`মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিও ভাই’

Shamsul-Haq-Sareq-Pic-00.jpg

মুহাম্মদ শামসুল হক শারেক:
সারাজীবন আল্লাহ ও তাঁর রসূল স: নির্দেশিত পথে না চলে মসজিদের পাশে কবর হলে কবর আযাব মাফ হবে কিনা জানিনা। পরকালে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরোধিতা করার শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে কিনা। মুসল্লিদের দোয়ার বদৌলতে হয়ত সে সুযোগ পাওয়াও যেতে পারে। বিভিন্ন মনিষীদের কবর মসজিদের পাশে হওয়ায় হয়ত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামও সেই আকাঙ্খাই প্রকাশ করেছিলেন। ‘মসজিদেরি পাশে আমায় কবর দিও ভাই, যেন গোরে থেকেও মুয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই। আমার গোরের পাশ দিয়ে ভাই নামাজিরা যাবে, পবিত্র সেই পায়ের ধ্বনি বান্দা শুনতে পাবে।…..

আরবি এক কবির ভাষায় `তায়াসির রাসূলা অতুজহিরু হুব্বাহু’ তোমরা রসূল সঃ এর বিরোধিতা করছ, অথচ গলাফাটিয়ে রসূল প্রেমের কথা বলছ। কিছু কিছু লোক সেরকম সারাবছর ইসলামী জীবন ধারার কোন তোয়াক্কা না করলেও বিশ্বনবী সঃ এর জন্মস্মৃতি বিজড়িত রবিউল আউয়াল মাস এলেই তারা বেশী নবী প্রেমিক সাজতে চেষ্টা করে থাকেন। তারা ১২ রবিউল আউয়ালে শুধু বড় বড় মিছিল, জুলুস ও মিলাদ মাহফিল করে নবী প্রেমের প্রমাণ দিতে চান। পটিয়া মাদ্রাসার আশপাশেও ১২ রবিউল আউয়ালে এরকম অনেক অনুষ্ঠান হতো। বিশ্বনবী সঃ এর জন্ম ও ওফাত দিবসে মাদ্রাসায় কোন আলাদা মাহফিলের আয়োজন না থাকাটা বেমানান লাগত তাদের। পার্শ্ববর্তী কিছু মানুষ এ বিষয়ে মাদ্রাসার বদনাম করার চেষ্টা করতেও ভুলত না। যদিও বিশ্বনবী সঃ এর আর্দশ অনুশীলন, অনুসরণ এবং শিক্ষা দানের কাজই চলছে এই মাদ্রাসায়।

বিষয়টি আমরা বুঝতে পেরে একবার ১২ রবিউল আউয়াল, মাদ্রাসার দারুল হাদিসে সিরাতুন্নবী সঃ মাহফিলের আয়োজন করেছিলাম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আল্লামা সোলতান যাউক নদভী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদ্রাসার অন্যতম মেধাবী শিক্ষক এবং ফলসাফী আল্লামা ক্বারী ইলিয়াছ সাহেব। এ উপলক্ষ্যে আমরা হাতের লেখা পোষ্টারও সেঁটেছিলাম মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে এবং বাইরের দেয়ালে দেয়ালে।

সম্প্রতি এক শ্রেণীর নাস্তিক ব্লগারদের দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েগেছে। খেয়ে না খেয়ে তারা মহাপবিত্র আত্মা নবী রসুলদের চরিত্র হননে লেখালেখি ও প্রচারণা চালিয়ে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। আমি মনেকরি কোরআন-হাদিস ও ইসলামী জ্ঞানের অভাবে তারা বিপথে যাচ্ছে। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে ইসলাম বিরোধী শক্তি পরিকল্পিতভাবে আমাদের যুব সমাজকে ওই বিভ্রান্তির পথে ঠেলে দিচ্ছে তাও অবাস্তব নয়। যুব সমাজকে বিভ্রান্তি থেকে ফেরাতে ইসলাম প্রচারকদের যথেষ্ট ভূমিকা আছে বলে আমি মনেকরি।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সুরায়ে আম্বিয়ার ১০৭ নং আয়াতে বলেন ‘হে নবী আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করা হয়েছে’। তাই মুহাম্মদ সঃ কোন দেশ, জাতি, গোষ্ঠী-গোত্রের বা নির্দিষ্ট কোন সময়ের নবী নন। তিনি সর্বকালের সকল মানুষের শেষ এবং শ্রেষ্ঠ নবী। এমনকি গোটা সৃষ্টি জগতের জন্যও তিনি রহমত। আল কুরআনের সুরায়ে আল আহযাবের ২১ নং আয়াতে বলা হয়েছে ‘তোমাদের জন্য বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ সঃ হচ্ছেন সর্বোত্তম আদর্শ’। আবু হুরাইরা রঃ থেকে বর্ণিত রসুল সঃ বলেছেন ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ খাঁটি মোমেন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি (মুহাম্মদ) ওই ব্যক্তির কাছে তার মাতা-পিতা, সন্তান-সন্ততি এবং পৃথিবীর সকল মানুষের চেয়েও ভালবাসার পাত্র হবনা’।

কিছু দিনের জন্য মাদ্রাসা ক্যাম্পাসের উত্তর পূর্ব কোনার নতুন ভবনের ছাত্রাবাসে থাকতেন আল্লামা সোলতান যাউক। তখনো আলাদা শিক্ষক নিবাস হয়নি। হুজুরের জন্য বরাদ্দ দেয়া বড়সড় রুমে থাকতাম আমি আর ক্বাজী দ্বীন মুহাম্মদ (বর্তমানে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাষ্টিবোর্ডের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী)। আমি ভাত তরকারী রান্না করেই খেতাম সেখানে। কোন সময় মাদ্রাসা হোষ্টেল থেকে হুজুরের জন্য দেয়া খাবার গুলোর মান তেমন ভাল না হলে আমার রান্না করা খাবার গুলো হুজুরের খেদমতে পেশ করে খুবই তৃপ্তি পেতাম। হুজুরকে দেখেছি খুবই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং সহজ সরলভাবে জীবন যাপন করতে। কোন সময় কাঁটাওয়ালা মাছের তরকারী হলে ওগুলো খেয়ে সময় নষ্ট করা তিনি পছন্দ করতেন না। প্রায় সময় দেখতাম যাউক সাহেব হুজুর শেষ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে মহান রবের দরবারে মোনাজাত করতে। তখন হুজুরের দেখাদেখি তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত হলেও এখন মাঝে মধ্যে পড়তে পারিনা বলে দুঃখ লাগে।

ফজরের আজান হলে তিনি আমাদের ডেকে দিতেন। আরবি, উর্দু-ফার্সিতে যাউক সাহেব হুজুর রচিত কবিতা সমগ্র ‘কুল্লিয়াতে’ যাউক খুবই আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। যাউক সাহেব হুজুরের লেখা অরো অনেক গ্রন্থ বাজারে আছে। মদিনা শরীফ জিয়ারতে গিয়ে রসূলে পাক সঃ এর শানে লেখা কুল্লিয়াতে যাউকের কয়েকটি চরণ এখনো আমার মনে পড়ে-গুলশানে তাইবা তেরে সরবে খরামাকো সালাম, তেরে হার গুলকো তেরে খারে মুগিলাঁকো সালাম। রওনকে গুম্বিদে আখজারপে ফেদা কলবঅ জিগর, মুসনদ আরায়ে মদিনা শাহে জিশাঁকো সালাম।

একবার মাদ্রাসা হোস্টেলে থাকার সময়ই জ্বিনের খপ্পরে পড়ে আমি রোগাক্রান্ত হলাম। শুনতাম অনেক জ্বিন সন্তান নাকি সেখানে পড়া লেখা করতো। অবশ্য জ্বিনের উপদ্রবটি আমার উপর আগে থেকেই ছিল। মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতি মাওলানা মোজাফফর আহমদ হুজুর এক জগ পানি পড়া আর একটি তাবিজ দিয়ে সে উপদ্রব তাড়িয়েছিলেন। যে তাবিজটি হুজুর দিয়েছিলেন সেটি এক দু’দিন কোথাও হারিয়ে যেত আবার পেয়ে যেতাম। সেই রহস্য আমার এখনো বুঝে আসে না।

এখন থেকে বছর তিনেক আগে আমরা কয়েকজন সাংবাদিক বন্ধু মিলে চট্টগ্রামে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলাম। ফেরার পথে আমরা গিয়েছিলাম পটিয়া আল জামেয়া ইসলামিয়া দেখতে। সেদিনও আমার পরম শ্রদ্ধেয় ওস্তাদ মাওলানা আমিনুল হক আমাদের সাদরে স্বাগত জানিয়েছিলেন। আমরা সেখানে যখন পৌঁছি তখন মাগরিবের সময় বেশী দেরী ছিলনা। তাই ক্যাম্পাসের প্রধান মসজিদেই আমরা মাগরিব নামাজ আদায় করলাম। আমার মোবাইলের রিংটোন আগে থেকেই বন্ধ ছিল। নামাজ শেষে আমি কবর জিয়ারত করে ফিরতে ফিরতে বন্ধুরা বলাবলি করছিলেন-মসজিদে ঢোকার আগে তাদের কারো মোবইল নাকি বন্ধ করা হয়নি। অথচ মসজিদের ভেতরে এমনিতেই মোবাইল বন্ধ হয়ে যায়। আবার মসজিদ থেকে বের হতেই একইভাবে অন হয়ে যায়। তারা এনিয়ে ভেবে কুল পাচ্ছিল না। আমি বললাম মসজিদের সাথেই আল্লাহর অলীরা শুয়ে আছেন। হতে পারে এটি তাঁদের কারামত। সে দিনের আন্তরিকতাপূর্ণ আতিথেয়তা ও মসজিদে মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা আমার সহপাঠী বন্ধুরা এখনো স্মরণ করে থাকেন।

‘মসজিদেরি পাশে আমায় কবর দিও ভাই, যেন গোরে থেকেও মুয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই’। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেই আকাঙ্খায় হয়ত তাঁর কবর হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে। এই রকম হয়ত কামনা ছিল জামেয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও এর পরিচালক বুর্জগদের যে, জামেয়া ক্যাম্পাসেই তাঁরা চির নিদ্রায় শায়িত থাকতে চান। ক্যাম্পাসের প্রধান মসজিদের পাশের কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত আছেন মুফতি আজিজুল হক সাহেব হুজুর, হাজী সাহেব হুজুর, হারুন সাহেব হুজুর, গাজি সাহেব হুজুর, নুরুল ইসলাম সাহেব হুজুর ও আইয়ুব সাহেব হুজুরসহ অনেক বুজর্গ।

চুনতির শাহ সাহেব হুজুর, গারাঙ্গিয়ার বড় হুজুর ছোট হুজুর, বায়তুশ শরফের মরহুম আব্দুল জব্বার হুজুরের কবরও দেয়া হয়েছে মসজিদের পাশে। হযরত শাহজালাল ও শাহ অমানতের কবরের পাশে গড়ে উঠেছে বিশাল মসজিদ। আল্লাহর কত অলী-দরবেশসহ হাজারো মুসল্লি রাত দিন সেখানে আল্লাহর জিকির করে থাকেন। শুনাযায় সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় মুয়াজ্জিনের আজান।

বিভিন্ন অলী আল্লাহর কবর জিয়ারত করতে গিয়ে আমারো আকাঙ্খা জাগে মসজিদের পাশে এই রকম কোন বরকতপূর্ণ স্থানে যেন আমার কবরও হয়। আমি মনে প্রাণে কামনা করে থাকি এবং বলে থাকি-

‘মসজিদেরি পাশে আমায় কবর দিও ভাই, যেন গোরে থেকেও মুয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।….

আমার গোরের পাশ দিয়ে ভাই নামাজিরা যাবে, পবিত্র সেই পায়ের ধ্বনি বান্দা শুনতে পাবে। গোর আযাব হতে এই গুনাহগার পাইবে রেহাই, আবার পাইবে রেহাই’।….

কত পরহেজগার খোদা নবীজীর উম্মত, মসজিদে করেরে ভাই কুরআন তেলাওয়াত। সেই কুরআন শুনে যেন আমি পরাণ জুড়াই’।….

কত দরবেশ ফকিরে ভাই মসজিদের আঙ্গিনাতে, আল্লাহর নাম জিকির করে লুকিয়ে গভীর রাতে। আমি তাদের সাথে কেঁদে কেঁদে নাম জপতে চাই, আল্লহর নাম জপতে চাই, আল্লহর নাম জপতে চাই।’….

