পরম শ্রদ্ধেয় সিরাজ স্যার

siraj-sir.jpg

– মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী

শ্রদ্ধেয় এম.এম.সিরাজুল ইসলাম স্যার। সবার কাছে “সিরাজ স্যার” নামেই বেশী পরিচিত। যাঁর শিরা-উপশিরায় শিক্ষার রক্ত প্রবাহিত। একজন নিরলস, গতিময়, সাহসী, সৃষ্টিশীল ও বিস্ময়কর প্রতিভা সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। সততা, নির্মোহ ও নৈতিকতা যাঁর অন্যতম গুনাবলী। আলোকিত মানুষ গড়ার সুনিপুন কারিগর। শিক্ষকতা করে জীবনের স্বর্ণালী সময় কাটিয়েছেন। জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সুদীর্ঘ সময় শিক্ষকতা ছাড়াও প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এর শহীদ মিনার, মিলয়নায়তনের শহীদ বশীর-শাহ আলম নামকরণ ও স্কুল প্রাঙ্গনে বনায়নের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও উদ্যোক্তা। সবাইকে নিয়ে অনেকটা নিজ হাতে এসব কাজ বান্তবায়ন করেছেন। কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থাকাবস্থায় অবসরে গিয়েছেন। অবসর যেন স্যারের কর্মপরিধিকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। কোনোদিন পাওয়া নাপাওয়া এবং প্রাপ্তির হিসাব না কষলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুরুস্কারে ভূষিত হয়েছেন। কক্সবাজার বায়তুশশরফ কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক। মহীরুহসম এই বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের প্রায় সব’কটি প্রতিষ্ঠানই স্যারের অনেকটা নিজের হাতে গড়া। কক্সবাজারের আরো অনেক সেবা ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্টানের সফল

আবু সিদ্দিক উসমানী , এডভোকেট

প্রতিষ্ঠাতা, উদ্যোক্তা ও পৃষ্টপোষক। কোন কিছু গড়ার কাজে হাত দিলে সেটা পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্যার আর পেছনে তাকান না। এককথায় সিরাজ স্যার জড়িত মানেই সর্বক্ষেত্রেই শতভাগ সফলতা। স্যারের বয়স আর কাজের ব্যাপ্তি যেন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এ বটবৃক্ষের সুশীতল ছায়ায় মানুষ হয়েছেন অযুত সহ¯্র ছাত্র-ছাত্রী। যারা জ্ঞানের মশাল হাতে দেশ দুনিয়া আলোকিত করছেন। কমপ্লেক্স মাঠেই গত ২৮ নভেম্বর সোমবার জোহরের নামাজের পর স্যারের সাথে অনেক বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা হলো। কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য প্রাক্তন ছাত্রদের ১৪২ বছরের ইতিহাসে প্রথম পুর্ণমিলনীর সফলতা কামনা করে স্যার অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিলেন। প্রাক্তন ছাত্রদের এ মহামিলনের মোহনায় এসে স্যারের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। সদা হাস্যজ্জ্বোল স্যারের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

Top