শহরে ইয়াবা তৈরির কারখানা!

Yaba-factory_1.jpg

ইয়াবা তৈরির কারখানা। ফাইল ছবি।

জামাল জাহেদ, কক্সবাজার:
কক্সবাজার শহরের গোপন জায়গায় ইয়াবা তৈরীর কারখানা বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। একাজে একটি সিন্ডিকেট তৎপর হয়ে ওঠেছে। সিন্টিকেট দলটি টার্গেট করেছে প্রতি ঘন্টায় ৬৫ হাজার পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরি করবে ককসবাজারে তাদের গোপন কারখানায় এমন তৎপরতা নিয়ে মাঠে নেমেছে দলটি। এমন তথ্য জানিয়েছে টেকনাফে কন্জুমার কোম্পানীতে চাকরি করা কয়েক যুবক।

তাদের ভাষ্য, ইতিমধ্যে দলটি ইয়াবা তৈরির কাচামাল ও যন্ত্র নিয়ে ইয়াবা উৎপাদনের কারখানা গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে শহরে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক চাকরিজীবী জানান,সিন্টিকেট দলটি বিভিন্ন সেমাই বা কনফেকশনারী কারখানার আড়ালে তাদের অবৈধ ব্যবসার পায়তারা শুরু করছে।

চক্রটি নিরাপদ জায়গা হিসাবে বেচে নিতে পারে পাহাড়ী এলাকা বা শহরের কাছাকাছি কোন গোপন মহল্লায়। আর এসব তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটি ধরতে মাঠে নেমেছে শহরের গোয়েন্দা সঃস্থার লোকেরা। ককসবাজার শহরের দীর্ঘদিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এসব মাদক পাচারকারীদের গ্রেফতার করলেও এখনো পর্যন্ত শহরের কোন কারখানা তাদের নজরে আসেনি।

অত্যন্ত সুকৌশলে এসব অবৈধ মাদক তৈরির কারখানা পরিচালিত হচ্ছে বলে অনেকে দাবি করেন। ইয়াবা তৈরির প্রধান উপকরণ এমফিটামিন সহ বিভিন্ন ক্যামিকেল, ইয়াবা তৈরির কাছে ব্যবহৃত কম্প্রসার, মোটর, মিক্সচার মেশিন সহ অসংখ্য যন্ত্রপাতি শহরে জমা করেছে বলে গোপন সুত্রে জানা যায়।

বর্তমানে জেলার আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিসহ বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এসব কৌশল পাল্টাছে বলে জানা যায়। এখন সীমান্তের ওপার বা টেকনাফ সীমান্ত থেকে ইয়াবার চালান না এনে কাঁচামাল, ইয়াবা উৎপাদনের বিশেষ মেশিন ও সরন্জাম আনছে। শহরের আবাসিক কোন না কোন বাসা ভাড়া নিয়ে ও একাজ পরিচালনা করতে পারে ধারনা করেন সচেতনমহলের একটি অংশ।

বিভিন্ন এলাকায় তাদের গোপন এজেন্টদের দিয়ে যেকোন সময় মাদকের বড় চালান পাচারের সম্ভবনা রয়েছে জানান প্রাপ্ত খবরে। এ বিষয়ে ককসবাজার শহরের সব আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহবান করেন সকলে।

Top