মেজর জিয়া ৭ নভেম্বর সেনা হত্যাকান্ডে জড়িত ছিল : রেজাউল করিম

rejaul-karim.jpg

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা রেজাউল করিম জেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় জেলা কৃষকলীগ আজ সোমবার এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করে। সংবর্ধিত অতিথি জননেতা রেজাউল করিম বলেন ছাত্র রাজনীতিতে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব্যে দিয়ে তিনি ৯০ এর রাজপথ কাঁপানো ছাত্রনেতাদের অন্যতম বলে দাবী করেন, তিনি বলেন তারপর কৃষকলীগের সাথে ২৫ বছর ধরে কৃষকের স্বার্থে কথা বলেছেন, আন্দোলন করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্যে সারাদেশে সংগঠনের জন্য কাজ করেছেন। নেতাকর্মীদের উদ্যোশ্যে বলেন জেলাব্যাপি বিশাল এই কর্মী বাহিনী তার শক্তি সব সময় তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্র“তি দেন। তার বক্তৃতায় ৭ নভেম্বর স্বাধীনতা বিরোধী ও রাজাকার আলবদরের আনন্দের দিন বলে উল্লেখ করে বলেন মেজর জিয়া ঐদিন সেনা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। বিপ্লবের নামে ধোকাবাজি করেছেন, গণতন্ত্র মানবিক মৌলিক অধিকার হরণ করেছিল।

কক্সবাজার জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা সভাপতি রশিদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা ও বর্ধিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক তরুণ জননেতা আতিক উদ্দীন চৌধুরী, সহ-সভাপতি নুরুচ্ছফা ছিদ্দিক, মাষ্টার বজল করিম, এম.এ হাশেম, রফিক উদ্দীন, এড. মোস্তাক আহমদ, আনিসুল হক চৌধুরী, আকতার উদ্দীন টুনু, সঞ্জিত চক্রবর্তী, জসিম উদ্দীন চেয়ারম্যান, এডভোকেট আবদুর রহিম, এরশাদুজ্জামান সুমন, রশিদ আহমদ পেকুয়া, আবু ছালেহ, দেলোয়ার হোসেন, সালাহ উদ্দীন, হাছন আলী, আবুল হোসেন রাজু, তাসহিদ চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল ফারুক লুটাস, মানবাধিকার কর্মী দেলোয়ার হোসেন, নাছির উদ্দীন, শামশুল আলম, আমির হামজা, জসিম উদ্দীন, ফরিদুল আলম, সালাহ উদ্দীন মেম্বার, মোজাম্মেল হক, দিনেশ বড়–য়া, সোহরাব চৌধুরী প্রমুখ।

সংবর্ধিত অতিথি জননেতা রেজাউল করিম সভাস্থলে এসে পৌছলে জেলা কৃষকলীগ ও বিভিন্ন উপজেলা কৃষকলীগের পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং ব্যাপক ভাবে সংবর্ধনা জানানো হয়। পরবর্তী জেলা কৃষকলীগের বর্ধিত সভায় মহান বিজয়ের মাস উৎসবের সাথে পালনের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ১১ জানুয়ারী’১৭ইং কক্সবাজার জেলা সম্মেলনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

Top