শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টার আরেক মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন

সিবিএন ডেস্ক:
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টার বিস্ফোরক আইনের মামলায় ১১ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

আজ রোববার বিকেলে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল কবির এ দিন ধার্য করেন। গত ১৬ অক্টোবর মামলার শুনানি শেষে এ দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন।

এর আগে এই মামলার হত্যাচেষ্টার জন্য দণ্ডবিধির দুটি ধারায় পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের অস্থায়ী এজলাসে একই বিচারক মো. জাহিদুল কবির ১১ জনকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডদেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তাঁদের ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, মিজানুর রহমান, মো. শাজাহান বালু, গাজী ইমাম হোসেন, গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, জাফর আহমেদ ও হুমায়ুন কবির ওরফে হুমায়ুন।

এ ছাড়া অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় হুমাউন কবির ওরফে কবিরকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসাতেই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

এ ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিতে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়।

পরবর্তী সময়ে মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ১১ জনকে অভিযুক্ত করে দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক আইনের দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলার আসামিরা হলেন—গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহমেদ ও এইচ কবির।

আসামিদের মধ্যে প্রথম চারজন কারাগারে, শেষের তিনজন পলাতক এবং অপর আসামিরা জামিনে রয়েছেন।

২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

নিউজার্সীর রাটগারস ইউনিভার্সিটিতে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

অলিক মহাশক্তির সন্ধানেই বাউলরা প্রেম ও বিশ্বাস নিয়ে মাজার সঙ্গীত গায়

শপথ নিলেন বিএনপির জাহিদুর

চকরিয়া উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী সাঈদী , ছুট্টো ও জেসি শপথ নিচ্ছেন

পানি নেওয়ায় মহিলাকে পেটালেন মাদ্রাসা শিক্ষক (ভিডিও)

শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে শিক্ষকদের ধূমপানে নিষেধাজ্ঞা, পুরস্কারে বন্ধ ক্রোকারিজ

চৌধুরী পাড়া রাখাইন পল্লীতে বিরল প্রজাতির প্রাণী উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রতিপক্ষের হামলায় উখিয়ার যুবক খুন

মোমবাতির আগুনে পুড়লো ৪টি বসতবাড়ি : ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সড়কে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ

হোটেল সীগালে অগ্নি প্রতিরোধ, নির্বাপন ও চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

নাইক্ষ্যংছড়িতে ৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন বীর বাহাদুর

প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখেই ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে পড়েন প্রেমিকা

‘২ বছরের মধ্যে কুতুবদিয়ায় জাতীয় গ্রীড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে’

ঈদগাঁওতে যুবলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

সুপারবাগ: বাংলাদেশে আইসিইউ-তে রোগী মৃত্যুর বড় কারণ!

৪০ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রথম স্থান অর্জন

পান-সিগারেট খেয়ে ক্লাসে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা

যুবলীগ নেতাসহ দুই যুবককে ছুরিকাঘাত করলো কেরুনতলীর সন্ত্রাসীরা

বনানী কবরস্থানে জায়ানের দাফন সম্পন্ন