চট্টগ্রাম-হাটহাজারী মহাসড়কে গাড়ীর গ্যারেজ ,জনদূর্ভোগ চরমে

Hathazari.jpg

মোহাম্মদ হোসেন,হাটহাজারী :

চট্টগ্রাম-হাটহাজারী মহাসড়ক অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ট্রাকস্ট্যান্ড, অটোস্ট্যান্ড, গ্যারেজ ও দোকানপাট। এর ফলে মহাসড়কে প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকছে। পরিবহন মালিক, শ্রমিক নেতা,প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে গড়ে উঠেছে অবৈধ এসব পাকিং। এছাড়া অক্সিজেন থেকে হাটহাজারী বাসস্টেশন পর্যন্ত সাড়ে ১২ কিলোমিটারের মধ্যে ৮/১০টি বাঁক (ইউটার্ন) রয়েছে। এসব বাঁকের কারণে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। যানজটের কারন গুলো খোঁজ নিয়ে দেখা যায় রাস্তার উপর গ্যারেজ এর গাড়ি দাঁড় করিয়ে গাড়ি রিফারিং ও অন্যন্যা পরিবহন গুলো মালামাল লোড আনলোড। চট্টগ্রাম-হাটহাজারী মহাসড়ক চার লাইন হলেও সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ গাড়ি পাকিং। গ্যারেজ বা গাড়ি গুলোর বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেয় না দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চট্টগ্রাম-হাটহাজারী মহাসড়কের অক্সিজেন,বালুছড়া,আমান বাজার,বড়দিঘীপাড়,ফতেয়াবাদ,ধোপারদিঘী,ইসলামীয়াহাট থেকে মদনহাট,চ.বি ২ নং গেইট থেকে ১১ মাইল,শেরে বাংলা (রঃ) মাজার থেকে কলেজ গেইট পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অটোস্ট্যান্ড। এছাড়া কিছু ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ভারি মালবাহী যানবাহন সড়কের ওপর পার্কিং করে গাড়ি ব্যবসাসহ মাল লোড-আনলোড করছেন।

স্থানীয়রা জানায়, চট্টগ্রাম-হাটহাজারী মহাসড়ক ব্যস্ততম এলাকা এভাবে অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন সড়কের উভয়পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। এর ফলে সীমাহীন ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে জনসাধারণ ও যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের।

বড়দিঘী পাড় এলাকায় মহাসড়কের পাশে অবৈধভাবে ট্রাকস্ট্যান্ডে পার্কিং করা ট্রাক-ড্রাইভার কামাল ও সফি জানান, তারা সমিতির নেতাদের চাঁদা দেন। আর নেতারাই আমাদের সবকিছু দেখাশোনা করেন। বিষয় গুলো তদারকি করে চার লেইন সড়কটি যানজটমুক্ত রাখতে দায়িত্বশীলদের হস্থক্ষেপ কামনা করেন।

Top