মোঃ ফরিদ:
শহরের নাজিরারটেকের তিনটি শুটকি মহালে অভিযান চালিয়ে শুটকিতে মেশানোর সময় বেশকিছু কীটনাশক জব্দ করা হয়। কীটনাশক মেশানোর কাছে নিয়োজিত এক মহালের মালিক ও তিনজনকে শ্রমিককে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন। মঙ্গলবার দুপুরে এই অভিযান চালানো হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, ক্ষতিকর কীটনাশকযুক্ত শুটকি উৎপাদনের অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত নাজিরারটেকে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের শুরুতে একটি মহাল থেকে বেশকিছু কীটনাশক জব্দ করা হয়। সেখান থেকে মো. ইদ্রিস (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি ওই মহালের মালিক। এর পাশে আব্দুল জব্বারের মালিকাধীন মহাল থেকেও কীটনাশক পাওয়া যায়। সেখানে শুটকিতে কীটনাশক মেশানোর কাজে নিয়োজিত শ্রমিক আবু ছিদ্দিককে (২০) আটক করা হয়। পরে ওই মহালের একটু দূরে অবস্থিত আব্দুল খালেকের মহাল থেকে কীটনাশক মেশানোর সময় শ্রমিক ফয়েজ উদ্দিন (১৯) ও আশরাফ আলীকে (২০) আটক করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনে নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) একেএম লুৎফুর রহমান। তিনি বলেন, নাজিরারটেকে কিছু অসাধু শুটকি উৎপাদনকারিরা কীটনাশক মিশিয়ে শুটকি উৎপাদন করছে। অভিযানে কীটনাশকসহ চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে মো. ইদ্রিসকে ১ বছর ও তিন শ্রমিক আবু ছিদ্দিক, ফয়েজ উদ্দিন ও আশরাফ আলীকে এক সপ্তাহ করে জেল দেওয়া হয়। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
অভিযানের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. আব্দুল আলীম, সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা ড. মইন উদ্দিন ও কোস্টট্রাষ্টের বিষমুক্ত শুটকি উৎপাদন প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান ইভান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •