সাংবাদিকেরা আর কত নির্যাতন সইলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে?

fm-suman.jpg

এফ এম সুমন:
সাংবাদিক মানে জাতির কন্ঠস্বর।কৃষক যেমন রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ফসল উতপাদন করে,ঠিক তেমনি নিজেরা তাদের জীবনের ঝুকি থাকা স্বর্থে ও সমাজের অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচন করে দেশ ও জাতির কাছে।শুধু তাই নয় তারা নিজেদের পরিশ্রমে চেষ্টা করে সমাজের অপরাধ অনিয়ম তুলে ধরতে।ফলে সমাজ অনেকটাই উন্নত হয় মানুষ তাদের নিজেদের অধিকার ফিরে পায় বা অধিকার আদায়ে সোচ্চার হন।কিন্তু তাতে কি পান সাংবাদিকেরা। শুধু জনতার সাধুবাদ ও নিজের সামান্য স্বস্তি।একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে কোন এলাকায় একটা বড় ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে এইসময় সাধারণত পাবলিক কি করবে? তারা নিজেদের জীবন রক্ষার্থে স্থান ত্যাগ করবে কিন্তু সেই জায়গায় একজন সাংবাদিক কি করবে সে কিন্তু স্থান ত্যাগ করবে না। সে চেষ্টা করবে একটি সংবাদ তৈরি করতে কিন্তু অপরাধী সাংবাদিক দেখে অপরাধ করবে না। কিন্তু আজকাল তা ভিন্ন চেহেরা দেখা যাচ্ছে কোন অপরাধীর চিত্র তুলতে গেলে সাংবাদিকদের হামলা করা হয়। শুধু তাই নয় সাংবাদিকেরা তাদের জীবন ও দিয়ে দিতে হচ্ছে।সম্প্রতি রাজধানী সোয়ারিঘাটে যমুনা টিভির সিনিয়র রিপোর্টার শাকিল হাছান ও ক্যামেরা পার্সন শাহিন আলম কে অবৈধ পলিথিন কারখানার মালিক কতৃক কেরোসিন দিয়ে তাদের পুড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা সাংবাদিক নিরাপত্তা নিয়ে আরেকবার ভাবিয়ে তুলেছে।কিন্তু এভাবে আর কত দিন যেখানে সাগর রুনি হত্যাকাণ্ডের এখনো অপরাধীরা ধরাচোয়ার বাইরে।টেকনাফে ৫সাংবাদিক কে পিটিয়ে আহত করেছিল ইয়াবা ব্যাবসায়ী।এই ছাড়া দিন দিন সাংবাদিক নির্যাতনের অসংখ্য নজির সৃষ্টি হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে সমাজ একদিন দুর্বৃত্তের হাতে চলে যাবে।শুধু তাই নয় গনমাধ্যম ও যাবে  হুমকির মুখে। কাজেই এখনই সরকার বা বেসরকারি ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়।  আসুন যার যার অবস্থান থেকে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা জোরদার করি।সাংবাদিকদের নিরাপত্তা জোরদার হলে অবশ্যই দেশ উন্নত হবে মানুষের অধিকার রক্ষা পাবে। প্রিয় মাতৃভুমি সোনার বাংলা আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।

লেখক এফ এম সুমন
সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী
fmsomun@gmail.com

Top