বিশ্ববাসীর নানার বাড়ী নাকি কক্সবাজার ! তাই নানাবাড়ীতে নাতী-নাতনীরা বেড়াতে আসবে, এটাই স্বাভাবিক। নাতীদের আগমনে প্রায় সারা বছর মুখরিত থাকে এখানকার হোটেল-মোটেল ও কটেজগুলো।বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বার্ষিক সম্মেলন-মিটিংগুলোও করে কক্সবাজারে। “রথ দেখা ও কলাবেচা”র মত সমুদ্র দর্শন ও কাজ সম্পাদন দুটিই সারা যায় এতে। আর এসব সম্মেলন-অনুষ্ঠানের পর একঘেঁয়েমি কাটাতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার নামে গান-বাজনার আয়োজন থাকেই। পেশাগত দায়িত্বের খাতিরে এসব প্রোগ্রামে প্রায়ই আমন্ত্রিত হয় কেরামত আলী।

কিছুদিন আগে সৈকতপাড়ের তারকা মানের একটি হোটেলের বলরুমে অনুষ্ঠিত এরকম একটি প্রোগ্রামশেষে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার নামে কান্ড-কারখানা দেখে মিশ্র অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিল সে। সেদিন প্রোগ্রাম ও খাওয়া দাওয়া শেষে শুরু হল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার নামে গান-বাজনার বিরাট আয়োজন। বিশাল মঞ্চের দুই পাশে কাল রঙ্গের ৮/১০ টি অতিকায় আলমিরা বসানো হয়েছে। গানের সাথে আলমিরার সম্পর্কের হিসাব মিলাতে না পেরে পাশের একজনকে জিজ্ঞেস করে কেরামত জানল এগুলো নাকি সাউন্ড বক্স! মঞ্চের চারদিকে দেখল বিদ্যুৎ সাবষ্টেশনের মত স্টীল স্ট্রাকচারে রাজ্যের হাবিজাবি তার ও লাইট ফিট করা। এ ছাড়াও মঞ্চের উপরে কয়েকসেট কি বোর্ড, লীড গিটার, বেস গিটার, ড্রামসেট, স্পীকার, এম্প্লিফায়ার, ও জাত-বেজাতের অন্যান্য ইন্সট্রুমেন্ট ঠিক করতে কয়েকজনের গলদঘর্ম ছুটাছুটি দেখে তার করুনা হল। ইয়া বড় একতোড়া তারের বিভিন্ন প্রান্ত একবার এখানে লাগায় তো আরেকবার ওখানে খোলে। এভাবে অনেক্ষন করার পর স্পীকার হাতে নিয়ে কয়েকজন স্টেজে দাড়িয়ে ফাটা গলায় বারবার চেক, চেক, চেক বলতে লাগল। কেরামত মনে করল এবার বুঝি তাদেরকে চেক করা হবে, নিজের অাশেপাশে নিষিদ্ধ কিছু আছে কিনা সন্তর্পনে দেখে নিল সে। কিন্তু এরপরেও অনেক্ষন চেক, চেক শব্দ উচ্চারণ করতে থাকল মঞ্চের কয়েকজন, কিন্তু গান শুরু করার কোন লক্ষন নেই । এই চেকের বাহারের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে পাশের ছোকরা বলল এটা নাকি ইন্সট্রুমেন্ট ও লাইটিং ও সাউন্ড সিষ্টেম চেকিং! ওমা আরো কত কান্ড দেখতে হবে কে জানে, মনে মনে বলে কেরামত।

এভাবে দুইঘন্টাখানেক চলার পর মঞ্চে স্পট লাইট, ফ্লাড লাইট ও ডিসকো লাইট সহ হরেক ধরনের ডজনখানেক লাইট জ্বলে উঠল। এরপর জীর্ণ মলিন ও জোড়াতালি দেয়া জিন্স প্যান্ট এবং ছেড়া খাটো টি-শার্ট পরনে এলোমেলো চুলের এক ভিক্ষুক হঠাৎ মঞ্চে উঠে মাইক্রোফোন হাতে নিল। বিষ্ময়ের ঘোর কাটতেই কেরামত শুনল এটা নাকি উপস্হাপক, কিন্তু পোশাক-আশাক দেখে তাকে ভিখারী মনে করবে যে কেউ। জোড়া-তালি দেয়া ছেঁড়া-ফাটা এসব কিম্ভুতকিমাকার রঙ-বেরঙ পোশাক নাকি হালফ্যাশনের অংশ! যাই হোক, উপস্হাপক (!) কনসার্ট শুরু করার ঘোষনা দিলেন, কিন্তু এতক্ষন দেরী করার কোন কৈফিয়ত দিলেননা। এরপর হঠাৎ জটা চুল, রং উঠা পুরনো ময়লা পোশাক, হাতে লোহার বালা ও গলায় ডুমুরের মালা পরা অদ্ভুত এক পাগল ষ্টেজে উঠে মাইক্রোফোন হাতে নিল। এতক্ষন পাগল মনে করলেও গান শুরু হওয়ার পর কেরামত বুঝল এটা আসলে শিল্পী ! জটা চুল, দীর্ঘদিন না ধোয়া ময়লা পোশাক, হাতে মাস্তানদের মত লোহার বালা, রং দেয়া লম্বা নখ ও গলায় আদিম মানুষের মত শুকনো ডুমুরের মালা না থাকলে নাকি আজকাল শিল্পী হওয়া যায়না। যাই হোক শিল্পী মহোদয় গান শুরু করলেন। গানের নামে উদ্ঘট চেঁচামেচি, ও চিল্লাফাল্লা। আর গানের কি ছিরি, বাজনার বিকট শব্দে গানের কোন কথাই বুঝা গেলনা। শুধু বাদ্যযন্ত্রের কানফাটানো তাল। এখানে অদ্ভুত একটা ব্যাপার হল, গানের বাজনার সাথে সাথে শিল্পী উৎকট অঙ্গভঙ্গির সাথে ব্যাঙের মত তিড়িং-বিড়িং করে লাফাচ্ছে, সাথে দর্শক-শ্রোতা একদল ছোকরাও ধেই ধেই করে নাচছে। কোমর দুলিয়ে, অঙ্গভঙ্গি করে সে কি বেশরম নাচ, দেখলেই ঘেন্না লাগে। কেরামত আলী সামনের দিকে থাকায় দেখল, তার চারপাশে সবাই নাচের নামে ফড়িংয়ের মত লাফাচ্ছে। তাদের নাচ দেখে গ্রামের বাড়ীর ছাগল ছানা দুটির কথা মনে পড়ল তার। ছানা দুটিও এভাবে তিড়িং তিড়িং করে লাফায়। কানফাটানো বিকট বাজনার সাথে নাচে অংশ না নেয়ায় তাকে সেকেলে ও গেঁয়ো বলে বিদ্রুপ করল কয়েকজন। সেকেলে ও গেঁয়ো অপবাদ থেকে বাঁচতে অবশেষে কেরামত নিজেও কয়েকটা লাফ দিয়ে দিল। গানের নামে অনেকক্ষন বেসুরো চিৎকারের পর প্রথম শিল্পী বেচারা হয়রান হয়ে নেমে গেলে হ্যাংলা-পাতলা একটা মহিলা শিল্পী মঞ্চে উঠে এল। মহিলার রুচি আছে বলতে হবে। পরিপাটি করে আঁচড়ানো ও পিঠে ছড়িয়ে রাখা লম্বা কালো চুল, কানে ছোট্ট এয়ারিং, মুখে মার্জিত মেক-আপ, ঠোঁটে হালকা লিপষ্টিক ও নেলপালিশ মিলিয়ে বেশ মার্জিত বেশভূষা তার। তবে পরনে জিন্সের টাইট প্যান্ট, সামান্য লম্বা ফতুয়া ও বেঢপ টাইপের সানগ্লাসটা একটু বেমানান ঠেকছে। কিন্তু গানের আগে মহিলা শিল্পী কথা শুরু করতেই ভূল ভাঙ্গল কেরামত আলীর। কন্ঠ শুনে বুঝল আসলে এটা পুরুষ, বেশভূষা দেখে যদিও মহিলা মনে করেছিল সে। আসলে এখনকার ছেলেদের রুচিবোধ দিন দিন কোথায় যে নেমে যাচ্ছে, এ নিয়ে আফসোস হল তার। পূরুষরা মেয়েদের আর মেয়েরা পুরুষদের বেশভূষায় সাজবে এখন এই যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। যাই হোক, দ্বিতীয় শিল্পী গান শুরু করার পর ষ্টেজে হঠাৎ মৃদু ধোঁয়া দেখা দিল। সেই ধোঁয়ার কুন্ডলী ক্রমে বিস্তৃতি লাভ করে গোটা মঞ্চকে আচ্ছন্ন করে ফেলল। তখন আগুন লেগেছে মনে করে চিৎকার শুরু করল কেরামত। ততক্ষনে নিজের অজান্তেই মোবাইল ফোনটা হাতে নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের নাম্বারে ফোন দিচ্ছিল সে। কিন্তু আশপাশের সকলকে স্বাভাবিক দেখে কেমন যেন খটকা লাগল তার। অবশেষে আয়োজকদের একজন তাকে বললেন, এ ধোঁয়া নাকি কৃত্রিম ধোঁয়া, ষ্মোক মেশিনের সাহায্যে সৃষ্ট। গানের সাথে ধোঁয়ার কি সম্পর্ক, তা বুঝতে পারলনা কেরামত আলী।

কনসার্টের শুরু থেকে উপস্হাপক-গায়কদের কিম্ভুতকিমাকার বেশভুষা, গানের নামে বিকট চিল্লাচিল্লি-লাফালাফি ও অন্যান্য দুর্বোধ্য কর্মকান্ডের পর এখন ধোঁয়ার ব্যাপারটা কেরামত আলীর মেজাজটাই বিগড়ে দিল। হাল আমলের এসব অসঙ্গতি ও অতি ফ্যাশনেবল হওয়ার অপসংস্কৃতিকে উপজীব্য করে নন্দিত উপস্হাপক হানিফ সংকেত নির্মিত “দূর্ঘট” নাটকের কথা মনে পড়ল তার।

কনসার্ট বাদ দিয়ে হোটেল থেকে বের হয়ে সৈকতে কিছুক্ষন পায়চারী করল কেরামত। এরপর বাসার দিকে হাঁটা শুরু করল সে। হাঁটতে হাঁটতে কালজয়ী অনেক বাংলা গানের কথা মনে পড়ল তার। শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহর কন্ঠে “একবার যেতে দেনা আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়”, সৈয়দ আব্দুল হাদীর কন্ঠে “এমনতো প্রেম হয় চেখের জলে কথা কয়”, “আমি কার জন্য পথ চেয়ে রব আমার কি দায় পড়েছে”, তুমি যে আমার কবিতা, শাকিলা জাফর ও তপন চৌধুরীর কন্ঠে “পাথরের পৃথিবীতে কাঁচের হৃদয় ভেঙ্গে যায় যাক তার করিনা ভয়”, “শুভ দা” ছবিতে সাবিনা ইয়াছমিনের কন্ঠে “শত জনমের স্বপ্ন তুমি আমার জীবনে এলে কত সাধনায় এমন ভাগ্য মিলে”, মাসুম ছবিতে রুনা লায়লার কন্ঠে “চোখের পানি কেন ফুরায়না মাগো”, অথবা এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া “জীবনের গল্প আছে বাকী অল্প” সহ এরকম হাজারো চিরসবুজ গানের কথা মনে পড়ে তার। চিরসবুজ ও জীবনমুখী এসব গান যুগের পর যুগ অমর হয়ে আছে রুচিশীল শ্রোতাদের কাছে। হাল আমলের ব্যান্ড যুগের শুরুতেও সৃষ্টি হয়েছে রুচিশীল অনেক গান। সোলস ব্যান্ডের তপন চৌধুরীর গাওয়া “মন শুধু মন ছুয়েছে”, পার্থ বড়ুয়ার কন্ঠে “কেন এই নিঃসঙ্গতা”, দাঁড়াও পথিক, এলআরবি’র আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া “ঘুমন্ত শহরে”, রূপালী গীটার, মাইলসের শাফিন আহমেদের কন্ঠে “ফিরিয়ে দাও”, জ্বালা, ঢাকা ব্যান্ডের মাকসুদের গাওয়া “বাংলাদেশ হতে পারে গরীবের দেশ”, নগর বাউলের জেমসের কন্ঠে “জেল থেকে বলছি”, মা ও দুঃখিনী দুঃখ করোনাসহ এরকম মেলোডিয়াস আরো ব্যান্ডসঙ্গীত এখনো শ্রোতাদের হৃদয়ে জেগে রয়েছে। ছাত্রজীবনে পছন্দের এসব গানের ক্যাসেটের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তুলেছিল কেরামত আলী। কিন্তু টেপরেকর্ডার-ওয়াকম্যান-ক্যাসেট যুগের পর এমপি ত্রি-সিডি-ডিভিডি ও পেনড্রাইভ যুগ পেরিয়ে এখন মেমোরি কার্ড-ইউ টিউব যুগে এসে একদশক আগের সেই ক্যাসেটগুলোর প্রয়োজন এখন নেই বললেই চলে। তার শখের সনি ব্র্যান্ডের ক্যাসেট প্লেয়ার ও অডিও ক্যাসেট গুলো এখন গ্রামের বাড়ীর ছোটদের অপ্রয়োজনীয় খেলনামাত্র। চিরসবুজ সব বাংলা গানগুলো এখন ইউটিউবে পাওয়া যায়। একান্ত অবসরে অথবা লংজার্নির সময় এসব গান শুনে নষ্টালজিক হয় কেরামত। আমাদের নিজস্ব কৃষ্টি ও সভ্যতার সোনালী ইতিহাসের স্বাক্ষী শ্রোতাপ্রিয় এরকম অনেক গান। কিন্তু এসব দুরে ঠেলে কি নিয়ে মগ্ন রয়েছে আমাদের তরুন প্রজন্মের ছাত্র-যুবকরা? গানের নামে, কনসার্টের নামে আজকাল কি হচ্ছে এসব ? কোথায় চলেছি আমরা ও আমাদের নবপ্রজন্ম? আর পোশাক-আশাকে নিজস্ব সংস্কৃতি বাদ দিয়ে উৎকট-উদ্ঘট কিম্ভুতকিমাকার এসব কি চলছে? নিজকেই প্রশ্ন করে কেরামত।

