প্রতিদিন ৩০০ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

বিদেশ ডেস্ক:
১৯৯২ সালের যৌথ ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন ৩০০ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নেওয়ার পরিকল্পনা করছে মিয়ানমার। এই প্রত্যাবাসন-প্রক্রিয়ায় যৌথ ঘোষণার চারটি প্রধান নীতি অনুযায়ী যাচাইয়ের পর রোহিঙ্গাদের ফেরত নেবে দেশটি। সোমবার ব্যাংককে নির্বাসিত মিয়ানমারের কয়েকজন সাংবাদিক পরিচালিত সংবাদমাধ্যম ইরাবতি এ খবর জানিয়েছে।

উখিয়ার বালুখালী এলাকায় রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী বসতি। ছবি: বাংলা ট্রিবিউন

মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব ইউ মুইন্ট কিয়াইং বলেন, প্রতিদিন একটি চেক পয়েন্টে প্রায় ১৫০ জনকে যাচাই-বাছাই করতে পারব।

এর আগে মিয়ানমার সরকার জানিয়েছিল, দু’টি চেক পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়া হবে। এই দু’টি চেক পয়েন্ট হলো টাউংপাইয়ো লেতই এবং নগা খু ইয়া গ্রাম। এরপর তাদের মংডু শহরের দার গিই জার গ্রামে পুনর্বাসিত করা হবে।

স্থায়ী সচিব জানান, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৯২ সালের যৌথ ঘোষণার কিছু অংশ সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যেন মিয়ানমারের বাসিন্দা হিসেবে প্রমাণ হাজির করতে পারা রোহিঙ্গা রাখাইনে ফিরতে পারে। তবে যৌথ ঘোষণার চারটি মূলনীতিতে কোনও পরিবর্তন করা হবে না।

এই চার মূলনীতির মধ্যে রয়েছে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে প্রমাণপত্র দিতে হবে, প্রত্যাবাসন হবে স্বেচ্ছামূলক, ক্যাম্পে জন্ম নেওয়া শিশুদের অভিভাবককে অবশ্যই মিয়ানমারে বাস করা ব্যক্তি হতে হবে, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক নিশ্চয়তা।

মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব আরও জানান, যৌথ ঘোষণার আওতায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার জন্য আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে। এই পদক্ষেপের মধ্যে থাকতে পারে যাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে চেক পয়েন্টে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া।

সচিব জানান, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে একটি সমঝোতা স্বাক্ষরের বিষয় নিয়ে উভয় দেশের আলোচনা চলছে।

আগস্টের শেষ দিকে রাখাইনে সেনা অভিযানের মুখে ছয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনযজ্ঞের অভিযোগ এনেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার ও সংস্থা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনেছে। তবে বাংলাদেশে পালিয়ে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নিয়ে জাতিসংঘ ও রাখাইনের রাজ্য সরকারের তথ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়।

এ বিষয়ে ইউ মুইন্ট কিয়াইং বলেন, সংখ্যা নিয়ে আমাদের বলার কিছু নেই। সংখ্যা যা-ই হোক মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে প্রমাণ দিতে না পারলে আমরা তাদের ফিরিয়ে আনব না।

সর্বশেষ সংবাদ

ইসলামাবাদে কবরস্থানের সীমানা প্রাচীর ভাংচুর- জনমনে ক্ষোভ

চার শতাধিক অসহায়কে শীতবস্ত্র দিলেন কুতুবদিয়া ইউএনও জিয়াউল হক মীর

চট্টগ্রামে নোয়াখালীর নুরুল আলম ছুরিকাঘাতে নিহত

কালারমারছড়ায় একরে আড়াই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ মূল্যের দাবিতে সভা

স্বপ্নজালের উদ্যোগে নাজিরারটেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক কর্মশালা

শনিবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

ব্রাজিল্টিনা মিনিবার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

রামুর ফতেখাঁরকুলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৪

কক্সবাজারে অবস্থানরত উত্তরবঙ্গবাসীর প্রীতি সমাবেশ

‘পেকুয়ায় রাস্তা কেটে ফসলি জমি তৈরী’- সংবাদের প্রতিবাদ

পেকুয়া আ.লীগে বাতিলকৃত কমিটির আত্মপ্রকাশ গঠনতন্ত্র ও সংগঠন বিরোধী

নতুন অফিস ব্লাড ডোনার’স সোসাইটির ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল

বৃহত্তর থিমছড়ি সামাজিক উন্নয়ন ফোরামের মেধা যাচাই ও বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

যারা ইসলামের ৫ স্তম্ভ মানে তারা আস্তিক- আল্লামা শফী

রামুতে ‘প্রজন্ম’৯৫ বৃত্তি পরীক্ষা’ অনুষ্ঠিত, ফল প্রকাশ

খুরুশকুলে মাটি লুটে বাধা দেয়ায় হামলা

কক্সবাজারে প্রথম ৮ বল পুল টুর্নামেন্টের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

হ্নীলা ইউনিয়ন আ’লীগের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

ঈদগাঁওতে অভিভাবক প্রার্থী শফিউলের উপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

এবার ভারতকে যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা