লামায় স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

rape_1.jpg

মো. নুরুল করিম আরমান, লামা:
বান্দরবানের লামা উপজেলায় বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি পাগলীর আগা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে আবদুল্লাহ আল নোমান নয়ন (২০) নামের এক যুবকসহ চার জনের বিরুদ্ধে লামা থানায় মামলা করেছেন। আবদুল্লাহ আল নোমান নয়ন ফাঁসিয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নাছির উদ্দিনের ছেলে।

থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ নভেম্বর শনিবার সকালে ফাঁসিয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাছির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান নয়ন একা পেয়ে ছুরির ভয় দেখিয়ে ছাত্রীকে দুর্গম পাহাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে জোর করে তাকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে নয়ন। রাতে মেয়েটির জ্ঞান ফিরে আসলে ধর্ষক নয়ন মেয়েটিকে জোর করে বগাইছড়িস্থ তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানেও আটকে রেখে স্কুল ছাত্রীটিকে দুই দিন ধরে ধর্ষণ করে নয়ন। পরে মঙ্গলবার দিবাগত রাত নয়টার দিকে পাগলীর আগা এলাকার ডালডা বাগানে মেয়েটিকে ফেলে রেখে যায়। বাগানের ম্যানেজার মোতাহের হোসেন মেয়েটিকে বাগানে পড়ে থাকতে দেখে তার বাবা মা‘কে খবর দেন। বাবা-মা আসতে বিলম্ব হওয়ায় বুধবার সকালে বাগান ম্যানেজার নিজেই স্থানীয় ভিডিপি জাফর আলমের মাধ্যমে ছাত্রীকে তার মা-বাবার কাছে পৌঁছে দেন।

এই ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে লামা থানায় আবদুল্লাহ আল নোমান নয়নসহ তিন জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা তিন জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আবু মো. যায়েদ নূর জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Top