প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে এস. এম. কিবরিয়া ও বাদলের বক্তব্য

toac-1.jpg

ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক), বাংলাদেশ থেকে বহিস্কার সংক্রান্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন টুয়াকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস. এম. কিবরিয়া খাঁন।

অন্যদিকে “টুয়াক” ফাউন্ডার কমিটি হতে এম. রেজাউল করিমকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে প্রেসনোট পাঠিয়েছেন টুয়াকের প্রতিষ্ঠাতা ও ফাউন্ডার কমিটির চেয়ারম্যান এম. এ. হাসিব বাদল।

পৃথকভাবে দুইজনের বিবৃতি হুবহু পাঠকের কাছে উপস্থাপন করা হলো-

এস. এম. কিবরিয়া খাঁন বলেন, গত ২৮/১১/২০১৬ইং বিভিন্ন স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকাসমূহে আমাকে টুয়াক হতে বহিষ্কার শিরোনামে প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে সদস্যদের নাম ভাঙ্গিয়ে সংগঠন বিরোধী ষড়যন্ত্র এবং আর্থিক দূর্নীতিতে লিপ্ত থাকার প্রমানহীন অভিযোগ এনে কু-উদ্দেশ্যে হাসিলের জন্য বানোয়াট সংবাদটি বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত করা হয়েছে।

মূলতঃ বর্তমান সভাপতি এম. রেজাউল করিম কর্তৃক টুয়াকের বিগত নির্বাচনে সাধারণ সদস্যদের আমানতের টাকায় ভোট কিনে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় এবং তাহার নিকট গচ্ছিত অর্থ এখনো ফেরত প্রদান করতে না পারার প্রতিবাদ করায় আমাকে বহিষ্কার নাটক সাজানো হয়েছে। উক্ত বহিষ্কারের সাংগঠনিক কোন ভিত্তি নাই। সভার নোটিশবিহীন, এজেন্ডাবিহীন ফেইজবুক মার্কা এই সভার আইনগত কোন বৈধতা আছে বলে আমার জানা নাই।

ভুঁয়া কার্যবিবরণি খাতা বানিয়ে কিছু সদস্যদের মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে উদ্দেশ্য প্রনোদিত এইসব কার্যক্রম বার বার সাংগঠনিক অদক্ষতার পরিচয় প্রদান করে যাচ্ছে। সভাপতি সবচেয়ে অজ্ঞতার পরিচয় প্রদান করেছেন কোন প্রকার নিয়ম না মেনে তাহার পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদককে দুই দুইবার বহিষ্কার করে। জানিনা বাকি দশ মাসের মধ্যে তাহাকে আর কয়বার বহিষ্কার হতে হবে।

আমি টুয়াকের দুইবার নির্বাচিত এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। সংগঠনের একজন ফাউন্ডার মেম্বারকে বহিষ্কার করার কোন এখতিয়ার কার্যকরি কমিটির হাতে নাই। আমার দায়িত্বকালিন সময়ে পর্যটন বিকাশে নানা ধরনের কর্মকান্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে টুয়াককে জেলার একটি শ্রেষ্ট সংগঠনের পরিণত করেছিলাম। অথচ বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে দ্বন্ধের কারণে সংগঠনকে ধ্বংসের মুখে পতিত করেছে। আমাদের চৌদ্দ (১৪) বৎসরের ত্যাগে গড়া সংগঠনের ভাবমুর্তিকে বর্তমান কার্যকরি কমিটি ধুলায় মিশিয়ে দিতে চলেছে। এই কমিটি – নির্বাচনকালিন গচ্ছিত অর্থ তচরুপ, কমিটির অন্তঃকোন্দল, হিসাব অনুমোদন না নেওয়া, অর্থ গ্রহনের মাধ্যমে অযোগ্য ও অফিসবিহীন সদস্যপদ প্রদান, সংগঠনের আয়ের খাত সমুহ বন্ধ করা, সংগঠন পরিচালনায় অজ্ঞতার পরিচয় প্রদান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অসস্মান করা, সংগঠনের নাম পরিবর্তনের চেষ্টা করা, সভা ও কার্যক্রম সমুহ নিয়মিতভাবে পরিচালনা না করা, মেগা বীচ কার্নিভালে নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করা, নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন না করা, কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়া অবৈধ বহিষ্কার আদেশ প্রদান করা, পত্র-পত্রিকায় ও ফেইজবুকে সংগঠক এবং সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কাদাঁ ছুড়াছুড়ি করা, ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে দায়িত্বে হস্তক্ষেপ করাসহ নানা ধরনের অর্মাজনীয় অপরাধ সংগঠিত করে যাচ্ছে।

