১৮ দিন পর এমপি বদি কারামুক্ত, জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা

mp-bodi-5.jpg

ইমাম খাইর, সিবিএন:
সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে উচ্চ আদালতের দেয়া ৩ বছরের সাজায় ১৮দিন পর কারামুক্ত হয়েছেন ককক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদি।
রবিবার (২০ নভেম্বর) রাত ৮ টার দিকে গাজিপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে তিনি মুক্তিপান।
জামিনে মুক্ত হয়েই নিজ নির্বাচনী এলাকা উখিয়া-টেকনাফের জনগনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এমপি বদি।
তিনি মুঠোফোনে কক্সবাজার নিউজ ডট কম (সিবিএন)কে জানিয়েছেন, ‘উখিয়া টেকনাফের জনগন আমার প্রতি যে ভালোবাসা দেখিয়েছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’
এ সময় তিনি কয়েক দিনের মধ্যেই উখিয়া টেকনাফের প্রতিটি এলাকায় জনগনের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য আসবেন বলেও জানান।
সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের মামলায় গত ২ নভেম্বর সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকে ৩ বছরের কারাদন্ড দেয় বিচারক আবু আহম্মদ জমাদার।
একই সময় ১০ লাখটাকা অর্থদন্ডও করা হয়। অনাদায়ে আরও তিনমাসের কারাদন্ডাদেশ ছিল বদির বিরুদ্ধে।
১০ নভেম্বর দুর্নীতির মামলায় ৩ বছরের কারাদন্ডের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন এমপি আবদুর রহমান বদি।
১৬ নভেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মোঃ রুহুল কুদ্দুসের একক আদালত এমপি বদিকে ৬ মাসের আগাম জামিন দেয়। একই সাথে নি¤œ আদালতে বদিকে দেয় ১০ লাখ টাকা জরিমানাও স্থগিত করেন।
এরপর হাইকোর্টের রায়ের বাদির জামিন বাতিলের জন্য সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের চেম্বারে আপিল করে দুদক।
দুদকের করা আবেদনের ওপর ‘নো-অর্ডার’ দেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।
ফলে আইন অনুযায়ী হাইকোর্টের দেয়া এমপি বদির জামিন বহাল থাকে।
রবিবার বিকেলে বদির জামিনে কপি কাশিমপুর কারাগারে পৌছালে আইনী প্রক্রিয়া শেষে বদি মুক্তি লাভ করেন।
২০১৪ সালের ২১ আগস্ট এমপি আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলাটি করেন দুদকের উপ-পরিচালক আবদুস সোবহান।
জ্ঞাত আয়বহির্ভুত স¤পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে এমপি বদির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট বদির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।
এদিকে এমপি আবদুর রহমান বদির কারামুক্তির সংবাদে স্বস্থি ফিরে এসেছে উখিয়া-টেকনাফবাসীর। বদির নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্থি বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
উখিয়া-টেকনাফে ব্যাপক আনন্দ উল্লাস করছে বদি সমর্থকেরা।

Top