সমাপ্তির পথে টেকনাফ-মিয়ানমার ট্রানজিট জেটি নির্মাণ কাজ

jeti-Teknaf-pic-15.11.16.jpg

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ:
টেকনাফ ট্রানজিট জেটির নির্মাণ কাজ সমাপ্তির পথে। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হলেও বর্তমানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এটি নির্মিত হলে টেকনাফ পর্যটন শহরের চেহারা পাল্টে যাবে। দু’দেশের ট্রানজিট যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অবসান ঘটবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে এলবিসি প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ মিয়ানমার ট্রানজিট ৫৫০ মিটার জেটির কাজ শুরু হয়। কাজটি বাস্তবায়ন করছেন দেশের স্বনামধন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স উন্নয়ন ইন্টারন্যাশনাল লিঃ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ট্কেনাফ এলজিইডির তদারকিতে নির্মান কাজ চলছে। এতে ব্যয় হচ্ছে ৩২ কোটি টাকা। নির্মাণ কাজের বর্তমান অগ্রগতি ৯৫% শতাংশ। বাকি কাজ ২০১৭ সালের জানুয়ারী নাগাদ শেষ হবে বলে টেকনাফ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আবসার উদ্দীন জানান। শুরু থেকেই কাজের তদারকিতে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন। জেটির মুল নির্মাণ কাজ শেষ হলেও জেটিতে উঠানামা করার জন্য ল্যাল্ডিং স্লাব এবং ল্যান্ডিং পার্কিং এরিয়ার কাজ এখনো শেষ হয়নি। জেটির ২২২টি পাইলিং এর মধ্যে ২১৫টি পাইলিং এর কাজ শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট ৭টি পাইলিং এর কাজ শীগ্রই শেষে হবে।

১৫ নভেম্বর সকাল ১১টায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার ট্রানজিট জেটির অগ্রগতি সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় জেটিতে উঠানামা করার ল্যান্ডিং স্লাবে ঢালাই কাজ চলছে। এসময় সিনিয়র কনসালডেটন্ট মামুনুর রশিদ, টেকনাফ উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার মিলি, মেসার্স উন্নয়ন ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার নেজাম উদ্দীন কুতুবী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরীপাড়াস্থ নাফনদীর তীরে বাংলাদেশ মিয়ানমার ট্রানজিট জেটি স্থাপনে স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদির বিশেষ অবদান রয়েছে। নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যে এটি ছিল তাঁর অন্যতম। নির্মাণাধীন এই জেটি এবং নাফ-নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন বিকালে শত শত দেশী ও বিদেশী পর্যটক সমাগম ঘটে। এর মধ্যে নারী দর্শনার্থীর সংখ্যাই বেশী।

Top