বদির জামিনে খুশি আন্দোলনের সারথিরা

bodi-andolan_4.jpg

ইমরুল কায়েস :

দুদকের করা মামলার রায়ে ২ নভেম্বর ৩ বছরের সাজা হওয়ার পর সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকে কারাগারে প্রেরন করা হয়। বদিকে কারাগরের প্রেরনের পর হঠাৎ করে স্থম্ভিত হয়ে যায় উখিয়া টেকনাফের রাজনীতি। বদির রায়ের কয়েক ঘটনার মধ্যে চারদিকে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ে। একটি মহল মুহুত্বের মধ্যে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে বদির জামিন হবেনা গুজব ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চালায়।
কয়েকটি মিডিয়ায় এই ধরনের বিভ্রান্ত মূলক সংবাদ প্রকাশিত হয়। বদির পক্ষে তার দলীয় নেতাকর্মীরা ও সাধারন জনগন আন্দোলনে শুরু করায় পিছু হঠতে শুরু করে ষড়যন্তকারীরা। তবে বদির ও তার পক্ষে মাঠে নামা নেতার্কীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার অব্যাহত থাকে। বদির পক্ষে আন্দোলনকারীদর কালো তালিকা ভূক্ত করার সহ নানা ধরনের গুজবও রটানো হয়। এতোকিছুর পর আজ উচ্চ আদালতে বাদির জামিন পাওায় স্বস্তিতে বদির পক্ষে আন্দোলন কারীরা। বদির পক্ষে দীর্ঘ ১৪ দিন রাজপথে থেকে আন্দোলন কারীরা মনে করেন উচ্চ আদালতে এমপি বদির জামিন পাওয়া তাদের আন্দোলনের ফসল।

উখিয়া-টেকনাফের জনপ্রিয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির দীর্ঘ দিনের সহযোদ্ধারা ২ নভেম্বর আদালতের রায়ের পরপর প্রাথমিক ধাক্কা সামলিয়ে ঐ দিনই ঘুরে দাড়ায়। আদালতে রায়ে পরপর শুধু বদির পক্ষে উখিয়া সদরে ও টেকনাফ সদরে মিছিল হয়। রায়ের ৩-৪ ঘন্টা পর্যন্ত বদির নির্বাচনী এলাকায় আর কোন প্রতিক্রিয়া না হওয়ায় মাথা চাড়া দিতে শুরুর করে দলের ভেতরের ও দলের বাইরের কিছু চিহ্নিত ব্যক্তি। কিন্তু ২ নভেম্বর বিকেল থেকে উখিয়া ও টেকনাফের প্রতিটি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ সহ সাধারন জনগন এমপি বদির মুক্তির দাবিতে রাজপথে নেমে আসে। দুই উপজেলার ২০টি স্থানে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে বদির সাজার প্রতিবাদ জানায়। শুরু হয় এমপি বদি মুক্তির ধারাবাহিক আন্দোলন। উখিয়া ও টেকনাফের প্রতিটি ইউনিয়নে বাদির মুক্তির দাবিতে গন সমাবেশ ও দোআ অনুষ্ঠিত হয়। বদির মুক্তির দাবিতে উখিয়া ও টেকনাফে বৃহৎ আকারে প্রাতিবাদ সমাবেশ করে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন। বদির নির্বাচনী এলাকার ২ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও বদির মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করে।

নানামুখি ষড়যন্ত্র, বিভ্রান্ত মূলক অপাপ্রচারের পরও বদির মুক্তির দাবিতে জনগনকে সম্পৃক্ত করে নিরলস ও নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে গেছেন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আমিনুল হক আমিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নুরুল হুদা, জালিয়া পালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম সৈয়দ আলম, জেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন জুয়েল, উখিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মুজিবুল হক আযাদ, সাধারন সম্পাদক ইমাম হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মকবুল হোসেন মিথুন ও প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন।

এমপি বদি মুক্তি জন্য টেকনাফে যেই গন আন্দোলন হয়েছে তার নেতৃত্বে ছিলেন টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহম্মদ, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা শফিক মিয়া ও ইউনুস বাঙ্গালী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জহির হোসেন এম এ, টেকনাফ পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম এ বাহাদুর, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবরাং ইউনিয়ন পারিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেন, সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যানে নূর আহম্মদ, টেকনাফ সদর ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাহান মিয়া, বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মৌলভী আজিজ, হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান এইচ কে আনোয়ার, ছাত্রলীগ নেতা সরওয়ার আলম সহ তাদের অনুসারীরা।

Top