ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্ব বুঝতে হলে জানতে হবে ইভানকাকে

ivanka-trump_650x400_71479350226-550x338.jpg

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নন, আমেরিকানবাসী এখন বুঝতে চাইছেন ইভানকাকে। কারণ ইভানকাই নাকি নিয়ন্ত্রণ করছেন বাবাকে। নির্বাচনি ক্যাম্পেইনের ফাঁকেও মেয়ে ইভানকার সাথে শলা-পরামর্শ করতেন সাবেক এই মিডিয়া মুঘল। এমনকি ট্রাম্প ইভানকার অনুপ্রেরণাতেই চাইল্ড কেয়ার পলিসি ঘোষণা করেছেন যা তাকে ভোটে আরো এগিয়ে দিয়েছে।
তবে নির্বাচনের আগে প্রচারিত হয়েছিল ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হলে ইভানকা ‘ট্রাম্প টাওয়ার’ নিয়েই ব্যস্ত থাকবেন। ইভানকা নিজেও বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনে যুক্ত হওয়ার কোন ইচ্ছে নেই তার। কিন্তু এখন ট্রাম্পের ক্যাবিনেট গঠন টিমে ও ইভানকা ভূমিকা রাখছেন। আর ইভানকার হাত ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন ইভানকার স্বামী জেয়ার্ড কুশনার। কুশনার ইতোমধ্যেই ট্রানজিশন টিমে এক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন। বাবা চার্লস কুশনারকে আয় সংক্রান্ত মামলায় জেলে ঢুকিয়েছিন রিপাবলিকান দলের উচ্চসারির নেতা নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস্ট। আর ক্রিস্টের পছন্দের বলে দল থেকে বের করেছেন সাবেক কংগ্রেসম্যান মাইক রজারকে।
যদিও ট্রাম্প বলেছেন, একমাত্র আমিই জানি শেষ পর্যন্ত আমার সরকার দলে কে কে থাকবে। তারপরও তার কাছের লোকরা পর্যন্ত এই সন্দেহ এড়িয়ে যেতে পারছেন না যে, এটা জানে ইভানকাও। ইভানকাকে বিকল্প ফার্স্ট লেডি হিসেবে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ইভানকা নিজেও বলেছেন, মেলানিয়া ট্রাম্প ফার্স্ট লেডি হলেও তিনি যেভাবে বলবেন মেলানিয়া ঠিক সেভাবেই কাজ করবেন। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্টের ছায়ার আড়ালেই আবির্ভূত হবেন ইভানকা।
তার মানে কি সমগ্র আমেরিকানবাসীর ভাগ্য এখন ইভানকার হাতে? কেউ কিছুই বুঝতেও পারছে না। ট্রাম্প ও তার মেয়ে নিজেদের চারপাশে এক রহস্যজাল বিস্তার করে রেখেছেন। কেউই কিছু পরিস্কার করে বলছেন না। তাই আমেরিকানবাসী গোপনে এখন শুধু এই প্রার্থনা করছেন, ‘ওহ ইভানকা, ওহ ইশ্বর, দয়া করে আমাদের সাথে কথা বলো। আমরা তা শোনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ও সিএনএনস পলিটিক্স

Top