ডুলাহাজারায় সন্ত্রাসীদের হুমকি আতঙ্কে বয়োবৃদ্ধ ফয়েজ

foyez.jpg

মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া :
চকরিয়া উপজেলাধীন ডুলাহাজারা ইউনিয়নের অসহায় বয়োবৃদ্ধ ও তার পরিবার সন্ত্রাসীর হুমকির মুখে নিরাপত্তা হীনতায় দিনপাত করছে।
জানাযায় দীর্ঘ ৪০ বছর যাবত ইউনিয়নের ডুমখালী গ্রামের বয়োবৃদ্ধা ফয়েজ আহমদ (৭৮) তার নিজ বন্দোবস্তকৃত বসত ভিটায় শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছে। কিন্তু পার্শ্ববর্তী নবীর হোছেন নামক প্রভাবশালী ব্যক্তি তাকে উচ্ছেদ করে বসতভিটে দখলে নেয়ার বিভিন্ন পায়তারা চালাচ্ছে বলে জানায় ফয়েজ আহমদ ও তার পরিবার।
ভুক্তভোগীরা আরো জানায় আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর আগে তাদের বন্দোবস্তি বসতভিটায় নবীর হোছেনের জায়গা আছে বলে দাবী করেন। এই সুত্র ধরে সন্ত্রাসী কায়দায় বৃদ্ধার (ফয়েজ আহম্মদের) ছেলে শামশুল আলমকে মারধর পূর্বক আহত করে জায়গা দখলে নেয় নবীর হোছেন ও তার দলবল। কিন্তু কাগজপত্রের স্বচ্ছতা ও সার্বিক বিবেচনায় এলাকার শালিসি বিচারে জায়গাটা আবার পুনরায় ফিরে পায় ফয়েজ আহম্মদ।
সম্প্রতি ওই জায়গাটি দখলে নেওয়ার পুনরায় বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে পার্শ্ববর্তী বসবাসরত ওই নবীর হোছেন। এরই জের ধরে উল্লেখিত ব্যক্তি ও তার স্বজনরা প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ফয়েজ আহম্মদ সহ তার পরিবারের সদস্যদের। এব্যাপারে বৃদ্ধা ফয়েজ আহম্মদ স্থানীয় ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার সহ এলকার মান্যগণ্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবগত করলে তারা বিষয়টা সমাধানের আশ্বাস দেন। জানতে চাইলে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য শাহাব উদ্দিন বলেন ‘আমাকে এব্যাপারে জানিয়েছে তারা। একটি বৈঠকে বসে আমরা উভয় পক্ষের কাগজপত্র দেখে অতিসত্বর সুস্থ সমাধানের আশ্বাস দিয়েছি।’
এদিকে প্রতিপক্ষের নবীর হোছেন বিচার শালিস দেওয়ার কথা শোনে ফয়েজ আহম্মদ ও তার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। গত বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) জায়গার মালিক ফয়েজ আহম্মদের ছেলে শামশুল আলমের চায়ের দোকনে এসে মারবে, কাটবে, মিথ্যা মামলায় জড়াবে এমনকি বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে পথে বসাবে বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে প্রতিপক্ষ নবীর হোছনের ছেলেরা ও মেয়ের জামাই আমির হোসেন। এনিয়ে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের সহজসরল বৃদ্ধার পরিবার।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় ফয়েজ আহমদ ও তার পরিবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

Top