সংগঠনের এই বেহাল দশা হতে মুক্ত হতে সাধারণ সদস্যরা যখন এই কমিটিকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করার আন্দোলন করছে ঠিক সেই মুহুর্তে নিজের চেয়ার টিকিয়ে রাখতে পরিস্থিতিকে অন্যদিকে মোড় দিতে এই বহিষ্কার নাটক সাজানো হয়েছে। তাহার উক্ত কর্মকান্ডের সাথে সাধারণ সদস্যদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তাই অতিসত্তর এই মনগড়া আদেশ প্রত্যাহার করে সংগঠনকে নিয়ম-নীতির মাধ্যমে পরিচালনা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় আইন বর্হিভুত কর্মকান্ড সংগঠিত করে মানহানি করার অভিযোগে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব।

“টুয়াক” ফাউন্ডার কমিটি হতে এম. রেজাউল করিমকে বহিষ্কার

ট্যুর অপারেটরস্ এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক) বাংলাদেশ এর বর্তমান কার্যকরি কমিটির দায়িত্ব গ্রহনের পর এক (০১) বৎসর অতিবাহিত হলেও কোন প্রকার সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয় নাই। তদুপরি বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে সংগঠনকে ধ্বংসের মুখে পতিত করেছে। আমাদের চৌদ্দ (১৪) বৎসরের ত্যাগে গড়া সংগঠনের ভাবমুর্তিকে বর্তমান কার্যকরি কমিটি ধুলায় মিশিয়ে দিতে চলেছে। বর্তমান সভাপতি হিসেবে এম. রেজাউল করিম দায়িত্ব গ্রহনের পর- নির্বাচনকালিন গচ্ছিত অর্থ তচরুপ, কমিটির অন্তঃকোন্দল, হিসাব অনুমোদন না নেওয়া, অর্থ গ্রহনের মাধ্যমে অযোগ্য ও অফিসবিহীন সদস্যপদ প্রদান, সংগঠনের আয়ের খাত সমুহ বন্ধ করা, সংগঠন পরিচালনায় অজ্ঞতার পরিচয় প্রদান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অসস্মান করা, সংগঠনের নাম পরিবর্তনের চেষ্টা করা, সভা ও কার্যক্রম সমুহ নিয়মিতভাবে পরিচালনা না করা, মেগা বীচ কার্নিভালে নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করা, নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন না করা, কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়া অবৈধ বহিষ্কার আদেশ প্রদান করা, পত্র-পত্রিকায় ও ফেইজবুকে সংগঠক এবং সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কাদাঁ ছুড়াছুড়ি করা, ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে দায়িত্বে হস্তক্ষেপ করা, সংগঠনকে রাজনীতিকরণের প্রচেষ্টা করাসহ নানা ধরনের অর্মাজনীয় অপরাধ সংগঠিত করে যাচ্ছে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠা সদস্যগণকে সাধারণ সদস্যপদ হতে বহিষ্কার করার কোন ক্ষমতা কার্যকরি কমিটির হাতে নেই। সংগঠনের এই বেহাল দশা হতে মুক্ত করতে অতীতের ন্যায় টুয়াক ফাউন্ডার কমিটি অদ্য ২৮/১১/২০১৬ইং তারিখের জরুরী সভায় রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী কার্মকান্ডে জড়িত থাকার সংবাদ পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া এবং সংগঠন পরিচালনায় ব্যর্থতার কারণে তাকে টুয়াক ফাউন্ডার কমিটি হতে সর্বসম্মতিক্রমে বহিষ্কার ঘোষনা করেন।

এম. এ. হাসিব বাদল
প্রতিষ্ঠাতা

চেয়ারম্যান, ফাউন্ডার কমিটি
টুয়াক, বাংলাদেশ।

Top