নিম্নমানের উপাদানে তৈরী পাল বাবুর মিষ্টি

pal.jpg

বিশেষ সংবাদদাতা:
চকরিয়া উপজেলার হারবাং বাজারের পাল বাবুর মিষ্টির সেই নাম ও স্বাদ এখন আর নাই। নিম্নমানের উপাদানে তৈরী হওয়ায় পাল বাবুর মিষ্টি প্রতি ঝুঁক কমে গেছে গ্রাহকদের। মিষ্টি কিনতে গিয়ে ঠকছে ক্রেতারা।
বিভিন্ন আতিথেয়তার অন্যতম অনুষঙ্গ সেই পাল বাবুর মিষ্টির আগের গুণমান কমে গেছে বলে ভোক্তারা অভিযোগ করেন।
এদিকে অভিযোগ পাওয়া গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই এই মিষ্টি তৈরী করা হচ্ছে। ছাড়পত্র নেওয়ার গরজও নেই পাল বাবুর।
গত বুধবার খুব আগ্রহভরে চকরিয়ার বাটাখালী থেকে পাল বাবুর দোকানে মিষ্টি কিনতে গিয়েছিল রশিদ আহমদ। কিন্তু ঘটে বিপত্তি। দোকানের নোংরা পরিবেশ দেখে তিনি বিরক্ত হয়ে ওঠেন। তাছাড়া স্বাদহীন মিষ্টিতে ক্রেতা রশিদকে অনাগ্রহী করে তুলে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদেরও অভিযোগ একই।
তাদের ভাষ্য, এককালের পাল বাবুর মিষ্টির সুনাম থাকলেও এখন নেই। অদক্ষ কারিগর ও নি¤œমানের উপাদান মিষ্টি তৈরী করা হয়।
জানা গেছে, ১৯৫৮ সালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজন ইউনিয়নের হিন্দুর হাট এলাকার রেভতী রঞ্জন দাশ চকরিয়ার হারবাং-এ মিষ্টির দোকান দেন। তখন সেখানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন উষা রঞ্জন পাল। রেভতী রঞ্জনের কাছ থেকে তিনি মিষ্টি বানানোর প্রক্রিয়া শিক্ষা নেন। ১৯৭১ সালে রেভতী রঞ্জন দাশ দোকানটি উষা রঞ্জন পালকে বিক্রি করে দেন। তখর থেকে পাল বাবুর মিষ্টি পরিচিত হয়।
তবে উষা রঞ্জন পাল দাবী করেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে এ ব্যবসার সাথে জড়িত তিনি। তার মিষ্টি উন্নতমানের।
তিনি আরো জানান, দৈনিক ১০ থেকে ১১ হাজার টাকার মিষ্টি বিক্রি হয়। গুণগত মান অক্ষুন্ন রেখে নির্দিষ্ট পরিমাণ মিষ্টি তৈরি করেন। এ সময় তিনি বাসি মিষ্টি বিক্রি করেননা বলেও জানান।

Top