কিবরিয়া ও আশেক টুয়াক থেকে বহিস্কার

Toac-Pic_1.jpg

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক), বাংলাদেশ এর এসএম কিবরিয়া খান ও আসাফ উদ দৌলা আশেককে সাধারণ সদস্য পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
সংগঠন ও সাধারণ সদস্যদের অগোচরে নাম ভাঙ্গিয়ে হীন উদ্দেশ্যে সংগঠন বিরূধী ষড়যন্ত্র ও বিভিন্ন প্রকার আর্থিক দুর্নীতিতে লিপ্ত থাকায় সর্বসম্মতিক্রমে উক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় বলে জানা গেছে। বিগত ৮ নভেম্বর ২০১৬ ইং সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বহিস্কারাদেশ কার্যকর হবে।
সুত্র জানায়, বিগত ১০ই অক্টোবর-২০১৫ ইং টুয়াকের কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এস.এম কিবরিয়া খান তৃতীয় স্থান অধিকারী হয়ে পরাজিত হন। যথারীতি নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটি ২৮ শে অক্টোবর শপথ গ্রহনের মাধ্যমে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এর পর থেকে আসাফ উদ দৌলা আশেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি ও শৃঙ্খলাবিরোধী অভিযোগ আসতে থাকে। তিনি সংগঠনের দায়িত্বশীল পদে থেকে পরাজিত ও সাবেক সভাপতি এস এম কিবরিয়া খানের যোগসাজসে সাধারণ সদস্যদের অগোচরে সংগঠন বিরোধী বিভিন্ন প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন, যার ফলে সাধারণ সদস্যদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও সংগঠনের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হয়। বিগত ১৬ ই ডিসেম্বর ২০১৫ ইং জাতীয় দৈনিকে পরাজিত প্রার্থী এস এম কিববিয়া খান নিজেকে সভাপতি পরিচয় দিয়ে সভা আহবান করেন।
সভায় কতিপয় সদস্যের ্উপস্থিতি দেখিয়ে ও সাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে নিজেকে আহবায়ক দেখিয়ে ‘নতুন আহবায়ক কমিটি গঠিত’ হয়েছে মর্মে বানিজ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন, যার সাথে টুয়াকের কার্যকরী কমিটি ও সাধারণ সদস্যদের কোন সম্পর্ক নেই। সাধারণ সদস্যদের সাক্ষর জালিয়াতি, টুয়াকের সদস্য নয় এমন ব্যাক্তিদের নিয়ে সংগঠন বিরুধী কর্মকান্ড ও বিভিন্ন ধরনের আর্থিক দুর্নীীতর প্রমান হওয়ায় সাধারণ সভার সর্বসম্মতিক্রমে এস এম কিবরিয়া খান ও আসাফ উদ দৌলা আশেককে সাধারন সদস্য পদ থেকে বহিস্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তাদের সাথে টুয়াক সংশ্লিষ্ট কোন প্রকার আর্থিক বা প্রাতিষ্টানিক লেনদেন না করার জন্য সর্ব সাধারণকে সতর্ক থাকার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুরোধ করেছেন টুয়াকের সভাপতি এম. রেজাউল করিম।

Top