কিন্তু আমাদের দেশে কিছু কিছু স্থানে কবরকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে শিরক. কবরপুজা ও ধান্ধাবাজী। যা ইসলামী শরীয়াহ সমর্থন করেনা। যে বিষয়ে রসুল সঃ এর নিষেধ রয়েছে। এ কারণেই আমাদের নবী সঃ কবরের উপর চুনকাম করতে, তার উপর বসতে, এবং তার উপর স্থাপনা নির্মাণ করতে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম: খ:২, পৃ:৬৬৭]

عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُجَصَّصَ الْقَبْرُ، وَأَنْ يُقْعَدَ عَلَيْهِ، وَأَنْ يُبْنَى عَلَيْهِ»
(صحيح مسلم (2/ 667)

আফসোসের বিষয় এদেশের মুসলমানরা পীর অলীদের মাযারের নামে তাদের কবরের উপর যেসব বাড়ি তৈরি করে রেখেছেন তাতে তারা ৩টি অপরাধ করেছেন।

এক. তারা উক্ত হাদীস বিরোধী কাজ করেছেন। রসুল স: নিষেধ অমান্য করেছেন।

দুই. জীবিত আদম সন্তানদের জন্য বাড়ি তৈরি না করে মরা মানুষের কবরের উপর বাড়ি তৈরি করে জীবিত মানুষের হক নষ্ট করেছে। এই অর্থ সম্পদ যদি জীবিত মানুষের বাড়ি তৈরি করার জ্যন্য ব্যয় করা হত; তবে তারা কতইনা উপকৃত হত।

তিন. ওসব মাযারের পীরের কাছে তারা নানা কিছু কামনা করে এবং কবরে সিজদা করে শিরকের মত মারাত্মক গুনাহ করছেন।

গত কয়েক বছরে বেশ কবার স্বপ্নে দেখলাম জামেয়া ইসলামিয়া পটিয়ার ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়ানোর স্মৃতিময় কয়েকটি ঘটনা। এর পর থেকে মন চাচ্ছিল মনমাতানো জামেয়া ক্যাম্পাসে বাস্তবেই ঘুরে বেড়াই। কিন্তু একজন সংবাদকর্মী হিসেবে প্রফেশনাল দায়িত্ব, পারিবারিক দায়িত্ব ও সামাজিকতায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকায় তা আর হয়ে উঠেনা। সেদিন চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে এই সুযোগ পেয়ে নিজেকে অত্যন্ত ধন্য মনে হয়েছে।

সে সময় জামেয়ার আশপাশের এলাকায় শিরক বেদায়াত ও ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ডের সয়লাব ছিল একটু বেশী। আমরা ছুটির দিনে দল বেঁধে একএক পাড়া মহল্লায় গিয়ে দ্বীনে দাওয়াতে দ্বীন বা তাবলীগের কাজ করতাম। একদিন মাদ্রাসার দক্ষিণ-পূর্ব দিকের একটি মহল্লায় এরকম দাওয়াতী কাজ করতে গিয়ে আমরা কয়েকজন বিপত্তির সম্মূখীন হয়েছিলাম।

তখন মাদ্রাসা হোষ্টেলে থাকতাম দু’তলায়। রসুল পাক সঃ এর নির্দেশ ‘মুরো ছিবইয়ানাকুম ইজা বলগো সবয়া সিনীন, ওয়াদরিবোহুম আলাইহা ইজা বলগো আশরা সিনীন’ তোমাদের ছেলে মেয়েদের সাত বছর বয়সে নামাজে অভ্যস্থ হওয়ার নির্দেশ দাও। আর ১০ বছরেও নামাজে অভ্যস্থ না হলে এজন্য তাদের শাস্তি দাও। এর আলোকে ছোট বেলায় শ্রদ্ধেয় বাবা আলহাজ্ব আসায়াদ আলী ও স্নেহময়ী মা মরহুমা আলকিস খাতুনের(মহান আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন)তাগিদে বলা যায় নামাজে অভ্যস্থ হয়েছি। কিন্তু জামেয়া ইসলামিয়ায় একদিন দু’তলার ওজুখানায় পানি ফুরিয়ে যাওয়ায় ওজু করতে দেরী হয়ে গিয়েছিল। এতে করে মসজিদে ফজরের জামায়াতে শরিক হতে পারিনি। এখনো মনে পড়ে এর খেসারত দিতে হয়েছিল শারীরিক শাস্তি ভোগ করে।

লেখক : সাংবাদিক, ইসলামী গবেষক। মোবাইল : ০১৮১৯-১৭০১৯০। ই-মেইল inqilab.cox@gmail.com

Top