প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

protibad_1.jpg

টেকনাফ নিউজ৭১ অনলাইন নিউজ পোর্টালে “সেন্টমার্টিন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্যারা শিক্ষকের ছাত্রী বিয়ে: পড়াশুনার বিমূখ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এতে আমার মেয়ে ও হবু জামাইকে নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছেন। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দ্বীপের একমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শিক্ষক শুণ্য করার গভীর ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। স্বাধীনতা পরবর্তী এই দ্বীপের কিছু চিহ্নিত রাজাকারেরা বাংলা শিক্ষাকে মেনে নিতে না পারায় আজও গোপনে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছেন। এক কতিপয় চাঁদাবাজ আন্ডার মেট্রিক পড়ুয়া সাউফুদ্দীন মোহাম্মদ মামুনকে দিয়ে স্বাধীনতা বিরোধীরা দ্বীপের বাংলা শিক্ষাব্যবস্থা ধবংসের পায়তারা করছেন। এই চাঁদাবাজ সাংবাদিক পরিচয় ধারী মামুন আমার জামাইয়ের কাছে ফোন করে চাঁদা দাবী করেন এবং তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্বাধীনতা বিরোধীদের যোগসাজশে আমার মেয়ে ও জামাইকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এই মামুনের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজির অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে। শিক্ষক সাইদুল ইসলামের সাথে দুই বৎসর পূর্বে আমার মেয়ের বিয়ের কথা পাকাপোক্ত হয়। মেয়ের বয়স পর্যাপ্ত না হওয়ায় এখনো আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়নি। যার প্রমাণ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগগের সম্মানিত সভাপতি, সেক্রেটারিসহ অনেক গুণী ব্যক্তিবর্গ অবগত আছেন। সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউপি দফাদার হাবিব উল্লাহ’র ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়ে রুনা আক্তার বার্ষিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয় এবং ৫ম শ্রেণীতে উঠতে পারেনি। এই বিষয়ে হাবিব উল্লাহ তার মেয়েকে অবৈধভাবে ৫ম শ্রেণীতে তুলতে অনৈতিক বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষকদের বেশ চেষ্টা করেও সফল না হওয়ায় আজ আমার জামাই নিয়ে বাজে মন্তব্য করছেন। এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৪০ জন শিক্ষার্থী পিএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন। প্রতিটি ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের খুব প্রিয় শিক্ষক সাইদুল। যখন কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের জীবনের প্রথম বোর্ড পরীক্ষা চলছে তখনই স্বাধীনতা বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা শিক্ষার্থীদের মন ভাঙ্গার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চাঁদাবাজ সাউফুদ্দীন মোহাম্মদ মামুনকে দিয়ে এই মিথ্যা সংবাদটি করেছেন। এই বিষয়ে তৎক্ষণাৎ বিবৃতি দিয়েছেন পিএসসি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ। এতে পিএসসি শিক্ষার্থী আশরাফুলের বাবা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, রাসেদুলের বাবা ওসমান গণি, সাইমুন আক্তারের বাবা আব্দুল আমিনসহ ৪০ জন শিক্ষার্থীদের অভিভাবক এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা সেইকাল থেকে এইকাল পর্যন্ত বাংলা শিক্ষার বিরোধী তা আমাদের মনে রাখতে হবে। এবং সেইসব রাজাকারদের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ বিরোধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সেইসাথে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের এই মিথ্যা বানোয়াট সংবাদে কান দিয়ে পড়াশুনায় মনোযোগী হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এবং চাঁদাবাজ সংবাদিক পরিচয়ধারী মামুনকে সেন্টমার্টিনে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।
শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড। এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যক্তি সার্থে বিবেচনা না করে জাতীয় সার্থে ভাবা প্রত্যেক সচেতন মানুষের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। কিছু কুচক্রী মহলের কু উদ্দেশ্য যেন সফল করতে না পারে সেদিকে সকল দ্বীপ বাসীকে সতর্ক থাকতে হবে। আমি এই মিথ্যা বানোয়াট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেইসাথে এই মিথ্যা সংবাদে কাউকে বিব্রত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
মোঃ হাকিম আলী (হাবছা বিবির বাবা)
ডেইলপাড়া, সেন্টমার্টিন।

Top