লামায় দা বাহীনির কোপে আহত ১০ : ইউপি মেম্বার লাঞ্চিত

lama.jpg

মনির আহমদ, চকরিয়া :

পার্বত্য লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে বার্মাইয়া লালু বাহীনির নেতৃত্বাধীন আলোচিত দা বাহিনীর দুই দফা হামলায় এক গৃহবধু ও তার স্কুল পড়ুয়া কিশোরী মেয়ে সহ ১০জন আহত হয়েছে। বসতঘরে ভাংচুর চালিয়ে ৫০হাজার টাকার মালামাল লুট করেছে।বাধা দেয়ার চেষ্টা করায় লাঞ্চিত হয়েছে স্থানীয় ইউপি মেম্বার । খবর পেয়ে ফাইতং ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জমি জবর দখলকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার উৎপত্তি বলে জানিয়েছে পুলিশ। আহত মা ও মেয়েকে চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১৬নভেম্বর সকাল ৯টায় ও দুপুর ১টায় দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে জানাযায়,ফাইতং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের কাছ থেকে স্থানীয় অসহায় মামুনকে বুড়ির চিকন ঘোনা নামক এলাকায় এক খন্ড জমি ক্রয় করে দীর্ঘ এক যুগ ধরে গাছ পালা সৃজন পূর্বক বসবাস করে আসছিল। গাছ পালা বড় হওয়ায় উক্ত ভিটের উপর কূ-দৃষ্টি পড়ে স্থানীয় মৃত বর্মাইয়া আমির হোছনের পুত্র ও দা বাহীনি প্রধান লালুর। ছলেবলে জমিটি দখলের চষ্টায় দা বাহীনির ২০/৩০ জনের একদল সন্ত্রাসী নিয়ে গতকাল ১৬ নভেম্বর সকালে মামুনের বাড়ীতে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা টিনের চালা বিশিষ্ট কাঁচা ঘরটি ভাংচুর করে। বাধা দেয়ায় মামুনের স্ত্রী আয়েশা খাতুন (৩০) তার স্কুল পড়ুয়া কিশোরী মেয়ে হুমায়রা কে দা দিয়ে কুপিয়ে বসতঘর থেকে বাহির করে দিয়ে সন্ত্রাসীদের একদল মালামাল লুট করতে থাকে আরেক দল বাড়ীভিটের মুল্যবান গাছ কেটে লুটতরাজ চালাচ্ছিল। ঘটনার খবর পেয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাষ্টার রুহুল আমিনের নির্দেশে স্থানীয় ইউপি মেম্বার সরওয়ার এবং,ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০/১২ জন লোক আহত মহিলাদের উদ্ধার করতে গেলে তারা ও লালু বাহীনির হামলার স্বীকার হন এ সময় সন্ত্রাসীরা মেম্বার সহ ৮/৯জন লোককে ঘেরাও করে মারধর সহ শারীরিক ও মানসিক ভাবে লাঞ্চিত করে ঘেরাও করে রাখে। লালু বাহিনীর হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে লামা থানায় ফোন করে সাহায্য চাইলে দূপুর ১টার দিকে ফাইতং ফাঁড়ীর আইসি হুমায়ুন সংগীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। লালু বাহিনীর হামলায় মামুনের স্ত্রী- কন্যা ছাড়াও স্থানীয় আব্দুল খালেক (৫৫) সহ অন্তত ১০জন কম বেশী আহত হয়েছে। আহতদের চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে প্রেরন করেছে। দূর্গম এলাকা হওয়ায় পুলিশ চলে আসার পর শেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত ওই এলাকাটি লালু বাহীনির নিয়ন্ত্রনে রয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের আশংকা বিরাজ করছে।

 

Top