মিয়ানমারের সহিংসতায় আতঙ্কে টেকনাফ সীমান্তবর্তী জেলেরা

cox-fisher.jpg

আরিফুর রহমান: মিয়ানমারের সহিংসতার কারণে বঙ্গোপসাগর ও নাফ নদীতে মাছ ধরতে যাচ্ছেন না টেকনাফের জেলেরা। এছাড়া চলতি মাসে তিন দফায় বাংলাদেশি ১২ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি। ফলে চরম আতঙ্কে ও দুর্দশায় দিন কাটছে জেলে পরিবারগুলোর। তবে বিজিবি বলছে, আটক জেলেদের ফিরিতে আনতে মিয়ানমারের সাথে আলাপ চলছে।
বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্তের নাফ নদী। যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার জেলে নৌকা নিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত থাকতেন। কিন্তু বর্তমানে মিয়ানমারের সহিংসতার কারণে বন্ধ রয়েছে মাছ শিকার। ফলে ঘাটে নোঙর করা আছে শতাধিক নৌকা। জেলেরা বেড়িবাঁধের ওপর বসে অলস সময় পার করছেন। তাঁদের চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ।
গত ৩, ৯ ও ১১ নভেম্বর নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন উপকূল থেকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশি ১২ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জেলে পল্লিতে বিরাজ করছে আতঙ্ক। ফলে মাছ ধরতে নাফ নদী ও সাগরে নামছেন না তারা।
স্থানীয় জেলেরা জানান, নদীতে মাছ ধরার সময় নাসাকা বাহিনী তাদের ধরে নিয়ে ক্যাম্পে আটকে রেখে পরিবারের লোকজনের কাছে টাকা পাঠাতে বলে।
নাফ নদী ও সাগরে মাছ শিকার এবং মিয়ানমারে আটক বাংলাদেশি ১২ জেলেকে ফিরিয়ে আনতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সহযোগিতা কামনা করেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ।
তবে বিজিবি’র টেকনাফ, ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু জার আল জাহিদ জানালেন, আটক বাংলাদেশি জেলেদের ফিরিতে আনতে মিয়ানমারের সাথে আলাপ চলছে।
তিনি বলেন, ‘তারা যেনো আইনগত বিষয়গুলো দেখে আমাদের জেলেদের স্বল্প সময়ের মধ্যে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয় সেজন্য আলোচনা চলছে।’
জেলা মৎস্য কর্মকর্তার দেয়া তথ্য মতে, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনের ১০ হাজারের অধিক জেলে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন উপকূলে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে।
সময় টিভি

Top