খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত চাষীরা

kejor.jpg

মোহাম্মদ হোসেন, হাটহাজারী:
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ও ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে শীত মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে খেজুর রস আহরণের ব্যস্ত সময় পাড় করছেন চাষীরা। কিন্তু কযেক বছর ধরে ইঁভাটা গুলোতে জ্বালানী হিসেবে খেজুর গাছ ব্যবহার করায় হাটহাজারীর বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাচ্ছে খেজুর গাছ। গ্রাম আর রাস্তার পাশ থেকে খেজুর গাছ বিলপ্ত হওয়ার কারন ওই সব গাছ গুলোকে তেমন একটা পরিচর্য্য না করার কারনে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে খেজুর গাছ। এক সময় গ্রামের সড়ক ও মহাসড়কের পাশে খেজুর গাছের আবাদ ছিল। কিন্ত বর্তমানে রাস্তার পাশে খেজুর গাছ তেমন একটা চোখে পড়ে না। গ্রামের পুকুর পাড়,দিঘীর পাড় ও বাড়ির আশ পাশে খেজুর গাছ ছিল দেখার মত কিন্ত সে সব দৃশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। উপজেলা মির্জাপুর,ফরহাদাবাদ পাহাড়ের আশ পাশে গ্রাম গুলোতে এখন খেজুর গাছ দেখা যায়। ওই সব এলাকার রস আহরণকারীদের সাথে কথা হলে তারা জানান,আগের চেয়েও অনেক খেজুর গাছ গ্রাম থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। খেজুর গাছ রক্ষার্থে খেজুরের চারা রোপন করতে সরকারী ভাবে সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করেন চাষীরা।
চাষীরা জানান, দীর্ঘ বহু বছর ধরে খেজুর গাছ ব্যবহার হচ্ছে ইটের ভাটায়। তাই ইটভাটার হাত থেকে খেজুর গাছ রক্ষার দাবি জানিয়েছেন চাষী ও সচেতন মহল। খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় হাটহাজারী বনবিভাগের উদ্যোগে কোথাও কোনো খেজুরগাছ রোপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শীত মৌসুম শুরু হওয়ায় গ্রামের বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত খেজুর গাছের কদরও বেড়ে গেছে। তাই খেজুর গাছ বৃদ্ধি করার জন্য বনবিভাগ কর্তৃক নতুন ভাবে খেজুরগাছ রোপন করার দাবী জানান এলাকার সচেতন মহল।

Top