পাশ্চাত্যের আমদানী করা বিজাতীয় উৎকট সংস্কৃতি বাদ দিয়ে সর্বক্ষেত্রে আমাদের তরুনরা নিজস্ব গৌরবময় সোনালী কৃষ্টি-কালচার অনুসরন করবে, উৎসের সন্ধানে ফিরে আসবে। কেরামত আলী স্বপ্ন দেখে

==================
আতিকুর রহমান মানিক
ফিশারীজ কনসালটেন্ট ও সংবাদকর্মী।
ই মেইল [email protected]
মুঠোফোন ০১৮১৮-০০০২২০

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

এলাকার উন্নয়নই আমার স্বপ্ন -কাউন্সিলর সাহাব উদ্দিন সিকদার

শহীদ জাফর মাল্টিডিসিপ্লিনারী একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের ন্যায় বিচার কোথায়?

আইনগত ভিত্তি পেলেই ইভিএম ব্যবহার : সিইসি

খাগড়াছড়িতে ব্রিজ ভেঙে ট্রাক নদীতে, নিখোঁজ ১

সাগরে বৈরি আবহাওয়ার কবলে পড়ে ফিশিং ট্রলার ডুবি

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্তগণমাধ্যমের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে’

ফাইভ-জি মোবাইল নেটওয়ার্কে বিকিরণের ঝুঁকি বেশি?

রাখাইনে এখনো থামেনি সেনা ও মগের বর্বরতা

জাতীয় ঐক্য নিয়ে অস্বস্তিতে আ’লীগ

প্রধানমন্ত্রীর জাতিসঙ্ঘ সফরে প্রাধান্য পাচ্ছে রোহিঙ্গা ইস্যু

সাকা চৌধুরীর কবরের ‘শহীদ’ লেখা নামফলক অপসারণ করলো ছাত্রলীগ

তিন মাসের জন্য প্রত্যাহার আনোয়ার চৌধুরী

মনোনয়ন দৌড়ে শতাধিক ব্যবসায়ী

ফখরুল-মোশাররফ-মওদুদ যাচ্ছেন ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে

এবার ভারতের কাছেও শোচনীয় হার বাংলাদেশের

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষায় ২০০ কোটি টাকা অনুদান বিশ্বব্যাংকের

বিরোধীরা সব জায়গায় সমাবেশ করতে পারবে

চাকরি না পেয়ে সুইসাইড নোট লিখে খুবি ছাত্রের আত্মহত্যা

নবাগত এসপি মাসুদ হোসেনের চকরিয়া থানা পরিদর্শন